চট্টগ্রামে অনলাইন প্রতারণার অভিযোগে ৬৩ বিদেশি নাগরিক আটক
- আপডেট সময় : ১২:১৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের খুলশী থানার কৃষ্ণচূড়া আবাসিক এলাকার জালালাবাদ হাউজিং সোসাইটির একটি আটতলা ভবনের পঞ্চম তলার ‘ই-২’ ফ্ল্যাট থেকে ৬৩ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে অনলাইনে প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে লাওসের ৩৫ জন, পাকিস্তানের ২১ জন, চীনের ৫ জন এবং নেপাল ও ভিয়েতনামের একজন করে নাগরিক রয়েছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আটককৃতদের মধ্যে লাওসের নাগরিকদের নাম হলো তিয়েং, মানি ভ্যান, কেও, তোক, সিমোনেখাম, দাও, মেকো, আলী, সাকোন, খোন চাই, বুন মি, তোয়ো, সুকসাখোন, সুলিসা, মানিভান চান্থাফোন, ফুয়াং, মাই, বুনথাভি, কেওমানি, সিয়ামপাই, নি, নকসান্নিভাথ বুয়ালিয়েনফাই, সুফাবোন ভং নাই, থিলাকোন ফুন সা ভাথ, ইয়িলেং থর, সোমচিত জাইয়াভং, ফাইমানি সিসোমবুথ, ফেতসামগুয়ান কেওতা, সিলিফং ইনথাভং, থংজিউয়া চান্থাভং, সাইকাথ বুয়াভান, সিভিলাই, মিক্সাই ভংহালাথ, ভিলাইফোন লুয়াংলাথ ও সোমফুভান ফোমফিথাক।
পাকিস্তানের আটক নাগরিকদের মধ্যে রয়েছেন আহসান সাবির, মোহাম্মদ রিজওয়ান, মোহাম্মদ তালহা, মোহাম্মদ উসমান, মোহাম্মদ রমজান, মোহাম্মদ খান, নাভিদ খান, ফারহান উল্লাহ, রেহান আলী, ফাহাদ জামিল, খিজার ফারুক, জয়নাল-উল-আবেদীন, আলী আহমেদ, আমির জামান, আমজাদ, গহর, হাম্মাদ, হুজাইফ খান, শাহজাদ খান, সোনিয়া ও মরিময়। এছাড়া চীনের পাঁচ নাগরিক হলেন লিউ গুনাং শু, ঝাং কিন, ইয়াং ইয়ং বিও, লিউ বিং ও ইয়াং ঝং হাই। নেপালের সরোজ এবং ভিয়েতনামের থুওং থি ডাংও আটক তালিকায় রয়েছেন।
অভিযানের সময় ফ্ল্যাট থেকে ১৩৪টি মোবাইল ফোন, ৫৭টি ল্যাপটপ, একটি ট্যাব, সিপিইউ, মনিটর, প্রিন্টার, পেনড্রাইভসহ বিপুল পরিমাণ ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। মোবাইল ফোনের মধ্যে অ্যাপলের ৪৯টি, অপোর ৫২টি, স্যামসাংয়ের ১০টি, ইনফিনিক্সের ৮টি, ভিভোর ৫টি, রেডমির ৪টি, পোভার ২টি এবং হুয়াওয়ে ও টেকনোর একটি করে ফোন রয়েছে। ল্যাপটপের মধ্যে থিংকপ্যাড ব্র্যান্ডের ৫৫টি এবং লেনোভোর ২টি ল্যাপটপ রয়েছে। জব্দকৃত তালিকার মধ্যে নাভিদ খান, গহর আইয়ুব ও ফারহান উল্লাহর জাতীয় পরিচয়পত্র এবং আলী আজানের একটি কম্বোডিয়ান কর্মসংস্থান কার্ডও রয়েছে।
শুক্রবার খুলশী থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে এ ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তের দায়িত্ব ইন্সপেক্টর রাসেল মাহমুদকে দেওয়া হলেও বর্তমানে সিটিটিসি (কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগ) এর তদন্তভার গ্রহণ করেছে। আটক বিদেশি নাগরিকদের বাংলাদেশে আসার উদ্দেশ্য, তাদের ভিসার বৈধতা এবং এই প্রতারণা চক্রের নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা নিয়ে এখন তদন্ত চলছে।
প্রকাশ : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ৩৯আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩: ৫২
ফ্ল্যাটটি থেকে একটি গিগাবাইট ব্র্যান্ডের সিপিইউ (যার ভেতরে ৫১২ জিবির একটি এসএসডি ছিল), একটি স্যামসাং মনিটর, কিবোর্ড, মাউস, এপসন প্রিন্টার, পাঁচটি পেনড্রাইভ এবং চারটি মোবাইল সিমকার্ডও জব্দ করা হয়। সিমকার্ডগুলোর মধ্যে তিনটি রবি ও একটি এয়ারটেলের।





























