ঢাকা ১১:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

ভারত-বাংলাদেশ ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা নিয়ে নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৭:২৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পর্যালোচনা করছে বলে যে খবর ছড়িয়েছে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা থেকে কোনো তথ্য পায়নি নয়াদিল্লি। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

সংবাদ সম্মেলনে এএনআইয়ের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এ ধরনের কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদন তারা লক্ষ্য করেছেন, তবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের এখনো কিছু জানানো হয়নি। তিনি আরও যোগ করেন, ভারত স্বাভাবিকভাবেই তার নিজস্ব স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানিয়েছিলেন, বর্তমান সরকার শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করছে। চুক্তিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কোনো বিষয় রয়েছে কি না, তা যাচাই করাই এই পর্যালোচনার মূল উদ্দেশ্য।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারগুলোর ওপর হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সংখ্যালঘু নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের। এছাড়া পাকিস্তান ও কুয়েতের সাথে বাংলাদেশের সামরিক সহযোগিতা এবং প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ভারতের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে এমন যেকোনো বিষয় তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও ভারত ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন জয়সওয়াল। অন্যদিকে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মুখপাত্র বলেন, দুই দেশের পানি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) রয়েছে এবং এ বিষয়ে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত-বাংলাদেশ ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা নিয়ে নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া

আপডেট সময় : ০৭:২৮:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেখ হাসিনা সরকারের শাসনামলে ভারতের সঙ্গে স্বাক্ষরিত ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পর্যালোচনা করছে বলে যে খবর ছড়িয়েছে, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকা থেকে কোনো তথ্য পায়নি নয়াদিল্লি। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়মিত সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে কথা বলেন মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল।

সংবাদ সম্মেলনে এএনআইয়ের এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে রণধীর জয়সওয়াল বলেন, এ ধরনের কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদন তারা লক্ষ্য করেছেন, তবে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের এখনো কিছু জানানো হয়নি। তিনি আরও যোগ করেন, ভারত স্বাভাবিকভাবেই তার নিজস্ব স্বার্থ সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি জানিয়েছিলেন, বর্তমান সরকার শেখ হাসিনা সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে করা ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করছে। চুক্তিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী কোনো বিষয় রয়েছে কি না, তা যাচাই করাই এই পর্যালোচনার মূল উদ্দেশ্য।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশে হিন্দু পরিবারগুলোর ওপর হামলার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে মুখপাত্র বলেন, বাংলাদেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং সংখ্যালঘু নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব বাংলাদেশ সরকারের। এছাড়া পাকিস্তান ও কুয়েতের সাথে বাংলাদেশের সামরিক সহযোগিতা এবং প্রস্তাবিত প্রতিরক্ষা চুক্তির বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, ভারতের নিরাপত্তায় প্রভাব ফেলতে পারে এমন যেকোনো বিষয় তারা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিচ্ছেন।

মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বাংলাদেশের যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও ভারত ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছে বলে জানিয়েছেন জয়সওয়াল। অন্যদিকে, ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মুখপাত্র বলেন, দুই দেশের পানি-সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য যৌথ নদী কমিশন (জেআরসি) রয়েছে এবং এ বিষয়ে কারিগরি পর্যায়ের বৈঠক নিয়মিত অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin