গুম ও সাইবার আইন সংশোধন না হলে রাজপথের হুঁশিয়ারি এনসিপির
- আপডেট সময় : ০৯:৫৪:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

প্রকাশ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১: ৪২। গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন সংশোধন এবং প্রস্তাবিত সাইবার সিকিউরিটি আইনে নাগরিক অধিকার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সংসদে এসব বিষয় সমাধান না হলে রাজপথে আন্দোলনের মাধ্যমে এর ফয়সালা করা হবে।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনের তীব্র সমালোচনা করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, এই আইনে গুমের তদন্তের ক্ষমতা এমন ব্যক্তির ওপর ন্যস্ত করা হয়েছে যিনি নিজেই গুমের সাথে জড়িত থাকতে পারেন। এছাড়া ভিকটিমের পরিবার তদন্তের জন্য গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কথা বলার কোনো বাধ্যবাধকতা রাখা হয়নি। তিনি আরও বলেন, গুমের ঘটনায় ক্ষতিপূরণ, স্বাধীন তদন্ত এবং তদন্তকারী সংস্থার জবাবদিহির মতো বিষয়গুলো আইনে যথাযথভাবে রাখা হয়নি। তার মতে, নাগরিকদের অধিকার রক্ষার নামে এটি মূলত অধিকার হরণের একটি কালো আইন হিসেবে পাস করা হয়েছে।
প্রস্তাবিত সাইবার সিকিউরিটি আইন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এনসিপির এই নেতা। তিনি বলেন, আধুনিক যুগে সাইবার নিরাপত্তার জন্য আইন প্রয়োজন হলেও তাতে প্রয়োগকারী সংস্থার জবাবদিহি, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার নিশ্চয়তা থাকতে হবে। বর্তমান আইনের খসড়ায় তিনি এই বিষয়গুলোর অভাব দেখছেন বলে উল্লেখ করেন।
বর্তমান সরকারের তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, সরকার গণতন্ত্রের নামে নতুন স্বৈরাচারী কাঠামোর মাধ্যমে আইন তৈরি করছে। জনগণের উদ্বেগ ও অধিকারের বিষয়গুলোকে উপেক্ষা করে সরকার মানুষের অধিকার খর্ব করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
এছাড়া নতুন বাহিনী গঠন নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, র্যাব বিলুপ্তির সুপারিশের পরও নতুন মোড়কে একই ধরনের কাঠামো ‘এসআরবি’ নাম দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তিনি র্যাবের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগগুলোর জন্য দায়ীদের বিচার এবং ভুক্তভোগীদের ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানান।





























