ঢাকা ১০:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

পরকীয়া ও বিয়ের বিরোধে নারী হত্যায় ঢাকায় গ্রেপ্তার আফছার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় লাইলী বেগম ওরফে ফাতেমা (৫৮) নামের এক নারীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল ঘাতককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। ৩১ আগস্ট সোমবার বিকেলে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোয়ার আলম তার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তারকৃত মো. আফছার (৫৫) সাটুরিয়া উপজেলার মৈশলোহা গ্রামের মৃত ফয়জুদ্দিনের ছেলে এবং বর্তমানে ঢাকার পল্লবী থানার বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় বসবাস করতেন।

পুলিশের ভাষ্যমতে, দীর্ঘ ১৭-১৮ বছরের প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং বিয়ে নিয়ে বিরোধই এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ। গত ২৯ আগস্ট দুপুরে ঢাকার সেনপাড়া পর্বতার বাসা থেকে আফছার ধারালো চাকু নিয়ে লাইলী বেগমকে সাটুরিয়ার উদ্দেশে নিয়ে যান। একই দিন রাত সাড়ে ৭টার দিকে নাহার গার্ডেন সংলগ্ন নির্জন এলাকায় বিয়ের বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আফছার লাইলীর পরনের আঁচল পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করেন এবং গলার ওপর পা দিয়ে চাপ দিয়ে ধারালো চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করে তাকে হত্যা করেন।

এর আগে গত ৩০ আগস্ট সকালে সাটুরিয়া থানার নাহার গার্ডেন সংলগ্ন এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর জেলা ডিবি পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ঘাতকের অবস্থান শনাক্ত করে। ৩১ আগস্ট রাত ২টা ৪৫ মিনিটে ডিবি ও সাটুরিয়া থানা পুলিশের একটি যৌথ দল ঢাকার পল্লবী থানার বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আফছারকে গ্রেপ্তার করে। মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মানবেন্দ্র বালোর তত্ত্বাবধানে এসআই মো. হিমেল হোসেনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। নিহত লাইলী বেগম পাবনা সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং ঢাকার মিরপুর মডেল থানার সেনপাড়া পর্বতা এলাকায় বসবাস করতেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

পরকীয়া ও বিয়ের বিরোধে নারী হত্যায় ঢাকায় গ্রেপ্তার আফছার

আপডেট সময় : ১০:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায় লাইলী বেগম ওরফে ফাতেমা (৫৮) নামের এক নারীকে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যে মূল ঘাতককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। ৩১ আগস্ট সোমবার বিকেলে মানিকগঞ্জ পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোয়ার আলম তার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। গ্রেপ্তারকৃত মো. আফছার (৫৫) সাটুরিয়া উপজেলার মৈশলোহা গ্রামের মৃত ফয়জুদ্দিনের ছেলে এবং বর্তমানে ঢাকার পল্লবী থানার বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় বসবাস করতেন।

পুলিশের ভাষ্যমতে, দীর্ঘ ১৭-১৮ বছরের প্রেমের সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং বিয়ে নিয়ে বিরোধই এই হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ। গত ২৯ আগস্ট দুপুরে ঢাকার সেনপাড়া পর্বতার বাসা থেকে আফছার ধারালো চাকু নিয়ে লাইলী বেগমকে সাটুরিয়ার উদ্দেশে নিয়ে যান। একই দিন রাত সাড়ে ৭টার দিকে নাহার গার্ডেন সংলগ্ন নির্জন এলাকায় বিয়ের বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে আফছার লাইলীর পরনের আঁচল পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করেন এবং গলার ওপর পা দিয়ে চাপ দিয়ে ধারালো চাকু দিয়ে পেটে আঘাত করে তাকে হত্যা করেন।

এর আগে গত ৩০ আগস্ট সকালে সাটুরিয়া থানার নাহার গার্ডেন সংলগ্ন এলাকা থেকে অজ্ঞাতপরিচয় ওই নারীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর জেলা ডিবি পুলিশ তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে ঘাতকের অবস্থান শনাক্ত করে। ৩১ আগস্ট রাত ২টা ৪৫ মিনিটে ডিবি ও সাটুরিয়া থানা পুলিশের একটি যৌথ দল ঢাকার পল্লবী থানার বাউনিয়া বাঁধ এলাকায় অভিযান চালিয়ে আফছারকে গ্রেপ্তার করে। মানিকগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক মানবেন্দ্র বালোর তত্ত্বাবধানে এসআই মো. হিমেল হোসেনের নেতৃত্বে এই অভিযান পরিচালিত হয়। নিহত লাইলী বেগম পাবনা সদর উপজেলার বাহাদুরপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং ঢাকার মিরপুর মডেল থানার সেনপাড়া পর্বতা এলাকায় বসবাস করতেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh