ঢাকা ১২:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের সঙ্গে চুক্তির আশাবাদ ট্রাম্পের, ব্যর্থ হলে সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি চুয়েটের নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেলেন অধ্যাপক আবু সাদাত সায়েম ১ আগস্ট থেকে গণপরিবহনে জিপিএস বাধ্যতামূলক করল বিআরটিএ লক্ষ্মীপুরে যুবদলের নতুন কমিটি গঠনের পরদিন ১৬ নেতার পদত্যাগ আসামে বন্যার কবলে পড়ে গাছে কাটিয়ে ১২ ঘণ্টা পার করলেন মা-ছেলে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারে সরকারের আশ্বাসে শান্ত সিজেপি ইউরোপে রেকর্ড ভাঙতে পারে এবারের দাবানল, সতর্কবার্তা ইইউর ফ্রান্সে স্মার্ট পরিবহন বিষয়ক প্রশিক্ষণে এআইইউবি প্রতিনিধিদল সাগরে নিম্নচাপ: ঢাকার আকাশ মেঘলা, বৃষ্টির পূর্বাভাস মেঘনা তীরে অবৈধ হোটেল, সরকারি অনুমতির তোয়াক্কা নেই

পবিপ্রবিতে বিএনকিউএফ বাস্তবায়ন কর্মশালা

সাব্বির হোসেন পটুয়াখালী প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:১৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০২৩ ৪০৭ বার পড়া হয়েছে

পবিপ্রবিতে বিএনকিউএফ বাস্তবায়ন কর্মশালা

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) বাস্তবায়নের উপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

১৮ জুন ( রবিবার) সকাল ১০ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ৪র্থ তলায় ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) এর বাস্তবায়নের কর্মশালা সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। গত ১১ জুন (রবিবার) থেকে চলমান কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ফ্যাকাল্টি অংশগ্রহণ করে।

আইকিউএসি এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিটি ফ্যাকাল্টির ডিনবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু,আইকিউএসি এর অতিরিক্ত পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. কুমার দেবাশীষ দত্তসহ বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত,” বিএনকিউএফ বাস্তবায়ন হলে ছাত্রবান্ধব কারিকুলাম তৈরি হবে। কারিকুলামে দেশের ইতিহাস ঐতিহ্য স্থান পাবে। যা তাদের চাকরি প্রাপ্তির রাস্তা সহজ করো দিবে।

উল্লখ্য,বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কাঠামো। এতে জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতার উন্নয়ন, শ্রেণিবিন্যাস ও স্বীকৃতিকে কয়েকটি স্তরে সমন্বয় করা হয়েছে। এ কাঠামোতে ১০টি স্তরে উচ্চশিক্ষা, সাধারণ, কারিগরি, মাদ্রাসা শিক্ষার মধ্যে সমন্বয় ও আন্তসংযোগের ব্যবস্থা রয়েছে। এর ফলে কেউ চাইলে একটি শিক্ষা স্তর থেকে আরেকটিতে স্থানান্তরিত হতে পারবেন। এটি চাকরির বাজারে নিজের অবস্থান তৈরিতেও সাহায্য করে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

পবিপ্রবিতে বিএনকিউএফ বাস্তবায়ন কর্মশালা

আপডেট সময় : ১০:১৪:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০২৩
print news

পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) বাস্তবায়নের উপর কর্মশালা অনুষ্ঠিত।

১৮ জুন ( রবিবার) সকাল ১০ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের ৪র্থ তলায় ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) এর সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) এর বাস্তবায়নের কর্মশালা সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। গত ১১ জুন (রবিবার) থেকে চলমান কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ফ্যাকাল্টি অংশগ্রহণ করে।

আইকিউএসি এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোঃ কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিটি ফ্যাকাল্টির ডিনবৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. সন্তোষ কুমার বসু,আইকিউএসি এর অতিরিক্ত পরিচালক সহযোগী অধ্যাপক ড. কুমার দেবাশীষ দত্তসহ বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান ও শিক্ষকবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. স্বদেশ চন্দ্র সামন্ত,” বিএনকিউএফ বাস্তবায়ন হলে ছাত্রবান্ধব কারিকুলাম তৈরি হবে। কারিকুলামে দেশের ইতিহাস ঐতিহ্য স্থান পাবে। যা তাদের চাকরি প্রাপ্তির রাস্তা সহজ করো দিবে।

উল্লখ্য,বাংলাদেশ ন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক (বিএনকিউএফ) একটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত কাঠামো। এতে জ্ঞান, দক্ষতা ও সক্ষমতার উন্নয়ন, শ্রেণিবিন্যাস ও স্বীকৃতিকে কয়েকটি স্তরে সমন্বয় করা হয়েছে। এ কাঠামোতে ১০টি স্তরে উচ্চশিক্ষা, সাধারণ, কারিগরি, মাদ্রাসা শিক্ষার মধ্যে সমন্বয় ও আন্তসংযোগের ব্যবস্থা রয়েছে। এর ফলে কেউ চাইলে একটি শিক্ষা স্তর থেকে আরেকটিতে স্থানান্তরিত হতে পারবেন। এটি চাকরির বাজারে নিজের অবস্থান তৈরিতেও সাহায্য করে।