ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাউফলে রহস্যজনকভাবে ৩ মহিষের মৃত্যু, অসুস্থ আরও অন্তত ৩০ কক্সবাজারে কাগজপত্রহীন ৩ বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ, ‘বাবার উপহার’ দাবি তরুণদের সচিবালয়ে সাপ পিটিয়ে হত্যা: বন্য প্রাণী আইনে কী দণ্ড হতে পারে লেবানন-ইসরাইল চুক্তি প্রত্যাখ্যান করলেন হিজবুল্লাহ প্রধান নাঈম কাসেম ওয়ালটন প্লাজায় ২০০ জন ডেপুটি ম্যানেজার নিয়োগ, আবেদন চলছে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশে ৬ লাখ চাকরি হারানোর শঙ্কা বন্যাবিধ্বস্ত নেপাল পুনর্গঠনে ৫ বিলিয়ন ডলার প্রয়োজন: অর্থমন্ত্রী জুলাই শহীদ ও গুম-খুনের শিকার পরিবারের ৭৪ জনকে নিয়োগপত্র যশোর শহরের ফুটপাতে জনপ্রিয় হচ্ছে সাশ্রয়ী ও বিষমুক্ত শাকসবজির বাজার অবৈধ ও লুট হওয়া অস্ত্র ধরিয়ে দিলে ২ লাখ টাকা পুরস্কার

গুমের সত্য প্রকাশ ও দায়ীদের বিচার নিশ্চিতের দাবি রিজভীর

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গুমের প্রতিটি ঘটনার সত্য উদঘাটন এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য শর্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ৩০ আগস্ট গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না। একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সত্য জানার, ন্যায়বিচার পাওয়ার এবং ক্ষতিপূরণসহ যথাযথ পুনর্বাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বাণীতে তিনি বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের সময়ে গুমের শিকার হওয়া প্রত্যেক ব্যক্তিকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সংহতি প্রকাশ করেন।

গুমের অমানবিক দিকটি তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, গুম কেবল একজন মানুষকে তার পরিবার ও সমাজ থেকে অদৃশ্য করে দেওয়া নয়; এটি মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং জীবনের অধিকারের ওপর এক নির্মম আঘাত। বছরের পর বছর ধরে প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষা, তার ভাগ্য সম্পর্কে অনিশ্চয়তা এবং সত্য জানার অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার যে অসহনীয় যন্ত্রণা, তা কোনো পরিবারেরই বহন করা উচিত নয়।

ভবিষ্যতে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে রিজভী বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা আর কখনো নাগরিকের বিরুদ্ধে গুমকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না। যেখানে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী থাকবে সম্পূর্ণ জবাবদিহির আওতায় এবং রাজনৈতিক পরিচয় বা মতভিন্নতার কারণে কোনো নাগরিকের জীবন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বিপন্ন হবে না। আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত—আর কোনো গুম নয়, আর কোনো পরিবারকে যেন অনন্ত অপেক্ষায় থাকতে না হয়।

তিনি আরও বলেন, যারা এখনও নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের ভাগ্য ও অবস্থান সম্পর্কে সত্য প্রকাশ করতে হবে। যারা ফিরে এসেছেন, তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। আর যারা আর কখনো ফিরে আসবেন না, তাদের পরিবার যেন সত্য, স্বীকৃতি ও বিচার পায়—রাষ্ট্রকে তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। গুমের শিকার সকল ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি আবারও গভীর শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা জানিয়ে রিজভী বলেন, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি সবসময় তাদের পাশে থাকবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

গুমের সত্য প্রকাশ ও দায়ীদের বিচার নিশ্চিতের দাবি রিজভীর

আপডেট সময় : ০১:৩৬:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

গুমের প্রতিটি ঘটনার সত্য উদঘাটন এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য অপরিহার্য শর্ত বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ৩০ আগস্ট গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই মন্তব্য করেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, বিএনপি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে যে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না। একই সঙ্গে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সত্য জানার, ন্যায়বিচার পাওয়ার এবং ক্ষতিপূরণসহ যথাযথ পুনর্বাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বাণীতে তিনি বিগত বছরগুলোতে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের সময়ে গুমের শিকার হওয়া প্রত্যেক ব্যক্তিকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন এবং তাদের পরিবার ও স্বজনদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সংহতি প্রকাশ করেন।

গুমের অমানবিক দিকটি তুলে ধরে বিএনপির এই নেতা বলেন, গুম কেবল একজন মানুষকে তার পরিবার ও সমাজ থেকে অদৃশ্য করে দেওয়া নয়; এটি মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং জীবনের অধিকারের ওপর এক নির্মম আঘাত। বছরের পর বছর ধরে প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষা, তার ভাগ্য সম্পর্কে অনিশ্চয়তা এবং সত্য জানার অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার যে অসহনীয় যন্ত্রণা, তা কোনো পরিবারেরই বহন করা উচিত নয়।

ভবিষ্যতে একটি জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে রিজভী বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা আর কখনো নাগরিকের বিরুদ্ধে গুমকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে না। যেখানে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা বাহিনী থাকবে সম্পূর্ণ জবাবদিহির আওতায় এবং রাজনৈতিক পরিচয় বা মতভিন্নতার কারণে কোনো নাগরিকের জীবন, স্বাধীনতা ও নিরাপত্তা বিপন্ন হবে না। আজকের দিনে আমাদের অঙ্গীকার হওয়া উচিত—আর কোনো গুম নয়, আর কোনো পরিবারকে যেন অনন্ত অপেক্ষায় থাকতে না হয়।

তিনি আরও বলেন, যারা এখনও নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের ভাগ্য ও অবস্থান সম্পর্কে সত্য প্রকাশ করতে হবে। যারা ফিরে এসেছেন, তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা জরুরি। আর যারা আর কখনো ফিরে আসবেন না, তাদের পরিবার যেন সত্য, স্বীকৃতি ও বিচার পায়—রাষ্ট্রকে তা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। গুমের শিকার সকল ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি আবারও গভীর শ্রদ্ধা ও সহমর্মিতা জানিয়ে রিজভী বলেন, ন্যায়বিচার, মানবিক মর্যাদা ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বিএনপি সবসময় তাদের পাশে থাকবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin