ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে বাংলাদেশকে চুল টেনে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ ভিনিসিয়ুস, খেলা হবে না এল ক্লাসিকো শারদীয় দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিনের ছুটি শুরু আজ ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নির্ভুল হামলা: বিপর্যস্ত জ্বালানি ও বিশ্ব অর্থনীতি বাংলামটরে এনসিপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ উপনিবেশোত্তর পাকিস্তান আমলে বাঙালি ও বাংলা ভাষার প্রতি বৈষম্য গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স: ক্ষুধা কমানোর গতি কমে বাংলাদেশ ৮৪তম বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার দাবি সাইফুল হকের পরিবেশ রক্ষায় কর্মকর্তাদের বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধীদের অংশগ্রহণকে সংকীর্ণ দৃষ্টিতে দেখছে সরকার: জামায়াত

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:০৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধীদলের অংশগ্রহণকে সরকার উদার ও গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। শুক্রবার দলের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার এই অংশগ্রহণকে রাজনৈতিক সংকীর্ণতার জায়গা থেকে দেখছে।

বিবৃতিতে হামিদুর রহমান আযাদ সরকারের একজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ওই মন্ত্রী দাবি করেছেন যে, ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল রেখে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিরোধীদলের সংবিধান সংস্কার পরিষদে নেওয়া শপথ আর কার্যকর থাকে না। এর প্রেক্ষিতে জামায়াত নেতা পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, যদি এই যুক্তি মেনে নেওয়া হয়, তবে সংসদ সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথ কীভাবে বৈধ থাকে? কারণ ২০২৬ সালে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় কোনো সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, তাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধীদলের অংশগ্রহণ ছিল সরকারের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী প্রতিবাদ এবং গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন উদ্যোগ। নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে আগে থেকেই অবগত থাকা সত্ত্বেও তারা জনগণের সামনে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে এবং গণতন্ত্রের দাবি জোরালো করতে এই প্রক্রিয়ায় শামিল হয়েছেন।

হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি জনগণকে নতুন করে উপলব্ধি করতে শিখিয়েছে যে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে টেকসই, কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে সংবিধান সংস্কার কেন অপরিহার্য। তিনি সরকারকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অংশগ্রহণকে সংকীর্ণভাবে ব্যাখ্যা না করে এর অন্তর্নিহিত গণতান্ত্রিক বার্তা অনুধাবনের আহ্বান জানান। পরিশেষে তিনি জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের তাগিদ দিয়ে বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে পাশ কাটিয়ে কোনো সরকারই দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে না।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধীদের অংশগ্রহণকে সংকীর্ণ দৃষ্টিতে দেখছে সরকার: জামায়াত

আপডেট সময় : ০১:০৯:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এএইচএম হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেছেন যে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধীদলের অংশগ্রহণকে সরকার উদার ও গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হয়েছে। শুক্রবার দলের পক্ষ থেকে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, সরকার এই অংশগ্রহণকে রাজনৈতিক সংকীর্ণতার জায়গা থেকে দেখছে।

বিবৃতিতে হামিদুর রহমান আযাদ সরকারের একজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্যের বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, ওই মন্ত্রী দাবি করেছেন যে, ৭০ অনুচ্ছেদ বহাল রেখে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেওয়ায় বিরোধীদলের সংবিধান সংস্কার পরিষদে নেওয়া শপথ আর কার্যকর থাকে না। এর প্রেক্ষিতে জামায়াত নেতা পাল্টা প্রশ্ন রেখে বলেন, যদি এই যুক্তি মেনে নেওয়া হয়, তবে সংসদ সদস্য হিসেবে নেওয়া শপথ কীভাবে বৈধ থাকে? কারণ ২০২৬ সালে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় কোনো সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি।

নির্বাচনে অংশ নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, তাদের অবস্থান অত্যন্ত স্পষ্ট। প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিরোধীদলের অংশগ্রহণ ছিল সরকারের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে একটি প্রতীকী প্রতিবাদ এবং গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন উদ্যোগ। নির্বাচনের ফলাফল সম্পর্কে আগে থেকেই অবগত থাকা সত্ত্বেও তারা জনগণের সামনে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে এবং গণতন্ত্রের দাবি জোরালো করতে এই প্রক্রিয়ায় শামিল হয়েছেন।

হামিদুর রহমান আযাদ আরও বলেন, বর্তমান পরিস্থিতি জনগণকে নতুন করে উপলব্ধি করতে শিখিয়েছে যে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রকে টেকসই, কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক করতে সংবিধান সংস্কার কেন অপরিহার্য। তিনি সরকারকে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অংশগ্রহণকে সংকীর্ণভাবে ব্যাখ্যা না করে এর অন্তর্নিহিত গণতান্ত্রিক বার্তা অনুধাবনের আহ্বান জানান। পরিশেষে তিনি জনগণের প্রত্যাশার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের তাগিদ দিয়ে বলেন, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে পাশ কাটিয়ে কোনো সরকারই দীর্ঘমেয়াদে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারে না।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin