জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে সরকারের পতন দেখছেন গোলাম পরওয়ার
- আপডেট সময় : ১০:১৯:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ শাখা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেটে একটি বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এই সমাবেশে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, জনগণ যেভাবে লংমার্চে রাজপথে নেমে এসেছে, ভবিষ্যতে গ্রামগঞ্জ থেকে মানুষ লংমার্চ নিয়ে ঢাকার দিকে ছুটে আসতে পারে। তখন সরকার গদি রক্ষা করতে পারবে না। তিনি অবিলম্বে জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি জানান।
সমাবেশে গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, নৈরাজ্য ও বিশৃঙ্খলা থেকে দেশকে রক্ষায় বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে করণীয় নির্ধারণ করা উচিত। তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপি সরকার সাত মাসে তিনবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। জামায়াতের এই নেতা দাবি করেন, খালেদা জিয়ার শাসনামলে জামায়াত সরকারকে সহযোগিতা করেছিল, কিন্তু তৎকালীন বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর ব্যর্থতার কারণে সরকার বেকায়দায় পড়েছিল। তিনি মন্তব্য করেন, এখন আবারও তাঁকে একই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দিয়ে জনগণকে দুর্ভোগে ঠেলে দেওয়া হয়েছে।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদের সঞ্চালনায় সমাবেশে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান বলেন, সাত মাসে তিনবার তেলের দাম বাড়িয়ে সরকার জনগণের ঘাড়ে ভোগান্তির বোঝা চাপিয়েছে। তিনি দাবি করেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়লেও সাধারণ মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। এছাড়া ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং’ করে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের মাধ্যমে সরকার জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আবু সাদিক কায়েম বলেন, তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট সমাধান করতে ব্যর্থ হলে সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরে যেতে হবে। তিনি আরও বলেন, প্রশাসনে দলীয়করণ এবং রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে দলীয় নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ দিয়ে ক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব নয়। সমাবেশ শেষে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেট থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বিজয়নগর পর্যন্ত যায়। আয়োজকদের দাবি অনুযায়ী, এই কর্মসূচিতে কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন।





























