ঢাকা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
হামের উপসর্গে আরও ১১ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৭০ জন ঢাকা ও উপকণ্ঠের বিদ্যুৎ ব্যবস্থা আধুনিকায়নে এডিবির ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ গাজীপুরে ট্রাক ও অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ৩ জাতিসংঘে এরদোয়ানের ভাষণের সময় মোবাইল ফোনে মগ্ন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট মাগুরায় বেশি দামে সার ও মেয়াদোত্তীর্ণ বীজ বিক্রি, ১ লাখ টাকা জরিমানা গণমাধ্যমে সরকার ও বিরোধী দলের কথা সমান গুরুত্বের দাবি শফিকুর রহমানের কোনো শিশুই শিক্ষার বাইরে থাকবে না: সমাজকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ হোসেন খাগড়াছড়িতে ৭৭৮ শিক্ষার্থীকে শিক্ষাবৃত্তি ও সেলাই মেশিন বিতরণ ট্রাইব্যুনাল অবমাননার মামলায় দুই আইনজীবীর শুনানি ২৬ অক্টোবর বিশ্ববাজারে টানা ছয় দিন কমছে জ্বালানি তেলের দাম

আগামী বছরের জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০১:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



চলতি বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশন আগামী বছর থেকেই এই নির্বাচন আয়োজনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করতে নির্বাচন কমিশন প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার একটি সম্ভাব্য হিসাব দিয়েছে। সরকার এই পরিমাণ অর্থ বরাদ্দের ব্যবস্থা রেখেছে। খরচের বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় খরচ হবে ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা নির্বাচনে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রায় ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং উপজেলা নির্বাচনে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। বাকি ৩৩০টি পৌরসভা ও ১৩টি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে খরচের পরিমাণ অনেক কম হবে।

নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণের বিষয়ে মীর শাহে আলম বলেন, প্রথমে সরকারকে না জানিয়েই ইসি তারিখ ঘোষণা করেছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে ইসি সচিব পর্যায়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করেছে। যেখানে স্থানীয় সরকার, অর্থ, স্বরাষ্ট্র, শিক্ষা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকের পর কমিশন পুনরায় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে যে, আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে নির্বাচন শুরু ও শেষ করা হবে। সাধারণত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই রমজান মাস, এসএসসি পরীক্ষা ও ডিসেম্বরের বার্ষিক পরীক্ষার কথা বিবেচনা করেই ইসি এই সময়সীমা নির্ধারণ করেছে বলে মনে করছেন প্রতিমন্ত্রী。

সরকারের অবস্থানের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের চাওয়া হলো চলতি অর্থবছরের মধ্যেই যেন নির্বাচনগুলো শেষ করা হয়। তবে নির্বাচন ঠিক কবে শুরু হবে, তা কমিশনই নির্ধারণ করবে। সরকার আগে থেকে কোনো তারিখ বলে ইসিকে বিব্রত করতে চায় না। এছাড়া নির্বাচন কমিশন ঠিক কবে ভোট শুরু ও শেষ করবে এবং চূড়ান্ত খরচ কত হবে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারকে জানায়নি। চলতি মাসের শেষে অথবা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে আরেকটি বৈঠকের মাধ্যমে ইসি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এবং সেখানে সরকারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রী ইতোমধ্যে বক্তব্য দিয়েছেন। যেহেতু নির্বাচনের এখনো অনেক দেরি আছে এবং নির্বাচন কমিশনও চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঠিক করেনি, তাই এই মুহূর্তে জনগণের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে তা বলা কঠিন। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এলেই কেবল বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin

নিউজটি শেয়ার করুন

আগামী বছরের জুনের মধ্যে স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা

আপডেট সময় : ০১:২৪:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

চলতি বছর স্থানীয় সরকার নির্বাচন হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে এই নির্বাচন সম্পন্ন করার পরিকল্পনা করছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচন কমিশন আগামী বছর থেকেই এই নির্বাচন আয়োজনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে বলে প্রতীয়মান হচ্ছে। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, পাঁচটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন শেষ করতে নির্বাচন কমিশন প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকার একটি সম্ভাব্য হিসাব দিয়েছে। সরকার এই পরিমাণ অর্থ বরাদ্দের ব্যবস্থা রেখেছে। খরচের বিবরণ দিয়ে তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় খরচ হবে ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা নির্বাচনে। এর মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রায় ২ হাজার ৭০০ থেকে ২ হাজার ৮০০ কোটি টাকা এবং উপজেলা নির্বাচনে ২ হাজার ২০০ থেকে ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ব্যয় হবে। বাকি ৩৩০টি পৌরসভা ও ১৩টি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে খরচের পরিমাণ অনেক কম হবে।

নির্বাচনের দিনক্ষণ নির্ধারণের বিষয়ে মীর শাহে আলম বলেন, প্রথমে সরকারকে না জানিয়েই ইসি তারিখ ঘোষণা করেছিল। পরবর্তীতে বিষয়টি নিয়ে ইসি সচিব পর্যায়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক করেছে। যেখানে স্থানীয় সরকার, অর্থ, স্বরাষ্ট্র, শিক্ষা এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিবরা উপস্থিত ছিলেন। ওই বৈঠকের পর কমিশন পুনরায় গণমাধ্যমকে জানিয়েছে যে, আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে নির্বাচন শুরু ও শেষ করা হবে। সাধারণত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই রমজান মাস, এসএসসি পরীক্ষা ও ডিসেম্বরের বার্ষিক পরীক্ষার কথা বিবেচনা করেই ইসি এই সময়সীমা নির্ধারণ করেছে বলে মনে করছেন প্রতিমন্ত্রী。

সরকারের অবস্থানের কথা উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের চাওয়া হলো চলতি অর্থবছরের মধ্যেই যেন নির্বাচনগুলো শেষ করা হয়। তবে নির্বাচন ঠিক কবে শুরু হবে, তা কমিশনই নির্ধারণ করবে। সরকার আগে থেকে কোনো তারিখ বলে ইসিকে বিব্রত করতে চায় না। এছাড়া নির্বাচন কমিশন ঠিক কবে ভোট শুরু ও শেষ করবে এবং চূড়ান্ত খরচ কত হবে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারকে জানায়নি। চলতি মাসের শেষে অথবা অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহে আরেকটি বৈঠকের মাধ্যমে ইসি চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে এবং সেখানে সরকারের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন।

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির ফলে নির্বাচনে কোনো প্রভাব পড়বে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে জ্বালানি মন্ত্রী ইতোমধ্যে বক্তব্য দিয়েছেন। যেহেতু নির্বাচনের এখনো অনেক দেরি আছে এবং নির্বাচন কমিশনও চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঠিক করেনি, তাই এই মুহূর্তে জনগণের প্রতিক্রিয়া কেমন হবে তা বলা কঠিন। নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে এলেই কেবল বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Adin