ঢাকা-আশুলিয়া এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের দুটি সার্ভিস সেতু উদ্বোধন
- আপডেট সময় : ০২:০০:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের অধীনে নির্মিত ৩ দশমিক ৩১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের দুটি সার্ভিস সেতু জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম আনুষ্ঠানিকভাবে এই সেতু দুটির উদ্বোধন করেন।
সেতু দুটি সম্পূর্ণ টোলমুক্ত রাখা হয়েছে এবং এখানে সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি পথচারীরাও যাতায়াত করতে পারবেন। তবে নিরাপত্তার খাতিরে সেতুগুলোতে নির্দিষ্ট তিন ধরনের উচ্চতা সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা অতিক্রমকারী যানবাহন সেতুতে উঠতে পারবে না।
সাভার, আশুলিয়া ও ঢাকার মধ্যকার যানজট ও জনভোগান্তি নিরসনে এই এক্সপ্রেসওয়ে একটি বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে তৈরি করা হচ্ছে। প্রকল্পটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা ইপিজেড থেকে আশুলিয়া হয়ে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে কাওলায় অবস্থিত ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপিত হবে। এর মাধ্যমে বিমানবন্দর থেকে কুড়িল, বনানী, তেজগাঁও হয়ে যাত্রাবাড়ীর কুতুবখালী পর্যন্ত প্রায় ৪৪ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি নিরবচ্ছিন্ন উড়াল সড়ক নেটওয়ার্ক তৈরি হবে।
এছাড়া সাভার ও বাইপাইল এলাকার যানজট নিরসনের লক্ষ্যে বাইপাইল মোড়ে একটি মাল্টি-লেভেল ইন্টারচেঞ্জ, বিমানবন্দরে প্রবেশের জন্য বিশেষ র্যাম্প এবং মেট্রোরেলের এমআরটি লাইন-১ স্টেশনে যাতায়াতের জন্য পৃথক সংযোগ নির্মাণের কাজ চলছে।
বাংলাদেশ ও চীন সরকারের যৌথ অর্থায়নে ২৭ হাজার ৪৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পটি ২০১৭ সালে শুরু হয় এবং ২০৩০ সালের জুনে এর কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৬৬ শতাংশ এবং আর্থিক অগ্রগতি ৫৬ দশমিক ০২ শতাংশ অর্জিত হয়েছে। চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়নাধীন এই এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে দেশের জিডিপি প্রায় শূন্য দশমিক ২১৭ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে সরকার আশা করছে।



























