ঢাকা ০২:০৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

থাইল্যান্ডে জ্যেষ্ঠ নেতাকে হত্যার পর ক্ষমা চাইলেন সাবেক এমপি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬ ২০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



থাইল্যান্ডের ননথাবুরি প্রাদেশিক প্রশাসনিক সংস্থার (পিএও) প্রেসিডেন্ট থংচাই ইয়েনপ্রাসের্তকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সরকারি ভবনের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। একাধিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হামলায় থংচাইয়ের গাড়িচালকও আহত হয়েছেন।

ঘটনার পরপরই পুলিশ সাবেক আইনপ্রণেতা চালং রিয়াওরাংকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর চালং এক ইউটিউবারকে ফোন করে হামলার দায় স্বীকার করেন। পরবর্তী সময়ে পুলিশ স্টেশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিহতের পরিবার ও বন্ধুদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

চালং রিয়াওরাং দাবি করেন, থংচাই তার ভালো বন্ধু ছিলেন, কিন্তু অর্থসংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধের কারণে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। তিনি বলেন, 'আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না যে আমি এখন এখানে বসে আছি। সারা জীবনে আমাকে কখনো পুলিশ স্টেশনে আসতে হয়নি।' তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন তিনি বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে তার অফিসে গিয়েছিলেন, কিন্তু থংচাই তার কথা শোনেননি এবং কোনো কিছুই স্বীকার করেননি।

এদিকে, গ্রেপ্তারের পর পুলিশ স্টেশনে চালং রিয়াওরাংকে ধূমপানরত অবস্থায় দেখা গেছে এবং তাকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগও দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই ঘটনার কয়েক দিন আগেই একই অঞ্চলে একটি স্কুলে বন্দুক হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin

নিউজটি শেয়ার করুন

থাইল্যান্ডে জ্যেষ্ঠ নেতাকে হত্যার পর ক্ষমা চাইলেন সাবেক এমপি

আপডেট সময় : ০৫:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

থাইল্যান্ডের ননথাবুরি প্রাদেশিক প্রশাসনিক সংস্থার (পিএও) প্রেসিডেন্ট থংচাই ইয়েনপ্রাসের্তকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার (১০ আগস্ট) সরকারি ভবনের সামনে এ হামলার ঘটনা ঘটে। একাধিক গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। হামলায় থংচাইয়ের গাড়িচালকও আহত হয়েছেন।

ঘটনার পরপরই পুলিশ সাবেক আইনপ্রণেতা চালং রিয়াওরাংকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারের পর চালং এক ইউটিউবারকে ফোন করে হামলার দায় স্বীকার করেন। পরবর্তী সময়ে পুলিশ স্টেশনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি নিহতের পরিবার ও বন্ধুদের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

চালং রিয়াওরাং দাবি করেন, থংচাই তার ভালো বন্ধু ছিলেন, কিন্তু অর্থসংক্রান্ত বিষয়ে বিরোধের কারণে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। তিনি বলেন, 'আমি বিশ্বাসই করতে পারছি না যে আমি এখন এখানে বসে আছি। সারা জীবনে আমাকে কখনো পুলিশ স্টেশনে আসতে হয়নি।' তিনি আরও জানান, ঘটনার দিন তিনি বন্ধুর সঙ্গে কথা বলতে তার অফিসে গিয়েছিলেন, কিন্তু থংচাই তার কথা শোনেননি এবং কোনো কিছুই স্বীকার করেননি।

এদিকে, গ্রেপ্তারের পর পুলিশ স্টেশনে চালং রিয়াওরাংকে ধূমপানরত অবস্থায় দেখা গেছে এবং তাকে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সুযোগও দেওয়া হয়েছিল। উল্লেখ্য, এই ঘটনার কয়েক দিন আগেই একই অঞ্চলে একটি স্কুলে বন্দুক হামলায় অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছিল।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Manab Zamin