ঢাকা ১০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বকাপ ট্রফি স্পর্শ করায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগ ও ফিফার ব্যাখ্যা তারকাময় হাফটাইম শোতে জমে উঠল বিশ্বকাপ ফাইনাল, দীর্ঘ বিরতি ঘিরে বিতর্ক মেঘনায় নিখোঁজের দুই দিন পর স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার হার, অধরা মেসির মহাকাব্য সকালেই জেনে নিন আজকের আলোচিত পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ খবর একনেকে উঠছে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধনী নামাজের একাগ্রতা ও গুনাহ মাফের হাদিসভিত্তিক তাৎপর্য বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইম শোতে শাকিরা কি পারিশ্রমিক নিচ্ছেন? বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে অফিসার ক্যাডেট নিয়োগ, আবেদন ১৪ আগস্ট পর্যন্ত আর্জেন্টিনার হারে বিয়ে করার পরিকল্পনা বাতিল করলেন চিত্রনায়িকা পরীমণি

আর্জেন্টিনার সাফল্যের নেপথ্যে চার বন্ধুর অটুট বন্ধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

আধুনিক ফুটবলে ট্যাকটিকস বা পরিসংখ্যানের চেয়েও বড় প্রভাবক হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্বাস, বন্ধুত্ব আর পারস্পরিক আস্থা। আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের ডাগআউটে এই চার উপাদানের সমন্বয়েই গত কয়েক বছরে বদলে গেছে আলবিসেলেস্তেদের ভাগ্য। লিওনেল স্কালোনি, পাবলো আইমার, রবার্তো আয়ালা ও ওয়াল্টার সামুয়েল—এই চার বন্ধু মিলে গড়ে তুলেছেন সাফল্যের এক নতুন ভিত্তি।

২০১৮ সালের বিশ্বকাপের পর হোর্হে সাম্পাওলি দায়িত্ব ছাড়লে এক কঠিন সময়ে আর্জেন্টিনার কোচের দায়িত্ব নেন স্কালোনি। সে সময় তাঁর নিয়োগ নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠলেও, শুরু থেকেই পাশে ছিলেন আইমার, আয়ালা ও সামুয়েল। এই চারজনের সম্মিলিত নেতৃত্বেই আর্জেন্টিনা ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ জয় করে। বর্তমানে উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপেও দলটি ফাইনালে পৌঁছে আরেকটি শিরোপা জয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

আর্জেন্টিনার প্রধান সহকারী কোচ পাবলো আইমার ফিফার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সাফল্যের নেপথ্য গল্প তুলে ধরেন। স্কালোনির শক্তির জায়গা নিয়ে তিনি বলেন, তিনি কেবল একটি দল তৈরি করেননি, বরং সবাইকে একই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার মতো মানসিক পরিবেশে একত্র করেছেন। আইমারের মতে, স্কালোনির সবচেয়ে বড় গুণ হলো খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসী করে তোলা এবং দলের মধ্যে মানসিক শান্তি নিশ্চিত করা।

তাঁদের এই সম্পর্কের গভীরতা কেবল পেশাদারিত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি গভীর বন্ধুত্বের। আইমার জানান, তাঁরা শুধু একসঙ্গে কাজ করেন না, বরং বন্ধু হিসেবে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। এই ৪০ দিনের দীর্ঘ সময়ে দলের ভেতরের আনন্দময় পরিবেশই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। খেলোয়াড় হিসেবে ২০০২ ও ২০০৬ বিশ্বকাপে শিরোপা জিততে না পারার যে আক্ষেপ ছিল, কোচ হিসেবে সেই অপূর্ণতা পূরণ করেছেন এই চার বন্ধু। এখন তাঁদের লক্ষ্য আরও একটি বিশ্বশিরোপা জিতে আর্জেন্টিনার সাফল্যের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করা।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

আর্জেন্টিনার সাফল্যের নেপথ্যে চার বন্ধুর অটুট বন্ধন

আপডেট সময় : ০৮:০৪:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
print news

আধুনিক ফুটবলে ট্যাকটিকস বা পরিসংখ্যানের চেয়েও বড় প্রভাবক হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশ্বাস, বন্ধুত্ব আর পারস্পরিক আস্থা। আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের ডাগআউটে এই চার উপাদানের সমন্বয়েই গত কয়েক বছরে বদলে গেছে আলবিসেলেস্তেদের ভাগ্য। লিওনেল স্কালোনি, পাবলো আইমার, রবার্তো আয়ালা ও ওয়াল্টার সামুয়েল—এই চার বন্ধু মিলে গড়ে তুলেছেন সাফল্যের এক নতুন ভিত্তি।

২০১৮ সালের বিশ্বকাপের পর হোর্হে সাম্পাওলি দায়িত্ব ছাড়লে এক কঠিন সময়ে আর্জেন্টিনার কোচের দায়িত্ব নেন স্কালোনি। সে সময় তাঁর নিয়োগ নিয়ে অনেক প্রশ্ন উঠলেও, শুরু থেকেই পাশে ছিলেন আইমার, আয়ালা ও সামুয়েল। এই চারজনের সম্মিলিত নেতৃত্বেই আর্জেন্টিনা ২০২১ ও ২০২৪ সালের কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা এবং ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপ জয় করে। বর্তমানে উত্তর আমেরিকার বিশ্বকাপেও দলটি ফাইনালে পৌঁছে আরেকটি শিরোপা জয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

আর্জেন্টিনার প্রধান সহকারী কোচ পাবলো আইমার ফিফার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সাফল্যের নেপথ্য গল্প তুলে ধরেন। স্কালোনির শক্তির জায়গা নিয়ে তিনি বলেন, তিনি কেবল একটি দল তৈরি করেননি, বরং সবাইকে একই লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার মতো মানসিক পরিবেশে একত্র করেছেন। আইমারের মতে, স্কালোনির সবচেয়ে বড় গুণ হলো খেলোয়াড়দের আত্মবিশ্বাসী করে তোলা এবং দলের মধ্যে মানসিক শান্তি নিশ্চিত করা।

তাঁদের এই সম্পর্কের গভীরতা কেবল পেশাদারিত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি গভীর বন্ধুত্বের। আইমার জানান, তাঁরা শুধু একসঙ্গে কাজ করেন না, বরং বন্ধু হিসেবে সময় কাটাতে পছন্দ করেন। এই ৪০ দিনের দীর্ঘ সময়ে দলের ভেতরের আনন্দময় পরিবেশই সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। খেলোয়াড় হিসেবে ২০০২ ও ২০০৬ বিশ্বকাপে শিরোপা জিততে না পারার যে আক্ষেপ ছিল, কোচ হিসেবে সেই অপূর্ণতা পূরণ করেছেন এই চার বন্ধু। এখন তাঁদের লক্ষ্য আরও একটি বিশ্বশিরোপা জিতে আর্জেন্টিনার সাফল্যের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করা।

কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh