হাসিনার শাসনামলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক ছিল সরকারকেন্দ্রিক: স্পিকার
- আপডেট সময় : ০২:৪৩:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৭ বার পড়া হয়েছে

জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সাক্ষাতে স্পিকার স্পষ্টভাবে ভারতীয় হাইকমিশনারকে জানান যে, শেখ হাসিনার শাসনামলে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার সম্পর্ক কেবল সরকারকেন্দ্রিক ছিল।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ঐতিহাসিক সম্পর্ক সবসময়ই নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে এবং বিভিন্ন সময়ের প্রেক্ষাপটে এই সম্পর্কের ধরন পরিবর্তিত হয়েছে। তিনি বিগত ২০০৮, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচনগুলোকে ‘সাজানো নির্বাচন’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এসব নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করেছে। তবে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পুনরায় গণতন্ত্রের পথযাত্রা সুগম হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
স্পিকার আরও বলেন, দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্কই হওয়া উচিত ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্কের মূল ভিত্তি। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও স্বাধীন সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতেই এই সম্পর্ক ভবিষ্যতে এগিয়ে যাওয়া প্রয়োজন।
জবাবে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, ভারত সরকার দুই দেশের মধ্যে জনগণকেন্দ্রিক সম্পর্ক নির্মাণে অত্যন্ত আগ্রহী। জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক বিনির্মাণের মাধ্যমে তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলেও তিনি জানান।
বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিস্তারে সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর, রোহিঙ্গা সংকট ও পুনর্বাসন, এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান নিয়ে মত বিনিময় করা হয়। এ সময় দীনেশ ত্রিবেদী ভারতের লোকসভার স্পিকারের পক্ষ থেকে হাফিজ উদ্দিন আহমদকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানান। তিনি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সংসদীয় প্রতিনিধিদলের সফর বিনিময়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। সাক্ষাৎকালে ভারতীয় হাইকমিশনের প্রতিনিধি, জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।




























