ঢাকা ০৪:২১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার বকেয়া কর দ্রুত আদায়ের নির্দেশ হাইকোর্টের দুই নায়িকার মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব সম্ভব নয় বলে মত রানী মুখার্জির আইনের শাসন ও স্থিতিশীলতায় বিএনপি বিশ্বাসী: রুহুল কবির রিজভী যুক্তরাজ্যে ভুয়া আশ্রয় আবেদনের অভিযোগে বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৩ দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মতবিনিময় তাজমিন হত্যা: রাজুকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কক্সবাজারেই রেখে ফিরল কুমিল্লা ডিবি নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর সরকার: প্রধানমন্ত্রী দুই কোটির বেশি মূল্যের বিএমডব্লিউ গাড়ি কিনলেন রণবীর সিং ৬০ বছরের রেকর্ডে লিটন, কাল বড় বিশ্বরেকর্ডের হাতছানি নিজ দপ্তরে ১২ ঘণ্টা অবরুদ্ধ চুয়েটের উপাচার্য, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন

অস্ট্রেলিয়ায় দুই ছাত্রের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে দোষী শিক্ষিকা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



অস্ট্রেলিয়ায় দুই কিশোর শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় ৩২ বছর বয়সী এক শিক্ষিকা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন। টেইলা ব্রেইলি নামের ওই শিক্ষিকা গত মার্চ মাসে ১৬ ও ১৭ বছর বয়সী দুই কিশোরের সঙ্গে যৌন অপরাধের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। নিউ সাউথ ওয়েলস জেলা আদালতে সাজা ঘোষণার শুনানিতে প্রসিকিউটর জানান, ব্রেইলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ওই শিক্ষার্থীদের টার্গেট করেছিলেন এবং তাদের বিষয়টি গোপন রাখতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

প্রসিকিউটর জানান, ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর সঙ্গে ব্রেইলির কথোপকথন শুরু হয়েছিল ওই কিশোরের লাইক দেওয়া ছবির সূত্র ধরে। এ সময় শিক্ষিকা তাকে প্রশ্ন করেছিলেন, তিনি যা দেখছেন তা কিশোরের পছন্দ হচ্ছে কি না। অন্যদিকে, ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর সঙ্গে স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে যোগাযোগ শুরু হয়। সেখানে তাদের মধ্যে যৌন উদ্দীপক ছবি আদান-প্রদান হতো। একপর্যায়ে ব্রেইলি ওই কিশোরকে নিজের ছবি পাঠান এবং পরে একটি নির্জন স্থানে দেখা করে কিশোরটির গাড়ির পেছনের আসনে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন।

২০২৪ সালের গ্রীষ্মে এসব ঘটনা ঘটে। প্রসিকিউটর আদালতে উল্লেখ করেন যে, ঘটনার সময় কোনো বলপ্রয়োগ বা হুমকির প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং কিশোররা সম্মতির অভাবও প্রকাশ করেনি। তবে একজন শিক্ষিকা হিসেবে শিক্ষার্থীদের ওপর তার যে বিশেষ দায়িত্ব ও আস্থার সম্পর্ক ছিল, তিনি তা মারাত্মকভাবে লঙ্ঘন করেছেন।

গ্রেপ্তারের পর নিউ সাউথ ওয়েলস শিক্ষা বিভাগ ব্রেইলিকে বেতনহীন অবস্থায় সাময়িক বরখাস্ত করে। এদিকে, ব্রেইলির আইনজীবী এপ্রিল ফ্রান্সিস আদালতে যুক্তি দেখিয়েছেন যে, ওই সময় তিনি অনির্ণীত বাইপোলার ডিসঅর্ডারের কারণে অস্বাভাবিক ও অযৌক্তিক যৌন তাড়নায় ভুগছিলেন। প্রসিকিউটরও স্বীকার করেছেন যে, ব্রেইলি তার কর্মকাণ্ডের জন্য অনুতপ্ত এবং তিনি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

অস্ট্রেলিয়ায় দুই ছাত্রের সঙ্গে যৌন সম্পর্কে দোষী শিক্ষিকা

আপডেট সময় : ০৬:৫৭:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

অস্ট্রেলিয়ায় দুই কিশোর শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের ঘটনায় ৩২ বছর বয়সী এক শিক্ষিকা আদালতে নিজের দোষ স্বীকার করেছেন। টেইলা ব্রেইলি নামের ওই শিক্ষিকা গত মার্চ মাসে ১৬ ও ১৭ বছর বয়সী দুই কিশোরের সঙ্গে যৌন অপরাধের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। নিউ সাউথ ওয়েলস জেলা আদালতে সাজা ঘোষণার শুনানিতে প্রসিকিউটর জানান, ব্রেইলি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে ওই শিক্ষার্থীদের টার্গেট করেছিলেন এবং তাদের বিষয়টি গোপন রাখতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

প্রসিকিউটর জানান, ১৬ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর সঙ্গে ব্রেইলির কথোপকথন শুরু হয়েছিল ওই কিশোরের লাইক দেওয়া ছবির সূত্র ধরে। এ সময় শিক্ষিকা তাকে প্রশ্ন করেছিলেন, তিনি যা দেখছেন তা কিশোরের পছন্দ হচ্ছে কি না। অন্যদিকে, ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীর সঙ্গে স্ন্যাপচ্যাটের মাধ্যমে যোগাযোগ শুরু হয়। সেখানে তাদের মধ্যে যৌন উদ্দীপক ছবি আদান-প্রদান হতো। একপর্যায়ে ব্রেইলি ওই কিশোরকে নিজের ছবি পাঠান এবং পরে একটি নির্জন স্থানে দেখা করে কিশোরটির গাড়ির পেছনের আসনে যৌন সম্পর্কে লিপ্ত হন।

২০২৪ সালের গ্রীষ্মে এসব ঘটনা ঘটে। প্রসিকিউটর আদালতে উল্লেখ করেন যে, ঘটনার সময় কোনো বলপ্রয়োগ বা হুমকির প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং কিশোররা সম্মতির অভাবও প্রকাশ করেনি। তবে একজন শিক্ষিকা হিসেবে শিক্ষার্থীদের ওপর তার যে বিশেষ দায়িত্ব ও আস্থার সম্পর্ক ছিল, তিনি তা মারাত্মকভাবে লঙ্ঘন করেছেন।

গ্রেপ্তারের পর নিউ সাউথ ওয়েলস শিক্ষা বিভাগ ব্রেইলিকে বেতনহীন অবস্থায় সাময়িক বরখাস্ত করে। এদিকে, ব্রেইলির আইনজীবী এপ্রিল ফ্রান্সিস আদালতে যুক্তি দেখিয়েছেন যে, ওই সময় তিনি অনির্ণীত বাইপোলার ডিসঅর্ডারের কারণে অস্বাভাবিক ও অযৌক্তিক যৌন তাড়নায় ভুগছিলেন। প্রসিকিউটরও স্বীকার করেছেন যে, ব্রেইলি তার কর্মকাণ্ডের জন্য অনুতপ্ত এবং তিনি মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin