ঢাকা ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে যেসব শর্ত পূরণ করতে হবে বাংলাদেশকে চুল টেনে ৪ ম্যাচ নিষিদ্ধ ভিনিসিয়ুস, খেলা হবে না এল ক্লাসিকো শারদীয় দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১০ দিনের ছুটি শুরু আজ ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল উপসাগরীয় অবকাঠামোয় ইরানের নির্ভুল হামলা: বিপর্যস্ত জ্বালানি ও বিশ্ব অর্থনীতি বাংলামটরে এনসিপির কার্যালয়ের সামনে ককটেল নিক্ষেপ উপনিবেশোত্তর পাকিস্তান আমলে বাঙালি ও বাংলা ভাষার প্রতি বৈষম্য গ্লোবাল হাঙ্গার ইনডেক্স: ক্ষুধা কমানোর গতি কমে বাংলাদেশ ৮৪তম বন্দর লিজের আগে জনগণের মতামত নেওয়ার দাবি সাইফুল হকের পরিবেশ রক্ষায় কর্মকর্তাদের বাড়তি দায়িত্ব নেওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: দ্রুত চার্জশিট ও সুবিচারের আশ্বাস আরপিএমপির

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬ ১৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রংপুরের চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত মামলাগুলোর দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে চার্জশিট দাখিলের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) নবনিযুক্ত কমিশনার মাহবুবুর রশীদ। শুক্রবার দুপুরে নগরীর দাসপাড়া এলাকায় রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। গত বৃহস্পতিবারই তিনি আরপিএমপির কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মম হত্যাকাণ্ডের আট দিন পর শুক্রবার তার বাড়ি পরিদর্শনে যান নতুন পুলিশ কমিশনার। গত ২০ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ছেলে আয়ুস চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের প্রত্যেককেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তের ধারাবাহিকতায় পুলিশ ইতিমধ্যে কানু দাসের ছেলে মুগ্ধ দাস এবং বিনয় দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করেছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের মুখোমুখি করার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

পরিদর্শনকালে পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রশীদ মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মাদক কেবল রংপুরের একক সমস্যা নয়, এটি সমগ্র দেশের একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রংপুরে মাদকের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান অভিযান ও জোরদার কার্যক্রম শুরু হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করে রংপুরকে একটি শান্ত, নিরাপদ ও সুশাসিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি。

পুলিশ কমিশনারের এই পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নরেশ চাকমা, গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এবং রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদির।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

রংপুরে শিক্ষক পরিবার হত্যা: দ্রুত চার্জশিট ও সুবিচারের আশ্বাস আরপিএমপির

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

রংপুরের চাঞ্চল্যকর ও আলোচিত মামলাগুলোর দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে চার্জশিট দাখিলের মাধ্যমে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) নবনিযুক্ত কমিশনার মাহবুবুর রশীদ। শুক্রবার দুপুরে নগরীর দাসপাড়া এলাকায় রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। গত বৃহস্পতিবারই তিনি আরপিএমপির কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের সদস্যদের নির্মম হত্যাকাণ্ডের আট দিন পর শুক্রবার তার বাড়ি পরিদর্শনে যান নতুন পুলিশ কমিশনার। গত ২০ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং ছেলে আয়ুস চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাদের প্রত্যেককেই শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্তের ধারাবাহিকতায় পুলিশ ইতিমধ্যে কানু দাসের ছেলে মুগ্ধ দাস এবং বিনয় দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করেছে। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত এবং জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের মুখোমুখি করার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন।

পরিদর্শনকালে পুলিশ কমিশনার মাহবুবুর রশীদ মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মাদক কেবল রংপুরের একক সমস্যা নয়, এটি সমগ্র দেশের একটি সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে। মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রংপুরে মাদকের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান অভিযান ও জোরদার কার্যক্রম শুরু হবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করে রংপুরকে একটি শান্ত, নিরাপদ ও সুশাসিত নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি。

পুলিশ কমিশনারের এই পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নরেশ চাকমা, গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী এবং রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদির।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh