খালি পেটে শিঙাড়া খেলে যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি হতে পারে
- আপডেট সময় : ০৩:১৯:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

চায়ের সঙ্গে গরম গরম শিঙাড়া অনেকেরই প্রিয় খাবার। সকালের নাশতা হোক কিংবা বিকেলের আড্ডা, রাস্তার ধারের দোকান থেকে শুরু করে অফিসের টেবিল—সবখানেই এই মুখরোচক খাবারটির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। তবে নিয়মিত শিঙাড়া খাওয়ার ফলে কারও কারও পেটে গ্যাস, বুকজ্বালা, ঢেকুর ওঠা কিংবা পেট ভার হওয়ার মতো অস্বস্তিকর সমস্যা দেখা দিতে পারে।
বিশেষ করে যাদের আগে থেকেই বদহজম বা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য তেল-চর্বিযুক্ত শিঙাড়া অস্বস্তি আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে। শিঙাড়া সাধারণত ময়দার আবরণে আলু ও মসলার পুর ভরে ডুবো তেলে ভেজে তৈরি করা হয়। এর ফলে এই খাবারে ক্যালরি ও চর্বির পরিমাণ অনেক বেশি থাকে।
তেল-চর্বিযুক্ত খাবার পাকস্থলীর অ্যাসিডকে খাদ্যনালিতে ঠেলে দিতে পারে, যার ফলে বুকজ্বালা, টক ঢেকুর বা গলায় অস্বস্তি হতে পারে। এছাড়া ডুবো তেলে ভাজা খাবার হজম হতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় নেয়। একসঙ্গে অনেকগুলো শিঙাড়া খেয়ে ফেললে পেট ফাঁপা, পেট ভার লাগা কিংবা বমিভাব হওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে, যদিও এসব সমস্যা সবার ক্ষেত্রে একইভাবে অনুভূত হয় না।
শিঙাড়ার ক্যালরির পরিমাণ নির্ভর করে এর আকার, ভেতরে দেওয়া পুর এবং ভাজার পদ্ধতির ওপর। নিয়মিত পরিমাণে বেশি শিঙাড়া খেলে শরীরের দৈনিক চাহিদার তুলনায় অতিরিক্ত ক্যালরি গ্রহণের ঝুঁকি থাকে। দীর্ঘদিন এই অভ্যাস বজায় থাকলে ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অতিরিক্ত ভাজাপোড়া ও চর্বিযুক্ত খাবার নিয়মিত খাওয়ার অভ্যাস সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাসের মান কমিয়ে দেয়। এর সঙ্গে অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর অভ্যাস যুক্ত হলে রক্তে কোলেস্টেরলের সমস্যা, ওজন বৃদ্ধি এবং হৃদ্রোগের ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তবে শুধু সকালে শিঙাড়া খাওয়াই এসব রোগের একমাত্র বা সরাসরি কারণ নয়।



























