ঢাকা ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অতিরিক্ত বাস ভাড়া নিলে রুট পারমিট বাতিল হবে: পরিবহনমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রাতরাশে অংশ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্রেশার্স ডে-নাইট ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় নতুন করে ভাবার আহ্বান গুতেরেসের অর্থনীতি ও বাণিজ্যে সহযোগিতা বাড়াতে তারেক রহমান ও এরদোয়ানের বৈঠক চট্টগ্রামে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন, ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা মিশিগান ডেমোক্রেটিক পার্টির ইয়ুথ লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড পেলেন তাহমিদ চৌধুরী রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সহায়তার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আস্থা ফেরাতে কঠিন সত্য স্বীকারের আহ্বান জাতিসংঘ সভাপতির টেকনাফে রোহিঙ্গা বহনকারী নৌকাডুবি, নারী ও শিশুর মৃত্যু

৬ মাসে রেলের আয় বেড়েছে ২২৫ কোটি টাকা: রেলপথমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:০০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



সরকারি বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে গত ছয় মাসে বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২২৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় এই পরিবহন সংস্থার লোকসানও সমপরিমাণ কমেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এ তথ্য জানান।

রেলপথমন্ত্রী সংসদে জানান, আয় বাড়লেও চলতি বছরে বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা। রেলওয়ের এই আর্থিক বোঝা কমিয়ে আনতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অনেক রেললাইন ১৯৩০, ১৯৪০ এবং ১৯৭০-এর দশকে স্থাপন করা হয়েছিল। পুরোনো এই মিটারগেজ রেললাইনগুলোর কারণে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়া কিছু রেল সরঞ্জামের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ এখন সহজে পাওয়া যায় না, যা ব্যয় বাড়ার আরেকটি কারণ। এসব সমস্যা কাটিয়ে ব্যয় কমানোর জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে।

কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, এই লাভজনক রুটে যাত্রীদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ইঞ্জিন ও কোচের তীব্র সংকটের কারণে মাত্র দুই জোড়া ট্রেন চালানো সম্ভব হচ্ছে। তবে ইঞ্জিন ও কোচ সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়ে সরকার ইতিমধ্যে দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ইঞ্জিন ও কোচ পাওয়া যাবে।

এছাড়া কক্সবাজার রুটে বেসরকারি উদ্যোগে ট্রেন পরিচালনার বিষয়েও সরকার ভাবছে বলে জানান রেলপথমন্ত্রী। তিনি বলেন, বেসরকারি খাতে ট্রেন চালানোর জন্য বেশ কয়েকটি প্রস্তাব সরকারের কাছে এসেছে। এসব প্রস্তাব বর্তমানে পর্যালোচনা ও বিবেচনা করা হচ্ছে। বেসরকারি খাতের এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে অত্যন্ত লাভজনক এই রুটে দ্রুত সময়ের মধ্যে আরও ট্রেনসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

৬ মাসে রেলের আয় বেড়েছে ২২৫ কোটি টাকা: রেলপথমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:০০:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকারি বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে গত ছয় মাসে বাংলাদেশ রেলওয়ের আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ২২৫ কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে রাষ্ট্রীয় এই পরিবহন সংস্থার লোকসানও সমপরিমাণ কমেছে। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে কক্সবাজার-৩ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য লুৎফুর রহমানের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এ তথ্য জানান।

রেলপথমন্ত্রী সংসদে জানান, আয় বাড়লেও চলতি বছরে বাংলাদেশ রেলওয়ের মোট লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৯০ কোটি টাকা। রেলওয়ের এই আর্থিক বোঝা কমিয়ে আনতে সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, দেশের অনেক রেললাইন ১৯৩০, ১৯৪০ এবং ১৯৭০-এর দশকে স্থাপন করা হয়েছিল। পুরোনো এই মিটারগেজ রেললাইনগুলোর কারণে রক্ষণাবেক্ষণ ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। এছাড়া কিছু রেল সরঞ্জামের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ এখন সহজে পাওয়া যায় না, যা ব্যয় বাড়ার আরেকটি কারণ। এসব সমস্যা কাটিয়ে ব্যয় কমানোর জন্য সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে।

কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়ে কথা বলতে গিয়ে শেখ রবিউল আলম বলেন, এই লাভজনক রুটে যাত্রীদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে। কিন্তু বর্তমানে ইঞ্জিন ও কোচের তীব্র সংকটের কারণে মাত্র দুই জোড়া ট্রেন চালানো সম্ভব হচ্ছে। তবে ইঞ্জিন ও কোচ সংগ্রহের লক্ষ্য নিয়ে সরকার ইতিমধ্যে দুটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এই প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় ইঞ্জিন ও কোচ পাওয়া যাবে।

এছাড়া কক্সবাজার রুটে বেসরকারি উদ্যোগে ট্রেন পরিচালনার বিষয়েও সরকার ভাবছে বলে জানান রেলপথমন্ত্রী। তিনি বলেন, বেসরকারি খাতে ট্রেন চালানোর জন্য বেশ কয়েকটি প্রস্তাব সরকারের কাছে এসেছে। এসব প্রস্তাব বর্তমানে পর্যালোচনা ও বিবেচনা করা হচ্ছে। বেসরকারি খাতের এই উদ্যোগগুলোর মাধ্যমে অত্যন্ত লাভজনক এই রুটে দ্রুত সময়ের মধ্যে আরও ট্রেনসেবা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din