শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার: বাংলাদেশের জন্য কি কোনো শিক্ষা আছে?
- আপডেট সময় : ০৭:৫০:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

বিশ্বব্যাংক ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে শ্রীলঙ্কাকে পুনরায় উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। স্বাধীনতার পর ২০২২ সালে দেশটি ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছিল। তবে মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে দেশটি সেই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। ২০২৫ সালেই শ্রীলঙ্কা প্রায় ৫ শতাংশ প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং মাথাপিছু আয় ৪,৬৭০ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যার মাধ্যমে তারা তাদের হারানো উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা পুনরুদ্ধার করেছে।
শ্রীলঙ্কার এই দ্রুত অর্থনৈতিক ঘুরে দাঁড়ানো উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য, বিশেষ করে বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। যদিও দুই দেশের অর্থনৈতিক কাঠামো এক নয়, তবুও শ্রীলঙ্কার অভিজ্ঞতা এটিই প্রমাণ করে যে, দৃঢ় নেতৃত্ব, বিচক্ষণ অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, কার্যকর প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার এবং রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো গভীর জাতীয় সংকট থেকে উত্তরণ সম্ভব। এই পদক্ষেপগুলোই দেশটিতে জনগণ ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সহায়তা করেছে।
স্মরণ করা যেতে পারে, ২০২২ ও ২০২৩ সালে শ্রীলঙ্কা বৈদেশিক লেনদেনের মারাত্মক সংকট, লাগামহীন মূল্যস্ফীতি, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তীব্র ঘাটতি এবং সার্বভৌম ঋণ খেলাপির মতো ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিল। এর ফলে দেশটির অর্থনীতি মারাত্মকভাবে সংকুচিত হয়ে পড়েছিল। কিন্তু অত্যন্ত অল্প সময়ের মধ্যে সেই নিম্নগতি কাটিয়ে দেশটি প্রবৃদ্ধির ধারায় ফিরে এসেছে। এই চমকপ্রদ পুনরুদ্ধারের পেছনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণ কার্যকর ভূমিকা পালন করেছে।




























