ঢাকা ০২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নবীনগরে নতুন এসিল্যান্ড হিসেবে যোগ দিলেন শারমিন সুলতানা জাতিসংঘে প্রথম দিনে প্রধানমন্ত্রীর ১০ কর্মসূচি ও কূটনৈতিক তৎপরতা টাঙ্গাইলে রডের বদলে বাঁশ: সাব-ঠিকাদার গ্রেপ্তার, তদন্ত কমিটি গঠন কিশোরগঞ্জে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার ৪ আওয়ামী লীগ নেতা ইসরাইল নতুন সিরীয় ভূখণ্ড দখল করছে, দাবি প্রেসিডেন্ট আল-শারার চুয়েটে উপাচার্য পুনর্বহালের দাবিতে শিক্ষার্থীদের শাটডাউন ও গণস্বাক্ষর কর্মসূচি এনসিএল সামনে রেখে ক্রিকেটারদের ফিটনেস পরীক্ষা সম্পন্ন জাতিসংঘের অধিবেশনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মতবিনিময় শিশুর স্থুলতা রোধে পরিবারের ৬টি কার্যকর পরামর্শ আগামী বছরের জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা

ঢাকার চারপাশের নদীপথে ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৬:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীপথে আরও যাত্রীবাহী ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগে নদীদূষণ, নাব্যতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং যাত্রী আকর্ষণের মতো বড় কয়েকটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোকে শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, পর্যটনবান্ধব জলপথ হিসেবেও গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে গাবতলী থেকে যাত্রা শুরু করে আশুলিয়া, টঙ্গি, নারায়ণগঞ্জ, সদরঘাট ও বসিলা ঘুরে পুনরায় গাবতলীতে ফেরার একটি রুট বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমান নদীর পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, অনেক জায়গায় দুর্গন্ধ ও আবর্জনার কারণে মানুষ নৌপথে ভ্রমণে আগ্রহী হয় না। নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণ করে মনোরম পরিবেশ তৈরি করা গেলে মানুষ যাতায়াতের পাশাপাশি বিনোদনের জন্যও ওয়াটার বাস ব্যবহার করবে। হাতিরঝিলের ওয়াতির বাসের সফলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকার চারপাশের দীর্ঘ নদীপথে হাতিরঝিলের মডেল পুরোপুরি কার্যকর হবে না, তাই যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পর্যটনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নদীপথে চলাচলের ক্ষেত্রে কিছু সেতু বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে টঙ্গির রেলসেতুর নিচে ওয়াটার বাস চলাচলের পর্যাপ্ত উচ্চতা নেই। সড়ক সেতুর উচ্চতা বাড়ানোর সুযোগ থাকলেও রেলসেতু উঁচু করা বাস্তবসম্মত নয়। তাই ওই স্থানে যাত্রীদের এক পাশ থেকে নেমে সেতু পার হয়ে অপর পাশে অপেক্ষমাণ ওয়াটার বাসে ওঠার বিকল্প ব্যবস্থা বিবেচনা করা হচ্ছে।

প্রকল্পের বাজেট নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখনো আলাদা কোনো বাজেট নির্ধারণ করা হয়নি। আপাতত সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো নিজ নিজ দায়িত্বের আওতায় কাজ করবে এবং প্রয়োজনে পরবর্তীতে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হবে। বিভিন্ন দপ্তরকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে অগ্রগতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী বৈঠক হবে। ওই বৈঠকে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা ও নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণসহ নৌপরিবহন ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য, যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে ঢাকার চারপাশের নদীপথে আধুনিক ও আকর্ষণীয় ওয়াটার বাস সেবা চালু করা।

রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকার চারপাশের নদীপথে ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার

আপডেট সময় : ০৬:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানী ঢাকার চারপাশের নদীপথে আরও যাত্রীবাহী ওয়াটার বাস চালুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের আগে নদীদূষণ, নাব্যতা, অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এবং যাত্রী আকর্ষণের মতো বড় কয়েকটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার কথা জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করার লক্ষ্য রয়েছে সরকারের। রাজধানীর চারপাশের নদীগুলোকে শুধু যাতায়াতের মাধ্যম নয়, পর্যটনবান্ধব জলপথ হিসেবেও গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে গাবতলী থেকে যাত্রা শুরু করে আশুলিয়া, টঙ্গি, নারায়ণগঞ্জ, সদরঘাট ও বসিলা ঘুরে পুনরায় গাবতলীতে ফেরার একটি রুট বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

বর্তমান নদীর পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, অনেক জায়গায় দুর্গন্ধ ও আবর্জনার কারণে মানুষ নৌপথে ভ্রমণে আগ্রহী হয় না। নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণ করে মনোরম পরিবেশ তৈরি করা গেলে মানুষ যাতায়াতের পাশাপাশি বিনোদনের জন্যও ওয়াটার বাস ব্যবহার করবে। হাতিরঝিলের ওয়াতির বাসের সফলতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঢাকার চারপাশের দীর্ঘ নদীপথে হাতিরঝিলের মডেল পুরোপুরি কার্যকর হবে না, তাই যাত্রী পরিবহনের পাশাপাশি পর্যটনকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নদীপথে চলাচলের ক্ষেত্রে কিছু সেতু বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে টঙ্গির রেলসেতুর নিচে ওয়াটার বাস চলাচলের পর্যাপ্ত উচ্চতা নেই। সড়ক সেতুর উচ্চতা বাড়ানোর সুযোগ থাকলেও রেলসেতু উঁচু করা বাস্তবসম্মত নয়। তাই ওই স্থানে যাত্রীদের এক পাশ থেকে নেমে সেতু পার হয়ে অপর পাশে অপেক্ষমাণ ওয়াটার বাসে ওঠার বিকল্প ব্যবস্থা বিবেচনা করা হচ্ছে।

প্রকল্পের বাজেট নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখনো আলাদা কোনো বাজেট নির্ধারণ করা হয়নি। আপাতত সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো নিজ নিজ দায়িত্বের আওতায় কাজ করবে এবং প্রয়োজনে পরবর্তীতে বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হবে। বিভিন্ন দপ্তরকে নির্দিষ্ট দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে অগ্রগতি পর্যালোচনা করে পরবর্তী বৈঠক হবে। ওই বৈঠকে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা ও নদীদূষণ নিয়ন্ত্রণসহ নৌপরিবহন ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সরকারের লক্ষ্য, যত দ্রুত সম্ভব প্রয়োজনীয় চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করে ঢাকার চারপাশের নদীপথে আধুনিক ও আকর্ষণীয় ওয়াটার বাস সেবা চালু করা।

রোববার (২ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Alokito Bangladesh