ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দক্ষিণ আফ্রিকায় অভিবাসীদের জন্য বাড়ছে নিরাপত্তাহীনতা ও প্রাণহানির ঝুঁকি ইসলামের দৃষ্টিতে কথা বলার আদব ও শিষ্টাচার গোপনে আবুধাবি সফরে নেতানিয়াহু, বৈঠক আমিরাতের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সম্পর্ক সুন্দর ও দৃঢ় করতে সালামের গুরুত্ব অপরিসীম আশুলিয়ায় উচ্ছেদ অভিযানে আনসার-হকার সংঘর্ষ, আহত ৪ শরীয়তপুর পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে তালা ভেঙে ল্যাপটপ ও ট্যাব চুরি এইচএসসি উত্তীর্ণদের শিক্ষাবৃত্তি দেবে শাহ্জালাল ইসলামী ব্যাংক ফাউন্ডেশন আজকের পর্দায় বাংলাদেশ-সিঙ্গাপুর ম্যাচসহ নেশন্স লিগের ফুটবল লড়াই কাশীয়ানীতে ১৯৮ ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার ট্রাম্প-শি বৈঠকে সমঝোতা না হলেও যুক্তরাষ্ট্রে আসবে চীনা বৈদ্যুতিক গাড়ি

কারফিউ ও দমন-পীড়ন নিয়ে আনিসুল-সালমানের ফোনালাপ ট্রাইব্যুনালে

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ১২:৫৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কারফিউ জারি করার আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের মধ্যকার একটি ফোনালাপ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ উপস্থাপন করা হয়েছে। সোমবার মামলার চতুর্থ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন এই কথোপকথনের লিখিত সংস্করণ আদালতে তুলে ধরেন।

১ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের ওই ফোনালাপে আনিসুল হককে বলতে শোনা যায়, কারফিউ জারি করে আন্দোলনকারীদের শেষ করে দেওয়ার বিষয়টি একটি সম্ভাব্য পথ। কথোপকথনের এক পর্যায়ে আনিসুল হক বলেন, বিষয়টি নিয়ে ফোনে বিস্তারিত আলোচনা করা ঠিক হবে না, তবে 'রিয়েল হার্ম' বা কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আছে। এর জবাবে সালমান এফ রহমান বলেন, প্রথম অপশনটি কাজ করছে এবং সেটিই করা উচিত। কথোপকথনে আনিসুল হক আরও উল্লেখ করেন যে, তার সহকর্মী কামাল জানিয়েছেন নর্থ সাইডের লোকদের সম্পৃক্ত হতে হবে। সালমান এফ রহমান তখন জানান, এ বিষয়ে তিনিও একই বার্তা পেয়েছেন।

একই দিনে প্রসিকিউশন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজমের মধ্যকার ২১ জুলাই ২০২৪-এর একটি ফোনালাপও আদালতে উপস্থাপন করে। সেই কথোপকথনে কারফিউ চলমান রাখা এবং আন্দোলন দমনে প্রস্তুতির জন্য অর্থের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। ওবায়দুল কাদের সেখানে মির্জা আজমকে জানান যে, সালমান এফ রহমান অর্থ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মির্জা আজম অভিযোগ করেন যে, অনেক এমপি এলাকায় টাকা খরচ করছেন না বা ফোন ধরছেন না। বিশেষ করে ধানমন্ডির ফেরদৌস ও আরাফাতের প্রসঙ্গ টেনে আজম বলেন, তারা টাকা দেওয়া তো দূরের কথা, ফোনও রিসিভ করেন না। কাদের তখন আরাফাতকে 'ওস্তাদ' বলে সম্বোধন করেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও মোহাম্মদ আলী আরাফাত, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান, সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ আসামি হিসেবে রয়েছেন। মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক বলে জানানো হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

কারফিউ ও দমন-পীড়ন নিয়ে আনিসুল-সালমানের ফোনালাপ ট্রাইব্যুনালে

আপডেট সময় : ১২:৫৫:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় কারফিউ জারি করার আগে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমানের মধ্যকার একটি ফোনালাপ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এ উপস্থাপন করা হয়েছে। সোমবার মামলার চতুর্থ দিনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের সময় প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন এই কথোপকথনের লিখিত সংস্করণ আদালতে তুলে ধরেন।

১ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের ওই ফোনালাপে আনিসুল হককে বলতে শোনা যায়, কারফিউ জারি করে আন্দোলনকারীদের শেষ করে দেওয়ার বিষয়টি একটি সম্ভাব্য পথ। কথোপকথনের এক পর্যায়ে আনিসুল হক বলেন, বিষয়টি নিয়ে ফোনে বিস্তারিত আলোচনা করা ঠিক হবে না, তবে 'রিয়েল হার্ম' বা কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আছে। এর জবাবে সালমান এফ রহমান বলেন, প্রথম অপশনটি কাজ করছে এবং সেটিই করা উচিত। কথোপকথনে আনিসুল হক আরও উল্লেখ করেন যে, তার সহকর্মী কামাল জানিয়েছেন নর্থ সাইডের লোকদের সম্পৃক্ত হতে হবে। সালমান এফ রহমান তখন জানান, এ বিষয়ে তিনিও একই বার্তা পেয়েছেন।

একই দিনে প্রসিকিউশন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ও সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজমের মধ্যকার ২১ জুলাই ২০২৪-এর একটি ফোনালাপও আদালতে উপস্থাপন করে। সেই কথোপকথনে কারফিউ চলমান রাখা এবং আন্দোলন দমনে প্রস্তুতির জন্য অর্থের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। ওবায়দুল কাদের সেখানে মির্জা আজমকে জানান যে, সালমান এফ রহমান অর্থ পাঠানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। মির্জা আজম অভিযোগ করেন যে, অনেক এমপি এলাকায় টাকা খরচ করছেন না বা ফোন ধরছেন না। বিশেষ করে ধানমন্ডির ফেরদৌস ও আরাফাতের প্রসঙ্গ টেনে আজম বলেন, তারা টাকা দেওয়া তো দূরের কথা, ফোনও রিসিভ করেন না। কাদের তখন আরাফাতকে 'ওস্তাদ' বলে সম্বোধন করেন।

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় ওবায়দুল কাদের ছাড়াও মোহাম্মদ আলী আরাফাত, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, শেখ ফজলে শামস পরশ, মাইনুল হোসেন খান, সাদ্দাম হোসেন ও শেখ ওয়ালী আসিফ আসামি হিসেবে রয়েছেন। মামলার সব আসামিই বর্তমানে পলাতক বলে জানানো হয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo