ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সিরাজগঞ্জে বিস্ফোরক মামলায় পদচ্যুত ইউপি চেয়ারম্যান গ্রেপ্তার দুর্গাপুরে দুর্গাপূজা উপলক্ষে মতবিনিময় সভা, ২৩ মণ্ডপে সিসিটিভি বাধ্যতামূলক গোপালগঞ্জ বিশ্ববিদ্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ, আতঙ্ক ২০৫০ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর হবে ঢাকা, প্রয়োজন পরিকল্পিত উদ্যোগ মা ইলিশ রক্ষা অভিযান: প্রথম রাতেই পটুয়াখালীতে তিনজনের কারাদণ্ড ফেসবুকে প্রেম ও মুঠোফোনে বিয়ে, পরে প্রবাসী জানলেন স্ত্রী আসলে তরুণ ‘আবরার হত্যার সময় শিবিরের অনেকে ছাত্রলীগ সেজে বেঁচেছিল’: রাশেদ খান ইসরাইল ছাড়ছেন ২০ বৃটিশ কূটনীতিক, জেরুজালেমে কনস্যুলেটের নাম বদল স্থানীয় নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণে বাধা নেই: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম চট্টগ্রামে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় নারী শ্রমিকসহ ৫ জনের মৃত্যু

গ্যাস সংকটে ২৬ দিন ধরে বন্ধ ময়মনসিংহের বিদ্যুৎকেন্দ্র

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:০৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬ ৩৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জ্বালানি বা গ্যাস সংকটের কারণে ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে অবস্থিত আরপিসিএলের (রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড) ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন কার্যক্রম বর্তমানে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। টানা ২৬ দিন ধরে কেন্দ্রটি অচল হয়ে পড়ে আছে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের আরও দুটি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা অর্ধেকের নিচে নেমে আসায় পুরো ময়মনসিংহ বিভাগজুড়ে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় ও লোডশেডিং দেখা দিয়েছে।

আরপিসিএল সূত্রে জানা যায়, বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিদ্যুতের ঘাটতি মেটানো ও শিল্পায়নের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে শম্ভুগঞ্জে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছিল। তবে ২০০৭ সালের পর থেকেই কেন্দ্রটি নিয়মিত গ্যাস সংকটের মুখে পড়ছে। বিগত বছরগুলোতে কোনোমতে টেনেটুনে ৩০-৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হলেও, জ্বালানি সরবরাহের অভাবে শেষ পর্যন্ত গত ২৬ দিন ধরে এর উৎপাদন শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণ সম্পর্কে ময়মনসিংহ আরপিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এইচ এম রাশেদ জানান, জ্বালানি সংকটের কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি এই সংকটের পেছনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত তেল-গ্যাস সংক্রান্ত চুক্তি এবং পরবর্তীতে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে দায়ী করেছেন। তবে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে পুনরায় উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অচল হয়ে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভাগের সাধারণ বাসিন্দারা। বর্তমানে ময়মনসিংহ শহরের এলাকাগুলোতে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা এবং গ্রামাঞ্চলে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। ভ্যাপসা গরম, বিদ্যুতের স্থায়ী অভাব এবং গ্যাস সংকটের ফলে গৃহস্থালির রান্নাবান্না, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও সাধারণ ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

গ্যাস সংকটে ২৬ দিন ধরে বন্ধ ময়মনসিংহের বিদ্যুৎকেন্দ্র

আপডেট সময় : ০১:০৭:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

জ্বালানি বা গ্যাস সংকটের কারণে ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে অবস্থিত আরপিসিএলের (রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড) ২১০ মেগাওয়াট ক্ষমতার বিদ্যুৎকেন্দ্রটির উৎপাদন কার্যক্রম বর্তমানে পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। টানা ২৬ দিন ধরে কেন্দ্রটি অচল হয়ে পড়ে আছে। একই সঙ্গে এই অঞ্চলের আরও দুটি বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা অর্ধেকের নিচে নেমে আসায় পুরো ময়মনসিংহ বিভাগজুড়ে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় ও লোডশেডিং দেখা দিয়েছে।

আরপিসিএল সূত্রে জানা যায়, বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিদ্যুতের ঘাটতি মেটানো ও শিল্পায়নের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে শম্ভুগঞ্জে প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই কেন্দ্রটি স্থাপন করা হয়েছিল। তবে ২০০৭ সালের পর থেকেই কেন্দ্রটি নিয়মিত গ্যাস সংকটের মুখে পড়ছে। বিগত বছরগুলোতে কোনোমতে টেনেটুনে ৩০-৩৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হলেও, জ্বালানি সরবরাহের অভাবে শেষ পর্যন্ত গত ২৬ দিন ধরে এর উৎপাদন শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।

উৎপাদন বন্ধ থাকার কারণ সম্পর্কে ময়মনসিংহ আরপিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এইচ এম রাশেদ জানান, জ্বালানি সংকটের কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি এই সংকটের পেছনে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পাদিত তেল-গ্যাস সংক্রান্ত চুক্তি এবং পরবর্তীতে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়াকে দায়ী করেছেন। তবে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হলে পুনরায় উৎপাদন শুরু করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

এদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অচল হয়ে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন বিভাগের সাধারণ বাসিন্দারা। বর্তমানে ময়মনসিংহ শহরের এলাকাগুলোতে প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা এবং গ্রামাঞ্চলে ১২ থেকে ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে। ভ্যাপসা গরম, বিদ্যুতের স্থায়ী অভাব এবং গ্যাস সংকটের ফলে গৃহস্থালির রান্নাবান্না, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও সাধারণ ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Bangladesh