ঢাকা ০৭:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে অনিয়মের দায়ে দুই ফার্মেসিকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা নেত্রকোনা-১ আসনের সাবেক এমপি মোশতাক আহমেদ রুহী গ্রেপ্তার নিউ ইয়র্কে নামছে না নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজ মূল্যস্ফীতির চাপে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রাখল কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকায় আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করতে নতুন নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের পাকিস্তান–চীন নতুন সীমান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের তীব্র প্রতিক্রিয়া গুলশানে ককটেল বিস্ফোরণ মামলায় ১৫ আসামির ৩ দিনের রিমান্ড ক্ষমতার পাঁচ মাসে কেন হতাশ পশ্চিমবঙ্গের মানুষ, কী বলছে পরিস্থিতি মাদরাসা প্রধানদের ইআইআইএনভিত্তিক সিম কার্ড সচল রাখার নির্দেশ পাংশায় প্রবাসীর স্ত্রী রুনা হত্যায় প্রধান আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

২০২৭ সালের মধ্যে ১ কোটি ১০ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থী পাবে পুষ্টিকর খাবার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ০৫

২০২৭ সালের মধ্যে দেশের ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বৃহস্পতিবার খুলনার সোনাডাঙ্গার দ্য গ্র্যান্ড খুলনায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। এর আগে তিনি পাইকগাছা উপজেলার পাইলট প্রকল্পের আওতাধীন ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের একটি কর্মশালায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাইলট প্রকল্পের শুরুর দিকে খাবার সরবরাহ ও মান নিয়ে কিছু সমস্যা দেখা দিলেও বর্তমানে তা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো সরবরাহকারী পচা বা নিম্নমানের খাবার দিলে তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। ল্যাবের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীর টেন্ডার বা কার্যাদেশ বাতিল করা হবে। তিনি আরও জানান, গত দুই থেকে আড়াই মাসে এই ভুলের হার প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট দূরীকরণে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, বর্তমানে সাড়ে ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যাদের আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শ্রেণিকক্ষে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এর পাশাপাশি আরও প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে অধিকাংশ শূন্যপদ পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, শিক্ষক নীতিমালা, কারিকুলাম ও অবকাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব পরিবর্তনের সুফল পেতে কিছুটা সময় লাগবে। শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছে তা সহজ ও কার্যকরভাবে উপস্থাপনের কৌশল শেখাতে প্রশিক্ষণে জোর দেওয়া হচ্ছে। এমনকি বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকদেরও এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।

এছাড়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও পাঠদান পর্যবেক্ষণে স্কুলভিত্তিক ইআরপি (ERP) ব্যবস্থা চালু এবং নতুন শিক্ষক নীতিমালায় আলাদা পে-স্কেল নিয়ে কাজ চলছে। একই সঙ্গে দুর্গম উপকূলীয় এলাকার শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

কর্মশালা ও ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (উন্নয়ন) মো. মতির রহমান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) মো. আবুল আমিন এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (উপবৃত্তি) মো. মাসুদ হোসেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৭ সালের মধ্যে ১ কোটি ১০ লাখ প্রাথমিক শিক্ষার্থী পাবে পুষ্টিকর খাবার

আপডেট সময় : ০৫:৪৫:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭: ০৫

২০২৭ সালের মধ্যে দেশের ৬৬ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ শিক্ষার্থীর মাঝে পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। বৃহস্পতিবার খুলনার সোনাডাঙ্গার দ্য গ্র্যান্ড খুলনায় আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। এর আগে তিনি পাইকগাছা উপজেলার পাইলট প্রকল্পের আওতাধীন ১৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকদের একটি কর্মশালায় অংশ নেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাইলট প্রকল্পের শুরুর দিকে খাবার সরবরাহ ও মান নিয়ে কিছু সমস্যা দেখা দিলেও বর্তমানে তা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হয়েছে। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো সরবরাহকারী পচা বা নিম্নমানের খাবার দিলে তা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে। ল্যাবের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট সরবরাহকারীর টেন্ডার বা কার্যাদেশ বাতিল করা হবে। তিনি আরও জানান, গত দুই থেকে আড়াই মাসে এই ভুলের হার প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক সংকট দূরীকরণে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলো তুলে ধরে ববি হাজ্জাজ বলেন, বর্তমানে সাড়ে ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যাদের আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে শ্রেণিকক্ষে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে। এর পাশাপাশি আরও প্রায় সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আগামী এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে অধিকাংশ শূন্যপদ পূরণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে শিক্ষক নিয়োগ, প্রশিক্ষণ, শিক্ষক নীতিমালা, কারিকুলাম ও অবকাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এসব পরিবর্তনের সুফল পেতে কিছুটা সময় লাগবে। শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক জ্ঞানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কাছে তা সহজ ও কার্যকরভাবে উপস্থাপনের কৌশল শেখাতে প্রশিক্ষণে জোর দেওয়া হচ্ছে। এমনকি বেসরকারি ও কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষকদেরও এই প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে।

এছাড়া শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও পাঠদান পর্যবেক্ষণে স্কুলভিত্তিক ইআরপি (ERP) ব্যবস্থা চালু এবং নতুন শিক্ষক নীতিমালায় আলাদা পে-স্কেল নিয়ে কাজ চলছে। একই সঙ্গে দুর্গম উপকূলীয় এলাকার শিক্ষকদের জন্য বিশেষ ভাতা দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে সরকারের।

কর্মশালা ও ব্রিফিংয়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব (উন্নয়ন) মো. মতির রহমান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম-সচিব) মো. আবুল আমিন এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (উপবৃত্তি) মো. মাসুদ হোসেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh