ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ৫ দশমিক ৬ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প ইনানীতে রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: একই পরিবারের ৬ জনসহ নিহত ১০ একদলীয় সংবিধান সংশোধন কমিটি বাতিলের দাবিতে এনসিপির তিন দফা শারদীয় দুর্গাপূজায় বান্দরবানে বিজিবির বিশেষ নিরাপত্তা ও নজরদারি উখিয়ার রিসোর্টে ভয়াবহ আগুনে শিশুসহ ১০ জনের মৃত্যু, একই পরিবারের ৮ মিষ্টির শূন্য আসনের উপ-নির্বাচনে জামানত ২০ হাজার টাকা ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গে ৩ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৮৫ সাংবাদিক লুৎফুর জামান ফকির হত্যায় ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম ফেসবুকে মৃত্যুর পর প্রোফাইল: স্মারক না ডিলিট, সিদ্ধান্ত আপনার ভারত ও চীনের ওপর ১০০% শুল্ক সাময়িকভাবে স্থগিত করলেন ট্রাম্প

পরিবেশ রক্ষায় কর্মকর্তাদের বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশ ও বন রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের তাদের নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরেও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। দেশের পরিবেশ রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সভায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের মাদার ট্রি বা মাতৃবৃক্ষ চিহ্নিত করে সেগুলো সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গাছ লাগানোর পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করা, রোপণ করা চারা বেঁচে আছে কি না তা নিজস্ব লোক পাঠিয়ে পর্যবেক্ষণ করা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বনায়ন বাড়ানোর উপায় বের করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের প্রকৃতির মাঝে যাওয়ার জায়গা কম, তাই এ ধরনের জায়গা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ছাদবাগান ও স্কুলবাগানসহ বিভিন্ন ভবনে বাগান তৈরিতে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে।

ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক বছর ধরে ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় প্রথম বা দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসছে, যা দেশের জন্য লজ্জার বিষয়। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরেও দেশের জন্য আরও কিছু করার সক্ষমতা রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ সবার কাছে আসে না। যারা দায়িত্বশীল অবস্থানে আছেন, তাদের সেই সুযোগ রয়েছে। শুধু নয়টা-পাঁচটা অফিস করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না, বরং পরিবেশ খারাপ হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কারণ পরবর্তী প্রজন্ম এই দেশেই থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেন, সঠিকভাবে কাজ করতে পারলে এর সুফল দেশের সব মানুষ পাবে। সবাই এগিয়ে এলে সম্মিলিতভাবে ভালো কিছু করা সম্ভব। বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, অন্য মন্ত্রণালয়গুলো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম গাছ লাগালে সেই ঘাটতি পূরণে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে হবে। রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও তদারকি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ এবং ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

পরিবেশ রক্ষায় কর্মকর্তাদের বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০৫:৪৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পরিবেশ ও বন রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারি কর্মকর্তাদের তাদের নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরেও উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। দেশের পরিবেশ রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা ও বাস্তবায়ন বিষয়ক সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সভায় আগামী ছয় মাসের মধ্যে দেশের মাদার ট্রি বা মাতৃবৃক্ষ চিহ্নিত করে সেগুলো সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে গাছ লাগানোর পাশাপাশি নিয়মিত পরিচর্যা নিশ্চিত করা, রোপণ করা চারা বেঁচে আছে কি না তা নিজস্ব লোক পাঠিয়ে পর্যবেক্ষণ করা এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বনায়ন বাড়ানোর উপায় বের করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানুষের প্রকৃতির মাঝে যাওয়ার জায়গা কম, তাই এ ধরনের জায়গা বাড়াতে হবে। পাশাপাশি ছাদবাগান ও স্কুলবাগানসহ বিভিন্ন ভবনে বাগান তৈরিতে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে।

ঢাকার বায়ুদূষণ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অনেক বছর ধরে ঢাকা বিশ্বের দূষিত শহরগুলোর তালিকায় প্রথম বা দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসছে, যা দেশের জন্য লজ্জার বিষয়। এ পরিস্থিতি পরিবর্তনে প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্ব নিতে হবে। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনাদের নির্ধারিত দায়িত্বের বাইরেও দেশের জন্য আরও কিছু করার সক্ষমতা রয়েছে। তিনি বলেন, দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ সবার কাছে আসে না। যারা দায়িত্বশীল অবস্থানে আছেন, তাদের সেই সুযোগ রয়েছে। শুধু নয়টা-পাঁচটা অফিস করলেই দায়িত্ব শেষ হয় না, বরং পরিবেশ খারাপ হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে, কারণ পরবর্তী প্রজন্ম এই দেশেই থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী ২৫ কোটি গাছ লাগানোর পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে বলেন, সঠিকভাবে কাজ করতে পারলে এর সুফল দেশের সব মানুষ পাবে। সবাই এগিয়ে এলে সম্মিলিতভাবে ভালো কিছু করা সম্ভব। বৈঠকে আরও সিদ্ধান্ত হয়, অন্য মন্ত্রণালয়গুলো নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম গাছ লাগালে সেই ঘাটতি পূরণে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়কে উদ্যোগ নিতে হবে। রোপণ করা গাছের নিয়মিত পরিচর্যা ও তদারকি নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ এবং ভারপ্রাপ্ত সচিব ফাহমিদা খানমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin