কেন ঘরের মাঠের বাইরে বেশি প্রীতি ম্যাচ খেলে ব্রাজিল
- আপডেট সময় : ০২:২৭:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ফুটবল ব্র্যান্ড ব্রাজিল। মাঠের পারফরম্যান্সের পাশাপাশি বিদেশের বাজারেও তাদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান বলছে, পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা ২০১৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৪৭টি আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচ খেলেছে, যার মধ্যে ৪৩টিই ছিল অ্যাওয়ে ম্যাচ বা নিজ দেশের বাইরে। অর্থাৎ, তাদের প্রীতি ম্যাচের ৯১.৫ শতাংশই অনুষ্ঠিত হয়েছে বিদেশের মাটিতে। তুলনামূলকভাবে উরুগুয়ে ৮৫.৭ শতাংশ এবং আর্জেন্টিনা ৮০.৫ শতাংশ প্রীতি ম্যাচ দেশের বাইরে খেলেছে।
ব্রাজিলকে নিজেদের দেশে নিয়ে এসে ম্যাচ আয়োজন করা যেকোনো দেশের জন্য বড় বাণিজ্যিক সুযোগ। টিকিট বিক্রি থেকে শুরু করে সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসরশিপ এবং পর্যটন—সব মিলিয়ে এটি একটি বড় ইভেন্টে রূপ নেয়। বিনিময়ে ব্রাজিল ফুটবল কনফেডারেশন (সিবিএফ) বড় অঙ্কের অর্থ পাওয়ার সুযোগ পায়। সম্প্রতি ভারতের কলকাতায় অনুষ্ঠিত ম্যাচটির ক্ষেত্রেও এমন বাণিজ্যিক পরিকল্পনা ছিল। মিন্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ম্যাচ আয়োজনে প্রায় ৫০ কোটি রুপির বাজেট ধরা হয়েছিল, যার মধ্যে ৩৫-৪০ কোটি রুপিই ছিল সিবিএফ-এর জন্য অ্যাপিয়ারেন্স ফি। এছাড়া প্রায় ৯০ সদস্যের দলের চার্টার্ড ফ্লাইটের খরচ বাবদ আরও প্রায় ৬ কোটি রুপি ব্যয় হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। যদিও এই অঙ্কগুলো সিবিএফ বা অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশন (এআইএফএফ) আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি।
এই বাণিজ্যিক মডেলের অংশ হিসেবেই আগস্টের শেষ দিকে সিবিএফ-এর একটি প্রতিনিধি দল ঢাকায় এসেছিল। তারা ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়াম পরিদর্শন করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি তাবিথ আউয়ালের সঙ্গে বৈঠক করেন। অক্টোবরের ৫-৬ তারিখের দিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচের প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। তবে ব্রাজিলের মতো দলের জন্য যে বিপুল অর্থের প্রয়োজন, তা সংস্থান করা বাংলাদেশের জন্য অনিশ্চিত ছিল। শেষ পর্যন্ত ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় ব্রাজিল দলের এবারের ফিফা উইন্ডো কলকাতাতেই শেষ হয়েছে। ভারতে আসার আগে দলটি অস্ট্রেলিয়াতেও দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল। কুইন্সল্যান্ড সরকার আয়োজিত সেই সিরিজটি পর্যটন ও অর্থনীতির প্রসারে বড় ভূমিকা রেখেছিল।


























