ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আখাউড়া প্রশাসনে বহিরাগত ‘পাবলিক পেশকার’ আমজাদের দাপট বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া নারী ক্রিকেট ও চ্যাম্পিয়নস লিগের আজকের সূচি আজ ৫৭তম বিশ্ব মান দিবস: সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে জোর ময়মনসিংহে স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল দুর্যোগ মোকাবিলায় তালতলীতে ৬০ স্বেচ্ছাসেবককে বিশেষ প্রশিক্ষণ বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে ১০ বিলিয়ন ডলার সহায়তা পেতে আলোচনা চলছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইএমএলে ১২টি ভাষা শেখার সুযোগ ৩৬ বছর বয়সে না ফেরার দেশে জিম্বাবুয়ের আম্পায়ার সারাহ বিএনপিকেও শেখ হাসিনার ভূতে ধরেছে: মামুনুল হক মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার ও রেমিট্যান্স নিয়ে শঙ্কা

ময়মনসিংহে স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে দুই শিক্ষকের ধস্তাধস্তি ও মারামারির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ভিডিওটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভিডিওটিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও সহকারী শিক্ষক আসমা বেগমকে মারামারিতে লিপ্ত হতে দেখা যায়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মারামারিতে জড়ানো ওই দুই শিক্ষক সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। ২০০৪ সালে তাঁদের বিয়ে হয় এবং তাঁদের একটি সন্তান রয়েছে, যিনি বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রায় ১৪ বছর ধরে তাঁরা আলাদা থাকছেন এবং তাঁদের মধ্যে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে। ২০১১ সালের দিকে তাঁরা দুজনই এই বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।

প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন জানান, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে প্রায়ই তাঁদের মধ্যে এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনার দিনও এমন বিরোধের জেরে মারামারি হয় এবং তিনি নিজেই সহকর্মী শিক্ষকদের দিয়ে ভিডিওটি ধারণ করান। তিনি স্বীকার করেন যে, বিদ্যালয়ে এমন আচরণ করা ঠিক হয়নি এবং এর আগেও বিদ্যালয়ে দু-তিনবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। তবে সহকারী শিক্ষক আসমা বেগমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে পাঁচজন শিক্ষক কর্মরত এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৯০ জনের বেশি। ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, ঘটনাটি ১০ থেকে ১২ দিন আগের হলেও ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাঁদের নজরে আসে। তিনি আরও জানান, বুধবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হবে, কারণ বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

ময়মনসিংহে স্কুলে শিক্ষক-শিক্ষিকার মারামারির ভিডিও ভাইরাল

আপডেট সময় : ০৭:০২:৪০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার রাঙ্গামাটিয়া ইউনিয়নের আকতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিসকক্ষে দুই শিক্ষকের ধস্তাধস্তি ও মারামারির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর ভিডিওটি অনলাইনে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। ভিডিওটিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন ও সহকারী শিক্ষক আসমা বেগমকে মারামারিতে লিপ্ত হতে দেখা যায়।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, মারামারিতে জড়ানো ওই দুই শিক্ষক সম্পর্কে স্বামী-স্ত্রী। ২০০৪ সালে তাঁদের বিয়ে হয় এবং তাঁদের একটি সন্তান রয়েছে, যিনি বর্তমানে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির প্রস্তুতি নিচ্ছেন। পারিবারিক বিরোধের জেরে প্রায় ১৪ বছর ধরে তাঁরা আলাদা থাকছেন এবং তাঁদের মধ্যে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে। ২০১১ সালের দিকে তাঁরা দুজনই এই বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।

প্রধান শিক্ষক আফজাল হোসেন জানান, পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে প্রায়ই তাঁদের মধ্যে এমন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। ঘটনার দিনও এমন বিরোধের জেরে মারামারি হয় এবং তিনি নিজেই সহকর্মী শিক্ষকদের দিয়ে ভিডিওটি ধারণ করান। তিনি স্বীকার করেন যে, বিদ্যালয়ে এমন আচরণ করা ঠিক হয়নি এবং এর আগেও বিদ্যালয়ে দু-তিনবার এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। তবে সহকারী শিক্ষক আসমা বেগমের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে পাঁচজন শিক্ষক কর্মরত এবং শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৯০ জনের বেশি। ফুলবাড়িয়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন জানান, ঘটনাটি ১০ থেকে ১২ দিন আগের হলেও ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি তাঁদের নজরে আসে। তিনি আরও জানান, বুধবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠি দেওয়া হবে, কারণ বিদ্যালয়ে শিক্ষকদের এমন আচরণ কোনোভাবেই কাম্য নয়।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo