ঢাকা ০৬:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রেশার্স ডে-নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় নতুন করে ভাবার আহ্বান গুতেরেসের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে সহযোগিতা বাড়াতে তারেক রহমান ও এরদোয়ানের বৈঠক চট্টগ্রামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা মিশিগান ডেমোক্রেটিক পার্টির ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন তাহমিদ চৌধুরী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থা ফেরাতে কঠিন সত্য স্বীকারের আহ্বান জাতিসংঘ সভাপতির টেকনাফে রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকাডুবি, নারী ও শিশুর মৃত্যু সিলেটের রায়নগরে ট্রিপল মার্ডার: তদন্তে নামল পিবিআই, বাবুল ২ দিনের রিমান্ডে

সিরাজগঞ্জে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:১৯:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সিরাজগঞ্জ শহরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই প্রভাবশালী পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দফায় দফায় চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে কাঁদানে গ্যাস (টিয়ারগ্যাস) নিক্ষেপ করতে হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জ শহরের পূর্বপাড় ও পশ্চিমপাড় এলাকার একাধিক মহল্লার বাসিন্দাদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এর জেরে শুক্রবার সকালে বড়পুল পশ্চিমপাড় এলাকায় এক পক্ষের সমর্থকরা অন্য পক্ষকে লক্ষ্য করে উসকানিমূলক স্লোগান দেয়। এর জেরে দুপুরের দিকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

পরবর্তীতে এই সংঘর্ষ শহরের চৌরাস্তা, বড়পুল, মুজিব সড়ক, ২ নম্বর খলিফাপট্টি ও বড়বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে লিপ্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায় এবং শহরের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালায়। এতে পুরো শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে স্থানীয় হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমার নামাজের পর আবারও দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ প্রথম থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং একপর্যায়ে ব্যাপক টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধে বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান। দলটির নেতাদের আহ্বান এবং পুলিশের কঠোর অবস্থানের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শহরজুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সংঘর্ষটিকে বিএনপির দুটি পক্ষের মধ্যকার বিরোধ হিসেবে দাবি করে নানা পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে জেলা বিএনপির একাধিক নেতা ও পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

সিরাজগঞ্জে দুই পক্ষের দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত অর্ধশতাধিক

আপডেট সময় : ০৭:১৯:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিরাজগঞ্জ শহরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই প্রভাবশালী পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার দফায় দফায় চলা এ সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত অর্ধশতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে কাঁদানে গ্যাস (টিয়ারগ্যাস) নিক্ষেপ করতে হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সিরাজগঞ্জ শহরের পূর্বপাড় ও পশ্চিমপাড় এলাকার একাধিক মহল্লার বাসিন্দাদের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এর জেরে শুক্রবার সকালে বড়পুল পশ্চিমপাড় এলাকায় এক পক্ষের সমর্থকরা অন্য পক্ষকে লক্ষ্য করে উসকানিমূলক স্লোগান দেয়। এর জেরে দুপুরের দিকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়।

পরবর্তীতে এই সংঘর্ষ শহরের চৌরাস্তা, বড়পুল, মুজিব সড়ক, ২ নম্বর খলিফাপট্টি ও বড়বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে লিপ্ত ব্যক্তিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের ওপর হামলা চালায় এবং শহরের বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর চালায়। এতে পুরো শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে স্থানীয় হাসপাতাল ও বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জুমার নামাজের পর আবারও দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ প্রথম থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে এবং একপর্যায়ে ব্যাপক টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পরে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অনুরোধে বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয় পক্ষকে শান্ত হওয়ার আহ্বান জানান। দলটির নেতাদের আহ্বান এবং পুলিশের কঠোর অবস্থানের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। বর্তমানে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে শহরজুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ও টহল জোরদার করা হয়েছে।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সংঘর্ষটিকে বিএনপির দুটি পক্ষের মধ্যকার বিরোধ হিসেবে দাবি করে নানা পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে জেলা বিএনপির একাধিক নেতা ও পুলিশের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh