আদালতে হাজতির পাউরুটির ভেতর গাঁজা ও ইয়াবা উদ্ধার
- আপডেট সময় : ০৮:০৩:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের হাজতখানায় নেওয়ার সময় এক হাজতির হাতে থাকা একটি পাউরুটির ভেতর থেকে গাঁজা ও ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। আদালত প্রাঙ্গণে ওই হাজতির এক স্বজন পাউরুটিটি তাকে দিয়েছিলেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। এই ঘটনার পর ওই হাজতির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
রোববার (২ আগস্ট) আদালত-সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্র থেকে জানা যায়, আসামি মামুনকে সিএমএম ১১ নম্বর আদালতে নিয়মিত হাজিরা দেওয়ার জন্য আনা হয়েছিল। শুনানি শেষে তাকে পুনরায় হাজতখানায় নেওয়ার সময় আদালত প্রাঙ্গণে তার এক স্বজন খাবার হিসেবে পাউরুটিটি দেন। ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের এসকর্ট কনস্টেবলের সঙ্গে হাজতখানায় প্রবেশের আগে নিয়ম অনুযায়ী তল্লাশি চালানো হয়। তল্লাশির সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত হাজত ইনচার্জের সন্দেহ হলে পাউরুটিটি পরীক্ষা করা হয়। এ সময় পাউরুটির ভেতরে কাগজে মোড়ানো তিনটি ছোট গাঁজার পুরিয়া এবং তিনটি ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়।
দায়িত্বে থাকা কনস্টেবল শাহেদ জানান, ১১ নম্বর আদালত থেকে মামুন নামের ওই আসামিকে হাজতখানায় নিয়ে যাওয়ার পথে তার স্বজনরা সিঁড়ির কাছে এসে পাউরুটিটি দেওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ ও চাপ দিতে থাকেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও মানবিক দিক বিবেচনা করে তিনি পাউরুটিটি আসামির কাছে যেতে দেন। হাজতখানার গেটে তল্লাশিতে মাদক উদ্ধারের বিষয়টি তিনি পরে জানতে পারেন।
ডিএমপি প্রসিকিউশন বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) মহিউদ্দিন মাহমুদ সোহেল জানান, তল্লাশিতে পাউরুটির ভেতর ছোট ছিদ্র দেখতে পাওয়ার পর মাদকগুলো উদ্ধার করা হয়। ঘটনার পর সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে খাবার প্রদানকারী স্বজনদের শনাক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, এটি একটি গুরুতর নিরাপত্তা ইস্যু এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে দায়িত্বে থাকা সদস্যদের আরও সতর্ক থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।





























