নব্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের ডাক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর
- আপডেট সময় : ১১:৩৯:২৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

এলাকায় এলাকায় নব্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। ২০২৬ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টা ৩২ মিনিটে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।
ফেসবুক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী সাধারণ মানুষের কষ্ট তুলে ধরে লেখেন, একজন মানুষ সারাদিন রোদে পুড়ে ও ঘাম ঝরিয়ে মাত্র ৫০০ টাকা আয় করেন। এই সামান্য টাকা দিয়েই তাকে সন্তানের দুধ, স্কুলের খাতা আর বৃদ্ধ বাবার ওষুধ কিনতে হয়। সেখান থেকে যদি ২০০ বা ৩০০ টাকা চাঁদাবাজরা কেড়ে নেয়, তবে শুধু টাকাই যায় না, বরং সেই পরিবারের কোনো না কোনো জরুরি প্রয়োজন থমকে যায়। আমাদের কাছে ৫০০ টাকা সামান্য মনে হলেও, যার সারাদিনের কষ্টের ফসল এই টাকা, তার কাছে এটি হাজার কোটি টাকার সমান।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, দোকান বসানো, ব্যবসা করা, গাড়ি চালানো কিংবা বাড়ি তৈরি করা—সবখানেই এখন চাঁদা দিতে হচ্ছে। আর সেই চাঁদাবাজির টাকা দিয়ে যখন রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতা প্রদর্শন করা হয়, তখন অপমানের মাত্রা আরও গভীর হয়। এই টাকা কেবল নিচের স্তরেই সীমাবদ্ধ থাকে না, ধাপে ধাপে তা ওপরের সারির নেতাদের কাছেও পৌঁছে যায়। তিনি মন্তব্য করেন, চাঁদাবাজি শুধু মানুষের অর্থই কেড়ে নেয় না, বরং মানুষের শ্রম, সন্তানের ভবিষ্যৎ এবং বেঁচে থাকার মৌলিক অধিকারও হরণ করে।
দেশকে বাঁচানোর তাগিদ দিয়ে এনসিপির এই নেতা বলেন, নব্য চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সবাইকে রুখে দাঁড়াতে হবে এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। একজন বাবা যখন নিজের কষ্টের ৫০০ টাকা নিরাপদে সন্তানের জন্য ঘরে নিয়ে যেতে পারবেন, তখনই কেবল দেশ বাঁচবে।
এদিকে, নিজের পোস্টের নিচে করা একটি মন্তব্যে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিস্ময় প্রকাশ করে লেখেন, তাঁর মূল পোস্টে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নাম উল্লেখ করা হয়নি, কেবল নব্য চাঁদাবাজদের কথাই বলা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও ক্ষমতাসীন দলের কিছু কর্মী কেন বিষয়টিকে ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন, তা তাঁর কাছে বোধগম্য নয়।





























