ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কারওয়ান বাজারে শুরু হলো প্রথম আলো বন্ধুসভার ‘লেখক বন্ধু উৎসব’ সিলেটে হাম ও উপসর্গে আরও তিন শিশুর মৃত্যু নেপাল সীমান্তে হিমালয় কন্যার বুকে প্রলয়ংকরী জলবোমার আঘাত সিরাজগঞ্জের হাড়ের গুঁড়ো এখন ওষুধ শিল্পের বড় চাহিদা মেটাচ্ছে অর্থনৈতিক চাপে ‘ভূমিকম্পের মতো’ পাল্টা আঘাতের হুমকি ইরানের ঢাকার আইনশৃঙ্খলা ও উন্নয়ন তদারকির দায়িত্বে প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু জামায়াত ১৬ বছর আ.লীগের ভেতরে লুকিয়ে ছিল: রাশেদ খাঁন নেতানিয়াহুকে ‘জাহান্নামে’ পাঠানোর হুঁশিয়ারি ইরানি জেনারেলের মিয়ানমারের বিরল মৃত্তিকা: চীন-ভারতের নতুন ভূরাজনৈতিক রণক্ষেত্র সবজির দাম কমলেও নিত্যপণ্যের বাজারে অস্থিরতা অব্যাহত

সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট: সংস্কার নিয়ে ক্ষোভ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পরিপূর্ণ সংস্কারকে পাশ কাটিয়ে সরকার আংশিক সংস্কার করতে চাইছে—এমন অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল। বৃহস্পতিবার রাতে আইন প্রণয়ন কার্যাবলি শুরু হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ থেকে বেরিয়ে যান।

ওয়াকআউটের আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সংবিধান ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের লক্ষ্যে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল আকারে না আসায় কার্যকারিতা হারিয়েছে এবং সাতটি বিলের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশসহ মৌলিক বিষয়গুলো যাচাই-বাছাইয়ের কথা বলে নতুন বিল আনা হচ্ছে, যা সংস্কারের মূল দাবিকে চাপা দিতে পারে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশ রহিত করে ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলন এবং পরবর্তীতে নতুন খসড়া তৈরির বিষয়টি নিয়েও বিরোধীদলীয় নেতা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশনের নতুন খসড়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা এবং কমিশন গঠনের বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে অংশীজনদের আপত্তি রয়েছে। এছাড়া, গুমের অভিযোগ তদন্তে মানবাধিকার কমিশনকে ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়টি নতুন বিলে রাখা হয়নি, যা নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

শফিকুর রহমান বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন, স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন, গুম কমিশন ও পুলিশ সংস্কারের মতো বিষয়গুলো ঠিক না হলে ফ্যাসিবাদ থেকে দেশ মুক্তি পাবে না। তিনি অভিযোগ করেন, সংসদকে একতরফাভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে খণ্ডিত প্রক্রিয়ার অংশ হতে তারা রাজি নন।

বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, তিনি বিশেষ অধিবেশন ডাকার অনুরোধ জানালেও তার জবাব পাননি। এই পরিস্থিতিতে সংস্কারের মূল দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়ে তারা আর এই আলোচনায় অংশ নিতে চান না বলে সংসদ থেকে বিদায় নেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট: সংস্কার নিয়ে ক্ষোভ

আপডেট সময় : ০৬:২৭:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

পরিপূর্ণ সংস্কারকে পাশ কাটিয়ে সরকার আংশিক সংস্কার করতে চাইছে—এমন অভিযোগ তুলে জাতীয় সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল। বৃহস্পতিবার রাতে আইন প্রণয়ন কার্যাবলি শুরু হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ থেকে বেরিয়ে যান।

ওয়াকআউটের আগে পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সংবিধান ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের লক্ষ্যে ১৩৩টি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। এর মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল আকারে না আসায় কার্যকারিতা হারিয়েছে এবং সাতটি বিলের মাধ্যমে বাতিল করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশসহ মৌলিক বিষয়গুলো যাচাই-বাছাইয়ের কথা বলে নতুন বিল আনা হচ্ছে, যা সংস্কারের মূল দাবিকে চাপা দিতে পারে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন-সংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশ রহিত করে ২০০৯ সালের আইন পুনঃপ্রচলন এবং পরবর্তীতে নতুন খসড়া তৈরির বিষয়টি নিয়েও বিরোধীদলীয় নেতা উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মানবাধিকার কমিশনের নতুন খসড়ায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তের ক্ষমতা এবং কমিশন গঠনের বাছাই প্রক্রিয়া নিয়ে অংশীজনদের আপত্তি রয়েছে। এছাড়া, গুমের অভিযোগ তদন্তে মানবাধিকার কমিশনকে ক্ষমতা দেওয়ার বিষয়টি নতুন বিলে রাখা হয়নি, যা নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

শফিকুর রহমান বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন, স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন, গুম কমিশন ও পুলিশ সংস্কারের মতো বিষয়গুলো ঠিক না হলে ফ্যাসিবাদ থেকে দেশ মুক্তি পাবে না। তিনি অভিযোগ করেন, সংসদকে একতরফাভাবে পরিচালনা করা হচ্ছে এবং গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে খণ্ডিত প্রক্রিয়ার অংশ হতে তারা রাজি নন।

বিরোধীদলীয় নেতা আরও বলেন, তিনি বিশেষ অধিবেশন ডাকার অনুরোধ জানালেও তার জবাব পাননি। এই পরিস্থিতিতে সংস্কারের মূল দাবির পক্ষে অবস্থান নিয়ে তারা আর এই আলোচনায় অংশ নিতে চান না বলে সংসদ থেকে বিদায় নেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo