ঢাকা ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলা কিউআর লেনদেনের বিরোধ নিষ্পত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন নীতিমালা শি জিনপিংকে মার্কিন অস্ত্র কেনার প্রস্তাব দিয়েছিলেন ট্রাম্প: রাষ্ট্রদূত রাজধানীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৯৯ অপারেটর নিয়োগের সরকারি আদেশ পাঁচ দিনেও পায়নি বিপিসি পুতিন কেন আরও আগ্রাসী হয়ে উঠছেন: ক্ষমতার রাজনীতি ও বাস্তবতা ইরানের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন ট্রাম্প, জানালেন কারণ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শুরু আজ বাসযাত্রায় তুলনামূলক নিরাপদ যে সারির আসন জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি: বিশ্বকবির স্মৃতিধন্য আঙিনায় এক ভ্রমণ রাঙামাটিতে কিশোর গ্যাং ও মাদকবিরোধী অভিযানে আটক ৩৫

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে একটি চক্র: প্রধানমন্ত্রী

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০২:৫০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬ ২৮ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র অত্যন্ত সুকৌশলে সক্রিয় রয়েছে এবং নানা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অতীতে একটি নির্দিষ্ট মহলকে সুবিধা দেওয়া এবং অপরিকল্পিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে বর্তমানে এই খাতে সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। দেশের ভঙ্গুর অবস্থাকে সচল করতে বর্তমান সরকার নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

চিকিৎসকদের বিভিন্ন দাবির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেছে, তখন দেশ এক ধ্বংসস্তূপের মতো ছিল। একটি দুর্বল অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন এবং ভঙ্গুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উত্তরাধিকার পেয়েছে এই সরকার। এই পরিস্থিতি থেকে দেশকে সফলভাবে ঘুরিয়ে দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে। তিনি ঘোষণা করেন, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার দ্রুতই এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করতে যাচ্ছে। পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব ই-হেলথ কার্ডের কার্যক্রম শুরু করা হবে এবং উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতেও রাষ্ট্র, রাজনীতি, শাসন ও প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা নিষ্ক্রিয় নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করতে নানামুখী অপতৎপরতা চালাচ্ছে। বর্তমানে সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে যে কষ্ট ভোগ করছেন, তা সরকার অস্বীকার করছে না। তবে বিগত দিনে কোনো বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার জন্য যে অপরিকল্পিত নীতি ও কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল, তার খেসারত এখন দেশের মানুষ ও সরকারকে দিতে হচ্ছে।

শিক্ষকদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সব কাজকেই প্রভাবিত করে। তাই শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা পেশাজীবীরা নিজ নিজ মতাদর্শ অনুযায়ী সচেতন ও সুসংগঠিত থাকবেন—এটি অযৌক্তিক নয়। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন কোনোভাবেই নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন না ঘটায়। একই সঙ্গে তিনি প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এসে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, প্রতিটি সেক্টরে এবং সামগ্রিকভাবে পুরো বাংলাদেশে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি, যা বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর থেকে সবাই তীব্রভাবে অনুভব করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor

নিউজটি শেয়ার করুন

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে একটি চক্র: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০২:৫০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৬

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতকে অস্থিতিশীল করতে একটি চক্র অত্যন্ত সুকৌশলে সক্রিয় রয়েছে এবং নানা বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অতীতে একটি নির্দিষ্ট মহলকে সুবিধা দেওয়া এবং অপরিকল্পিত বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের কারণে বর্তমানে এই খাতে সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। দেশের ভঙ্গুর অবস্থাকে সচল করতে বর্তমান সরকার নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

চিকিৎসকদের বিভিন্ন দাবির প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার যখন দায়িত্ব গ্রহণ করেছে, তখন দেশ এক ধ্বংসস্তূপের মতো ছিল। একটি দুর্বল অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন এবং ভঙ্গুর শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উত্তরাধিকার পেয়েছে এই সরকার। এই পরিস্থিতি থেকে দেশকে সফলভাবে ঘুরিয়ে দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে। তিনি ঘোষণা করেন, জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার দ্রুতই এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করতে যাচ্ছে। পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব ই-হেলথ কার্ডের কার্যক্রম শুরু করা হবে এবং উপজেলা হাসপাতালগুলোকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতেও রাষ্ট্র, রাজনীতি, শাসন ও প্রশাসনে ফ্যাসিবাদের সুবিধাভোগীরা নিষ্ক্রিয় নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে একটি চক্র জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতকে অস্থিতিশীল করতে নানামুখী অপতৎপরতা চালাচ্ছে। বর্তমানে সাধারণ মানুষ বিদ্যুৎ ও গ্যাস নিয়ে যে কষ্ট ভোগ করছেন, তা সরকার অস্বীকার করছে না। তবে বিগত দিনে কোনো বিশেষ গোষ্ঠীকে সুবিধা দেওয়ার জন্য যে অপরিকল্পিত নীতি ও কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল, তার খেসারত এখন দেশের মানুষ ও সরকারকে দিতে হচ্ছে।

শিক্ষকদের রাজনীতিতে সম্পৃক্ততা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত সব কাজকেই প্রভাবিত করে। তাই শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা পেশাজীবীরা নিজ নিজ মতাদর্শ অনুযায়ী সচেতন ও সুসংগঠিত থাকবেন—এটি অযৌক্তিক নয়। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা যেন কোনোভাবেই নিজেদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন না ঘটায়। একই সঙ্গে তিনি প্রথাগত রাজনীতির বাইরে এসে রাজনীতিতে গুণগত পরিবর্তনের ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, প্রতিটি সেক্টরে এবং সামগ্রিকভাবে পুরো বাংলাদেশে রাজনীতির গুণগত পরিবর্তন এখন সময়ের দাবি, যা বিশেষ করে ৫ আগস্টের পর থেকে সবাই তীব্রভাবে অনুভব করছেন।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Jugantor