ঢাকা ০৮:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে আধুনিক স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা স্থাপন সম্পন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধৈর্য ও আল্লাহর স্মরণে মুমিনের করণীয় প্রথম ভারতীয় সুপারস্টার অশোক কুমারের জীবন ও ক্যারিয়ারের অজানা কথা আখাউড়া প্রশাসনে বহিরাগত ‘পাবলিক পেশকার’ আমজাদের দাপট বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট ও চ্যাম্পিয়নস লিগের আজকের সূচি আজ ৫৭তম বিশ্ব মান দিবস: সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে জোর ময়মনসিংহে স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল দুর্যোগ মোকাবিলায় তালতলীতে ৬০ স্বেচ্ছাসেবককে বিশেষ প্রশিক্ষণ বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা পেতে আলোচনা চলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইএমএলে ১২টি ভাষা শেখার সুযোগ

নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর সরকার: প্রধানমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, ধর্মের ভিত্তিতে নয়, বরং দেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে যার যে অধিকার রয়েছে, তা নিশ্চিত করা সরকারপ্রধান হিসেবে তার দায়িত্ব। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা-১৭ আসনের ৮টি মন্দিরের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাকে পূজার আমন্ত্রণ জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিবের তথ্য অনুযায়ী, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তাদের কল্যাণে নেয়া সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে পূজার ছুটি ও অনুদান বৃদ্ধির জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে বলেন, আপনারা নিজেরাই বলেছেন যে এই অল্প সময়ের মধ্যে যতটুকু কাজ হয়েছে আমরা তা করেছি। আমাদের সদিচ্ছা আছে বলেই আমরা আরও কিছু বিষয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি।

দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং সেই যুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সব ধর্মের মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনেও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই শামিল হয়েছিলেন। তিনি বলেন, জাতির ক্রান্তিলগ্নে যখন আমরা ধর্মকে বিবেচনায় আনিনি, তখন অন্য কাজে কেন ধর্মকে বিবেচনা করবো? দেশটা সবাই মিলে স্বাধীন করেছি এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও সবাই অংশ নিয়েছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলে আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্ন ধর্মের নেতা-কর্মীরা সমানভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ সভায় জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে তারা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন এবং কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না। বিএনপিকে ভোট দিয়ে তারা যে ভুল করেননি, তা সরকার গঠনের পরপরই প্রমাণিত হয়েছে এবং সরকারের প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য রমেশ দত্ত, গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলক সাহা, বারিধারা ডিওএইচ পূজা কমিটির সভাপতি জীবন কানাই দাস, ব্রিটিশ চন্দ্র কর্মকার, নারায়ণ চন্দ্র সাহা, প্রদীপ চন্দ্র দাস, শিখা রানী দাস, শ্যামল কুমার দাস ও রাজীব কুমার আচার্য। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সানি এবং বনানী সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ সফিকুজ্জামান রতন।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সরাইয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সময় স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে কানাডার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। কানাডার প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে কানাডা সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের কর্মদক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানান, দুই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি কানাডার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৩:১৩:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, ধর্মের ভিত্তিতে নয়, বরং দেশের নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, একজন নাগরিক হিসেবে যার যে অধিকার রয়েছে, তা নিশ্চিত করা সরকারপ্রধান হিসেবে তার দায়িত্ব। সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা-১৭ আসনের ৮টি মন্দিরের প্রতিনিধিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে তাকে পূজার আমন্ত্রণ জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিবের তথ্য অনুযায়ী, হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর তাদের কল্যাণে নেয়া সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। বিশেষ করে পূজার ছুটি ও অনুদান বৃদ্ধির জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। প্রধানমন্ত্রী এ প্রসঙ্গে বলেন, আপনারা নিজেরাই বলেছেন যে এই অল্প সময়ের মধ্যে যতটুকু কাজ হয়েছে আমরা তা করেছি। আমাদের সদিচ্ছা আছে বলেই আমরা আরও কিছু বিষয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি।

দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তার বাবা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন এবং সেই যুদ্ধে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সব ধর্মের মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনেও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই শামিল হয়েছিলেন। তিনি বলেন, জাতির ক্রান্তিলগ্নে যখন আমরা ধর্মকে বিবেচনায় আনিনি, তখন অন্য কাজে কেন ধর্মকে বিবেচনা করবো? দেশটা সবাই মিলে স্বাধীন করেছি এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনেও সবাই অংশ নিয়েছি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের শাসনামলে আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্ন ধর্মের নেতা-কর্মীরা সমানভাবে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ সভায় জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকে তারা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন এবং কোনো সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে না। বিএনপিকে ভোট দিয়ে তারা যে ভুল করেননি, তা সরকার গঠনের পরপরই প্রমাণিত হয়েছে এবং সরকারের প্রতি তাদের সমর্থন অব্যাহত থাকবে। মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য রমেশ দত্ত, গুলশান-বনানী সার্বজনীন পূজা ফাউন্ডেশনের সভাপতি অলক সাহা, বারিধারা ডিওএইচ পূজা কমিটির সভাপতি জীবন কানাই দাস, ব্রিটিশ চন্দ্র কর্মকার, নারায়ণ চন্দ্র সাহা, প্রদীপ চন্দ্র দাস, শিখা রানী দাস, শ্যামল কুমার দাস ও রাজীব কুমার আচার্য। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্যের প্রতিনিধি আব্দুর রহমান সানি এবং বনানী সোসাইটির কোষাধ্যক্ষ সফিকুজ্জামান রতন।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে কানাডার আন্তর্জাতিক উন্নয়ন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী রণদীপ সরাইয়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল সাক্ষাৎ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ সময় স্বাস্থ্য ও শিক্ষাখাতে কানাডার সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। কানাডার প্রতিমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে কানাডা সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং কানাডায় বসবাসরত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূতদের কর্মদক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানান, দুই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্যক্তি কানাডার সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাক্ষাতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন, প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এবং কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিং উপস্থিত ছিলেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin