বিতর্কের মুখে রাবি রাকসু জিএস সালাহউদ্দিন আম্মারের কর্মকাণ্ড

- আপডেট সময় : ০৯:৪২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক সালাহউদ্দিন আম্মার বর্তমানে ক্যাম্পাসের অন্যতম আলোচিত ও বিতর্কিত মুখ। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম পরিচিত মুখ হিসেবে পরিচিতি পাওয়া আম্মারের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, উগ্র আচরণ, সহিংসতা, মব সন্ত্রাস, আর্থিক অস্বচ্ছতা এবং বিতর্কিত মন্তব্যের মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের কাছে তিনি এখন এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম হয়ে দাঁড়িয়েছেন।
তার এই বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের শুরু রাকসুর জিএস নির্বাচিত হওয়ারও আগে থেকেই। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক থাকাকালীন পোষ্য কোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে তীব্র আন্দোলন শুরু হলে, আম্মারের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মাঈন উদ্দীনের গাড়ি ঘেরাও করেন। ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ওই ঘটনায় জুবেরী ভবনে অবস্থানরত উপ-উপাচার্য ও প্রক্টরসহ কর্মকর্তাদের দীর্ঘ সময় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। সমালোচনার মুখে আম্মার সাংবাদিকদের কাছে দাবি করেছিলেন, ‘শিক্ষকেরা পিতৃতুল্য, তাদের গায়ে হাত তোলা হয়নি।’
জিএস নির্বাচিত হওয়ার পর গত এক বছরে তার এই বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের ধারা থামেনি, বরং দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে তিনি একের পর এক বিতর্কে জড়িয়েছেন। ছাত্র রাজনীতির আলোচিত এই নেতার দায়িত্বকাল এখন ক্ষমতার অপব্যবহার, উগ্র আচরণ, নৈরাজ্য ও সহিংসতাসহ নানা অভিযোগে প্রশ্নবিদ্ধ। এমনকি সাবেক এক পঙ্গু ছাত্রলীগ নেতাকে নৃশংস কায়দায় পিটিয়ে হত্যার দায়ও এখন তার কাঁধে রয়েছে।




























