ঢাকা ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সৌদিতে মৃত হানিফের মরদেহ ফেরাতে মায়ের আকুতি: ‘মোর মানিকেরে কোলে দাও’ সাবেক সেনাপ্রধান আজিজের সঙ্গে যোগাযোগ, ৪ দিনের রিমান্ডে দুই সাবেক সেনা কর্মকর্তা ডেঙ্গুতে ৩০০ মৃত্যু: প্রশাসনিক ব্যর্থতা নাকি সুশাসনের ঘাটতি, প্রশ্ন আইনজীবীর সুনামগঞ্জে এমপির ডিও লেটারে সার ডিলার নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ সৌদি আরব কেন হুতিদের সামরিকভাবে পরাজিত করতে পারছে না মক্কা-মদিনার নিরাপত্তায় হুমকি এলে বাংলাদেশ পাশে থাকবে: শামা ওবায়েদ শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে দেশজুড়ে প্রস্তুতি সভা ১২৩ বছর বয়সে না ফেরার দেশে নাটোরের আব্বাস প্রামানিক উত্তরায় জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুর কন্যাশিশুর নিরাপত্তা ও সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে রাষ্ট্রপতির গভীর উদ্বেগ

তারেক রহমানই দেশে তৃণমূলের রাজনীতি শুরু করেছিলেন: মঈন খান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৩:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৬ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই বাংলাদেশে তৃণমূলের রাজনীতির সূচনা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশের প্রতিটি প্রান্তের হাটে-মাঠে ঘুরে তরুণ সমাজকে সংগঠিত করার মধ্য দিয়েই আজকের শক্তিশালী বিএনপি গড়ে উঠেছে।

আজ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থার উদ্যোগে 'জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬' উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে মঈন খান বলেন, তিনি ছিলেন শৃঙ্খলা, সততা ও জনসেবার অনন্য প্রতীক। জিয়াউর রহমান যদি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার সাহস না দেখাতেন, তবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বইয়ের ইতিহাস তুলে ধরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে পাথর ও কাদার ওপর লেখার মাধ্যমে বইয়ের ইতিহাসের সূচনা হয়েছিল। এরপর খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দে মিশর, চীন ও রোমে বইয়ের রূপান্তর ঘটে, যা তখন 'স্ক্রল' নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে বইয়ের তৃতীয় ধাপ হিসেবে 'কোডেক্স' আবির্ভূত হয়। রোম থেকেই মূলত বর্তমান আধুনিক বইয়ের ধারণার উৎপত্তি এবং ১৪৪০ সালে জার্মানিতে ছাপাখানা আবিষ্কারের মাধ্যমে বইয়ের সবচেয়ে বড় বিপ্লব ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় এখন ই-বুকের যুগ এসেছে।

নতুন প্রজন্মের সঠিক দিকনির্দেশনার ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. মঈন খান বলেন, প্রযুক্তির প্রসারে অনেক বইয়ের দোকান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তবে পড়ার অভ্যাস কোনোভাবেই হারিয়ে ফেলা যাবে না। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি কখনো গৌরব অর্জন করতে পারে না। লাইব্রেরিকে জ্ঞানের ভান্ডার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতে মঙ্গলরা কোনো অঞ্চল জয় করলে সেখানকার সভ্যতা ধ্বংস করতে লাইব্রেরি পুড়িয়ে দিত। এই ইতিহাস থেকেই মানবসমাজে বইয়ের গুরুত্ব অনুধাবন করা যায়।

জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সৈয়দা ফাতেমা সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান। আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

তারেক রহমানই দেশে তৃণমূলের রাজনীতি শুরু করেছিলেন: মঈন খান

আপডেট সময় : ০৩:১৭:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানই বাংলাদেশে তৃণমূলের রাজনীতির সূচনা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। তিনি বলেন, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত দেশের প্রতিটি প্রান্তের হাটে-মাঠে ঘুরে তরুণ সমাজকে সংগঠিত করার মধ্য দিয়েই আজকের শক্তিশালী বিএনপি গড়ে উঠেছে।

আজ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ও জাতীয়তাবাদী প্রকাশনা সংস্থার উদ্যোগে 'জিয়া স্মৃতি বইমেলা-২০২৬' উপলক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচারণ করে মঈন খান বলেন, তিনি ছিলেন শৃঙ্খলা, সততা ও জনসেবার অনন্য প্রতীক। জিয়াউর রহমান যদি সেদিন স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার সাহস না দেখাতেন, তবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বইয়ের ইতিহাস তুলে ধরে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে পাথর ও কাদার ওপর লেখার মাধ্যমে বইয়ের ইতিহাসের সূচনা হয়েছিল। এরপর খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ অব্দে মিশর, চীন ও রোমে বইয়ের রূপান্তর ঘটে, যা তখন 'স্ক্রল' নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে বইয়ের তৃতীয় ধাপ হিসেবে 'কোডেক্স' আবির্ভূত হয়। রোম থেকেই মূলত বর্তমান আধুনিক বইয়ের ধারণার উৎপত্তি এবং ১৪৪০ সালে জার্মানিতে ছাপাখানা আবিষ্কারের মাধ্যমে বইয়ের সবচেয়ে বড় বিপ্লব ঘটে। এর ধারাবাহিকতায় এখন ই-বুকের যুগ এসেছে।

নতুন প্রজন্মের সঠিক দিকনির্দেশনার ওপর গুরুত্বারোপ করে ড. মঈন খান বলেন, প্রযুক্তির প্রসারে অনেক বইয়ের দোকান বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, তবে পড়ার অভ্যাস কোনোভাবেই হারিয়ে ফেলা যাবে না। শিক্ষা ছাড়া কোনো জাতি কখনো গৌরব অর্জন করতে পারে না। লাইব্রেরিকে জ্ঞানের ভান্ডার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতে মঙ্গলরা কোনো অঞ্চল জয় করলে সেখানকার সভ্যতা ধ্বংস করতে লাইব্রেরি পুড়িয়ে দিত। এই ইতিহাস থেকেই মানবসমাজে বইয়ের গুরুত্ব অনুধাবন করা যায়।

জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি সৈয়দা ফাতেমা সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান। আলোচনা সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং সংসদ সদস্য নিলুফার চৌধুরী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh