ঢাকা ১২:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টেস্ট জিততে বাংলাদেশের চাই ৭ উইকেট, আফগানদের ৩৪৭ রান উত্তর ইসরাইলে বিস্ফোরণে কিশোর নিহত, নেতানিয়াহুর সফর বাতিল নারায়ণগঞ্জে প্রতিপক্ষের গুলিতে শীর্ষ সন্ত্রাসী সাহেব আলী নিহত ২১ জানুয়ারি থেকে ৫ ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ঘোষণা সৌরবিদ্যুৎ ও উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক মদনে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত জাতীয় কন্যাশিশু দিবস দুর্গাপূজায় সারাদেশে ১০ হাজার বিজিবি, থাকছে বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলার নিন্দা ও ওমরাহ যাত্রীদের নিরাপত্তা চাইলেন মামুনুল হক সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ পুনর্বিবেচনার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের ইমরান খানের দলের শত শত নেতাকর্মী আটক, আন্দোলন স্তিমিত

সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ পুনর্বিবেচনার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ বিচারিক কার্যক্রমের গতি কমিয়ে দিচ্ছে এবং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। সোমবার (১২ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি প্রধান বিচারপতির প্রতি এই দীর্ঘ ছুটির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক ছুটির ক্যালেন্ডার পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ৩৬৫ দিনের বছরের একটি বড় অংশই ছুটির মধ্যে অতিবাহিত হয়। সরকারি ছুটির পাশাপাশি আদালতের নিজস্ব দীর্ঘ অবকাশের কারণে বিচারিক কার্যদিবসের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়, যা বিচার বিভাগের প্রত্যাশিত কর্মগতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি উল্লেখ করেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক থাকাকালীনও তিনি এই দীর্ঘ ছুটি কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ অবকাশের কারণে মামলার জট কমানো এবং বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষার সময় সংক্ষিপ্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। ছুটির সময় বিচারপতিরা অসমাপ্ত রায় লেখার কাজ শেষ করবেন—এমনটি প্রত্যাশা করা হলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে মাসের পর মাস একটি রায়ও লেখা হয় না। তিনি মনে করেন, বিষয়টি মূলত বিচারকদের সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতার ওপর নির্ভরশীল, শুধু দীর্ঘ ছুটি থাকলেই রায় লেখা নিশ্চিত হয় না।

অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের তুলনায় সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত দীর্ঘ অবকাশ বিচারপ্রার্থীদের জন্য জটিলতা তৈরি করছে বলে তিনি মত দেন। ছুটির সময় কমিয়ে বিচারকদের বিচারিক কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে পারলে মামলাজট নিরসন এবং দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

একই সঙ্গে, কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে থাকা শিশুদের ভবিষ্যৎ ও স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এছাড়া কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি পরিবার ও সমাজের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় বিচারাধীন অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তিতে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কার্যক্রমে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ পুনর্বিবেচনার আহ্বান অ্যাটর্নি জেনারেলের

আপডেট সময় : ১১:৪৬:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের দীর্ঘ অবকাশ বিচারিক কার্যক্রমের গতি কমিয়ে দিচ্ছে এবং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। সোমবার (১২ অক্টোবর) সুপ্রিম কোর্টে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি প্রধান বিচারপতির প্রতি এই দীর্ঘ ছুটির বিষয়টি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, সুপ্রিম কোর্টের বার্ষিক ছুটির ক্যালেন্ডার পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, ৩৬৫ দিনের বছরের একটি বড় অংশই ছুটির মধ্যে অতিবাহিত হয়। সরকারি ছুটির পাশাপাশি আদালতের নিজস্ব দীর্ঘ অবকাশের কারণে বিচারিক কার্যদিবসের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমে যায়, যা বিচার বিভাগের প্রত্যাশিত কর্মগতি বজায় রাখার ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি উল্লেখ করেন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক থাকাকালীনও তিনি এই দীর্ঘ ছুটি কমানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ অবকাশের কারণে মামলার জট কমানো এবং বিচারপ্রার্থীদের অপেক্ষার সময় সংক্ষিপ্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। ছুটির সময় বিচারপতিরা অসমাপ্ত রায় লেখার কাজ শেষ করবেন—এমনটি প্রত্যাশা করা হলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রে মাসের পর মাস একটি রায়ও লেখা হয় না। তিনি মনে করেন, বিষয়টি মূলত বিচারকদের সদিচ্ছা ও দায়িত্বশীলতার ওপর নির্ভরশীল, শুধু দীর্ঘ ছুটি থাকলেই রায় লেখা নিশ্চিত হয় না।

অন্যান্য রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের তুলনায় সুপ্রিম কোর্টের অতিরিক্ত দীর্ঘ অবকাশ বিচারপ্রার্থীদের জন্য জটিলতা তৈরি করছে বলে তিনি মত দেন। ছুটির সময় কমিয়ে বিচারকদের বিচারিক কাজে আরও বেশি সম্পৃক্ত করতে পারলে মামলাজট নিরসন এবং দ্রুত ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

একই সঙ্গে, কারাগারে বন্দি মায়েদের সঙ্গে থাকা শিশুদের ভবিষ্যৎ ও স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করতে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল। এছাড়া কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মতো ঘটনার প্রেক্ষিতে তিনি পরিবার ও সমাজের দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তবে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতায় বিচারাধীন অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তিতে সংশ্লিষ্ট বেঞ্চের কার্যক্রমে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin