স্বাধীনভাবে কাজ করবে দুদক, কোনো চাপে নেই: চেয়ারম্যান
- আপডেট সময় : ০৬:৩৩:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, কমিশন কোনো প্রকার চাপের মধ্যে নেই এবং তারা সম্পূর্ণ স্বাধীনভাবে কাজ করবে। বুধবার দুদকের প্রথম কার্যদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি বলেন, জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী কাজ করার জন্য তারা সর্বাত্মক চেষ্টা করবেন এবং কমিশনের হারানো ভাবমূর্তি ফিরিয়ে আনতে সচেষ্ট থাকবেন।
অতীতের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক সরকারের সময়ে দুদকের স্বাধীনতা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, তারা কোনো চাপের মধ্যে নেই এবং ইনশাআল্লাহ স্বাধীনভাবেই কাজ করছেন। তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের আহ্বান জানান যেন তাদের কাজের জন্য কিছুটা সময় দেওয়া হয়। তিনি বলেন, কাজ শুরু হলে কমিশনের অগ্রগতি সবাই দেখতে পারবেন। আগাম কোনো বিষয়ে মন্তব্য না করে তিনি ফাইল পাওয়ার পর কার্যক্রমের ভিত্তিতে কথা বলার আশ্বাস দেন।
দুদক কমিশনার ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া এ সময় বলেন, চেয়ারম্যান একজন অত্যন্ত অভিজ্ঞ বিচারপতি। তার নেতৃত্বে প্রতিটি বিষয়ে নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি জনগণের প্রতি ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ১৮ কোটি মানুষের প্রত্যাশা সামনে রেখে তারা কাজ করছেন এবং জনগণ হতাশ হবে না।
গত ১৭ আগস্ট মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ৭(১) ধারা অনুযায়ী বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে চেয়ারম্যান এবং সাবেক সচিব ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে কমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। বুধবার তারা আনুষ্ঠানিকভাবে দুদকে যোগদান করেন।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ থেকে অবসর নেন। তার কর্মজীবনের দীর্ঘ সময় কেটেছে হাইকোর্ট বিভাগে। ১৯৫৯ সালে নওগাঁয় জন্মগ্রহণকারী এই বিচারপতি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। অপর কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১৯৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা এবং সাবেক সচিব। তিনি আইন বিষয়ে পিএইচডিধারী এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন। এছাড়া কমিশনার ড. মো. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া ফিন্যান্স, মানি লন্ডারিং ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেছেন।

























