ঢাকা ০৪:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশ্নপত্র ফাঁস রুখতে সচিবালয়ে রাত কাটাচ্ছেন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সালমানের প্র্যাঙ্কে শুটিং সেটে কেঁদে ফেলেছিলেন কারিশমা কাপুর সাজেকের পর্যটনকেন্দ্র খুলে দেওয়ার নির্দেশ, বাধা নেই ভ্রমণে সারাদেশে পূজা উদযাপনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে এনসিপি: নাহিদ ইসলাম কুমিল্লা সীমান্তে বিএসএফের হাতে আটক দুই পুলিশ সদস্য ইয়েমেনের আল-মাশিক প্রাসাদে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: নিহত ২ পশু জবাইয়ে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে জবিতে গরু নিয়ে শিক্ষার্থীদের মিছিল মেসি পরবর্তী যুগে আর্জেন্টিনার পরবর্তী দুই প্রতিপক্ষ কারা সাতক্ষীরায় ফেসবুক লাইভ করে যুবককে পিটিয়ে হত্যা গাজীপুরে রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়িতে মাদক কারবারিদের হামলা, আহত ২

কক্সবাজারে কাগজপত্রহীন ৩ বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ, ‘বাবার উপহার’ দাবি তরুণদের

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কক্সবাজারের একটি পাঁচতারকা হোটেলের পার্কিং থেকে বৈধ কোনো কাগজপত্র ছাড়াই তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গাড়িগুলোর সঙ্গে থাকা তরুণরা দাবি করেছেন, এগুলো তারা বাবার কাছ থেকে উপহার হিসেবে পেয়েছেন।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে ওশান প্যারাডাইস হোটেলের পার্কিং থেকে গাড়িগুলো আটক করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ। তিনি জানান, শুল্ক ফাঁকি দিতে ‘ইউজড কার পার্টস’ বা ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে আমদানির পর তা পূর্ণাঙ্গ গাড়িতে রূপান্তরের একটি কৌশল তাদের তদন্তে উঠে এসেছে। এই গাড়িগুলোর ক্ষেত্রেও এমন কোনো জালিয়াতি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে দেখা যায়, জব্দ করা তিনটি গাড়ির মধ্যে দুটিতে কোনো নম্বর প্লেট ছিল না। গাড়ির মালিকানা দাবিদাররা এগুলোকে ‘রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াধীন’ বললেও বৈধ আমদানি বা ক্রয়ের কোনো নথিপত্র দেখাতে পারেননি। ফলে আইন অনুযায়ী ডিটেনশন মেমো ইস্যু করে গাড়িগুলো জব্দ করা হয়。

শুল্ক গোয়েন্দারা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গাড়ির সঙ্গে থাকা তিনজন এগুলো তাদের বাবার দেওয়া উপহার বলে দাবি করেন। তবে নথিপত্র যাচাইয়ের পরই এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এর আগে চট্টগ্রামের একটি আবাসিক এলাকার পার্কিং থেকেও একই প্রক্রিয়ায় একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি জব্দ করা হয়েছিল, যার কোনো বৈধ নথিপত্র ছিল না।

শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা রেজভী আহম্মেদ আরও জানান, গাড়িগুলো কীভাবে দেশে এসেছে, কোথায় সংযোজন করা হয়েছে এবং আমদানিতে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চোরাচালান বা অবৈধ আমদানির প্রমাণ পাওয়া গেলে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, মানি লন্ডারিং এবং ব্র্যান্ড নকলের ক্ষেত্রে মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনের বিষয়গুলোও তদন্তের আওতায় আনা হবে। এই অভিযানে র‍্যাব-১৫, কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও বিভিন্ন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সহযোগিতা করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din

নিউজটি শেয়ার করুন

কক্সবাজারে কাগজপত্রহীন ৩ বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ, ‘বাবার উপহার’ দাবি তরুণদের

আপডেট সময় : ০২:৪৪:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

কক্সবাজারের একটি পাঁচতারকা হোটেলের পার্কিং থেকে বৈধ কোনো কাগজপত্র ছাড়াই তিনটি বিলাসবহুল গাড়ি জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। গাড়িগুলোর সঙ্গে থাকা তরুণরা দাবি করেছেন, এগুলো তারা বাবার কাছ থেকে উপহার হিসেবে পেয়েছেন।

শুক্রবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে ওশান প্যারাডাইস হোটেলের পার্কিং থেকে গাড়িগুলো আটক করা হয় বলে নিশ্চিত করেছেন শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক রেজভী আহম্মেদ। তিনি জানান, শুল্ক ফাঁকি দিতে ‘ইউজড কার পার্টস’ বা ব্যবহৃত গাড়ির যন্ত্রাংশ ঘোষণা দিয়ে আমদানির পর তা পূর্ণাঙ্গ গাড়িতে রূপান্তরের একটি কৌশল তাদের তদন্তে উঠে এসেছে। এই গাড়িগুলোর ক্ষেত্রেও এমন কোনো জালিয়াতি হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চালানো এই অভিযানে দেখা যায়, জব্দ করা তিনটি গাড়ির মধ্যে দুটিতে কোনো নম্বর প্লেট ছিল না। গাড়ির মালিকানা দাবিদাররা এগুলোকে ‘রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াধীন’ বললেও বৈধ আমদানি বা ক্রয়ের কোনো নথিপত্র দেখাতে পারেননি। ফলে আইন অনুযায়ী ডিটেনশন মেমো ইস্যু করে গাড়িগুলো জব্দ করা হয়。

শুল্ক গোয়েন্দারা জানান, জিজ্ঞাসাবাদে গাড়ির সঙ্গে থাকা তিনজন এগুলো তাদের বাবার দেওয়া উপহার বলে দাবি করেন। তবে নথিপত্র যাচাইয়ের পরই এ দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যাবে। এর আগে চট্টগ্রামের একটি আবাসিক এলাকার পার্কিং থেকেও একই প্রক্রিয়ায় একটি বিএমডব্লিউ গাড়ি জব্দ করা হয়েছিল, যার কোনো বৈধ নথিপত্র ছিল না।

শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তা রেজভী আহম্মেদ আরও জানান, গাড়িগুলো কীভাবে দেশে এসেছে, কোথায় সংযোজন করা হয়েছে এবং আমদানিতে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। চোরাচালান বা অবৈধ আমদানির প্রমাণ পাওয়া গেলে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, মানি লন্ডারিং এবং ব্র্যান্ড নকলের ক্ষেত্রে মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনের বিষয়গুলোও তদন্তের আওতায় আনা হবে। এই অভিযানে র‍্যাব-১৫, কক্সবাজার জেলা পুলিশ ও বিভিন্ন জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা সহযোগিতা করেছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Dainik Ei Din