নীলফামারীর ডোমারে বৃদ্ধকে গলা কেটে ও বিষ খাইয়ে হত্যার অভিযোগ
- আপডেট সময় : ০২:২২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীর ডোমারে একরামুল হক (৬০) নামের এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাকে গলাকাটা ও মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছিল। স্বজনদের অভিযোগ, গলাকেটে ও মুখে বিষ ঢেলে এই বৃদ্ধকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। সোমবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ডোমার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলী। নিহত একরামুল হক ডোমারের জোড়াবাড়ী ইউনিয়নের হলহলিয়া তেলিপাড়া গ্রামের ছকিউল ইসলামের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার ভোরে স্থানীয়রা একরামুল হককে গুরুতর আহত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তার গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল এবং মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়েছিল। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন দিবাগত রাত ৩টার দিকে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
নিহতের ভাতিজা রতন ইসলাম জানান, ঘটনার রাতে চাচা প্রস্রাব করার জন্য বাড়ির বাইরে গিয়েছিলেন। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট পর চাচাতো ভাইয়েরা এসে তাদের নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি জানান। এরপর ভোর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। সকালে এক স্থানীয় ব্যক্তি এসে জানান যে, চাচা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। রতন ইসলাম বলেন, সেখানে গিয়ে প্রথমে তারা তাকে মৃত মনে করেছিলেন, কিন্তু শরীর নাড়াচাড়া করলে বুঝতে পারেন তিনি জীবিত আছেন। পরিবারের ধারণা, গলা কাটার পর তার মুখে বিষ ঢেলে দেওয়া হয়েছিল।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে একরামুল হকের ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। ডোমার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আজগর আলী জানান, তাদের মধ্যে আগে থেকেই জমিজমা-সংক্রান্ত একটি বিরোধ চলে আসছিল। সেই বিরোধের জের ধরেই হয়তো তার গলা কেটে সেখানে রেখে যাওয়া হয়েছিল। পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে।
প্রকাশ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ১৯আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪: ২০





























