ঢাকা ০৪:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে তিন মাদক মামলায় পাঁচজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড নিদাল হাসানের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচারের পরিকল্পনা ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র বিতর্ক মানচিত্রে ‘লিটল ইতালি’ বাদ, নিউইয়র্কের তহবিল বন্ধের হুমকি ট্রাম্পের বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে রাশিয়ার জ্বালানি: পুতিন নারায়ণগঞ্জে সরকারি প্রতিষ্ঠানে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে ওয়ালটনের সাথে চুক্তি পারমাণবিক স্থাপনা পরিদর্শন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার খবর অস্বীকার চীনের পুতিনের সঙ্গে সফল আলোচনা, যুক্তরাষ্ট্রে ডিজেল পাঠাবে রাশিয়া: ট্রাম্প ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে লংমার্চ কেন খাইবার পাখতুনখাওয়ায় থমকে? দর্শনা চেকপোস্টে ভারতে পালানোর সময় হত্যা মামলার আসামি গ্রেপ্তার মঞ্চে এল হান্ট থিয়েটারের নতুন নাটক ‘তবুও প্রেম আসে’

মদনে ইউএনওর বাসভবনের পাশে ময়লার স্তূপ, বিলে অনিয়মের অভিযোগ

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১০:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



নেত্রকোনার মদনে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনের পশ্চিম পাশের দেয়াল ঘেঁষে বসানো হয়েছে পৌরসভার একাধিক ডাস্টবিন। এসব ডাস্টবিন থেকে ময়লা উপচে পড়ে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পৌরসভায় পর্যাপ্ত কর্মী থাকা সত্ত্বেও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের নামে প্রতি মাসে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার ভুয়া বিল তোলা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, ইউএনওর বাসভবনের পশ্চিম দেয়াল ঘেঁষে সাতটি কমলা রঙের ডাস্টবিন সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি ডাস্টবিন ময়লায় কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উপচে পড়েছে। কোনো কোনোটির ওপর পলিথিনে মোড়ানো বর্জ্যের স্তূপ জমে আছে, আবার কোনোটি উল্টে পড়ে আছে। শুকনো পাতা, পলিথিন ও পচা আবর্জনার দুর্গন্ধে ওই এলাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে। এলাকাটিতে বর্জ্য ফেলার জন্য কোনো কার্যকর বা সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা চোখে পড়েনি।

স্থানীয় বাসিন্দা রহিমা আক্তার জানান, পৌরসভার ময়লা নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। অনেক সময় ৫ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত ডাস্টবিনগুলো খালি করা হয় না, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে তিনিসহ স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ডাস্টবিনগুলো অন্যত্র স্থানান্তর ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।

বর্জ্য অপসারণের দীর্ঘসূত্রতার পাশাপাশি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, পৌরসভায় নিয়মিত ৭-৮ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী থাকা সত্ত্বেও দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে অতিরিক্ত লোক নিয়োগের ভুয়া হিসাব দেখানো হয়। এভাবে প্রতি মাসে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার জাল ভাউচার তৈরি করে বিল তুলে নেওয়া হলেও বাস্তবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে তার কোনো প্রতিফলন নেই।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মদন পৌরসভার প্রশাসক ও ইউএনও নাদির হোসেন শামীম বলেন, শুধু আমার বাসভবনের সামনে দুরবস্থা বলেই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা নয়, বরং ডাস্টবিন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আরও বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ এসেছে। তবে মাসে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী বিলের অভিযোগটি সত্য নয় বলে তিনি দাবি করেন। তিনি জানান, সামগ্রিক বিষয়টি তিনি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউএনওর বাসভবনের পশ্চিম দেয়াল ঘেঁষে ৭টি কমলা রঙের ডাস্টবিন সারিবদ্ধভাবে বসানো। এর মধ্যে কয়েকটি ডাস্টবিন ময়লায় কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উপচে পড়েছে। কোনোটির ওপর পলিথিনে মোড়ানো বর্জ্যের স্তূপ, আবার কোনোটি উল্টে পড়ে আছে। চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে শুকনো পাতা, পলিথিন ও পচা আবর

বর্জ্য অপসারণে দীর্ঘসূত্রতার কথা জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা রহিমা আক্তার বলেন, পৌরসভার ময়লা নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। ৫ থেকে ৬ দিন, এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে ৭ থেকে ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও ডাস্টবিনগুলো খালি করা হয় না। দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে ডাস্টবিনগুলো দ্রুত অন্যত্র স্থানান্তর এবং নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের দাবি জান

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

মদনে ইউএনওর বাসভবনের পাশে ময়লার স্তূপ, বিলে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৪৪:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

নেত্রকোনার মদনে পৌর প্রশাসকের দায়িত্বে থাকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বাসভবনের পশ্চিম পাশের দেয়াল ঘেঁষে বসানো হয়েছে পৌরসভার একাধিক ডাস্টবিন। এসব ডাস্টবিন থেকে ময়লা উপচে পড়ে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পৌরসভায় পর্যাপ্ত কর্মী থাকা সত্ত্বেও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের নামে প্রতি মাসে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার ভুয়া বিল তোলা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে দেখা যায়, ইউএনওর বাসভবনের পশ্চিম দেয়াল ঘেঁষে সাতটি কমলা রঙের ডাস্টবিন সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি ডাস্টবিন ময়লায় কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উপচে পড়েছে। কোনো কোনোটির ওপর পলিথিনে মোড়ানো বর্জ্যের স্তূপ জমে আছে, আবার কোনোটি উল্টে পড়ে আছে। শুকনো পাতা, পলিথিন ও পচা আবর্জনার দুর্গন্ধে ওই এলাকার পরিবেশ মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে। এলাকাটিতে বর্জ্য ফেলার জন্য কোনো কার্যকর বা সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থাপনা চোখে পড়েনি।

স্থানীয় বাসিন্দা রহিমা আক্তার জানান, পৌরসভার ময়লা নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। অনেক সময় ৫ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত ডাস্টবিনগুলো খালি করা হয় না, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করছে। দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি পেতে তিনিসহ স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত ডাস্টবিনগুলো অন্যত্র স্থানান্তর ও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।

বর্জ্য অপসারণের দীর্ঘসূত্রতার পাশাপাশি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগও উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, পৌরসভায় নিয়মিত ৭-৮ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী থাকা সত্ত্বেও দৈনিক হাজিরার ভিত্তিতে অতিরিক্ত লোক নিয়োগের ভুয়া হিসাব দেখানো হয়। এভাবে প্রতি মাসে প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার জাল ভাউচার তৈরি করে বিল তুলে নেওয়া হলেও বাস্তবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে তার কোনো প্রতিফলন নেই।

এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মদন পৌরসভার প্রশাসক ও ইউএনও নাদির হোসেন শামীম বলেন, শুধু আমার বাসভবনের সামনে দুরবস্থা বলেই বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ তা নয়, বরং ডাস্টবিন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে আরও বিভিন্ন জায়গা থেকে অভিযোগ এসেছে। তবে মাসে ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার অতিরিক্ত পরিচ্ছন্নতাকর্মী বিলের অভিযোগটি সত্য নয় বলে তিনি দাবি করেন। তিনি জানান, সামগ্রিক বিষয়টি তিনি গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন।

বৃহস্পতিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউএনওর বাসভবনের পশ্চিম দেয়াল ঘেঁষে ৭টি কমলা রঙের ডাস্টবিন সারিবদ্ধভাবে বসানো। এর মধ্যে কয়েকটি ডাস্টবিন ময়লায় কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে উপচে পড়েছে। কোনোটির ওপর পলিথিনে মোড়ানো বর্জ্যের স্তূপ, আবার কোনোটি উল্টে পড়ে আছে। চারপাশে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে শুকনো পাতা, পলিথিন ও পচা আবর

বর্জ্য অপসারণে দীর্ঘসূত্রতার কথা জানিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা রহিমা আক্তার বলেন, পৌরসভার ময়লা নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না। ৫ থেকে ৬ দিন, এমনকি ক্ষেত্রবিশেষে ৭ থেকে ১০ দিন পেরিয়ে গেলেও ডাস্টবিনগুলো খালি করা হয় না। দুর্গন্ধ ও স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে ডাস্টবিনগুলো দ্রুত অন্যত্র স্থানান্তর এবং নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের দাবি জান

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh