ঢাকা ০৩:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আজই জানা যাবে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতির নাম ভারতে কাজ করতে না পারায় ক্ষোভ নেই, নিষেধাজ্ঞার প্রতি কৃতজ্ঞ আতিফ আসলাম দক্ষ মানবসম্পদ গড়ার নতুন ঠিকানা বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বিয়ের পাঁচ মাস পর গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু আন্তর্জাতিক যুব দিবস উপলক্ষে নোয়াখালীতে জামায়াতের র‍্যালি ও সভা ফিফায় কিংসের অভিযোগ বেড়ে ১৪, নিষেধাজ্ঞামুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় আবাহনী টাটা সন্সের চেয়ারম্যান পদ ছাড়ছেন নটরাজন চন্দ্রশেখরণ বিতর্কিত নওমিকে এশিয়ান গেমসে নারী দলের ম্যানেজার করল বাফুফে ফিলিস্তিন ইস্যু মুছে ফেলতে চায় ইসরাইল: এরদোগান এনটিআরসিএ-এর মাধ্যমেই হবে প্রতিষ্ঠান প্রধান নিয়োগ, আশ্বস্ত শিক্ষক নেতারা

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মহিপুর তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন 

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর:
  • আপডেট সময় : ০৯:২৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬ ৬০ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মহিপুর তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে সেতুসহ রংপুর-কাকিনা সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।

গতকাল শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যা থেকে সেতুটির উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। রাত ৮টা পর্যন্ত সময়ে ৩০ মিটারের বেশি অংশ ভেঙে ৬০ ফুট গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে দুই জেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত বছর বাঁধটির প্রায় ১০০ ফুট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছিল। তখন ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁধের উজানে বাঁশের পাইলিং করে তা রক্ষার চেষ্টা করে এলজিইডি। পরবর্তী সময় টেকসই কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় পানির তীব্র স্রোতে এবার সেই পাইলিং ভেঙে গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, এখনই জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ রক্ষায় পদক্ষেপ না নিলে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু ও রংপুর লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়ক মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

উক্ত বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুর রহমান জানান, গত বছর ঢাকা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দল পরিদর্শন করে এ ধরনের পাইলিং করার পরামর্শ দিয়েছিল। সেকারণে সেটা করা হয়েছিল। আবারো ভাঙন ধরায় আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সেটা জানিয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হাদী জানান, ‘গত বছর ভাঙনের সময় এলজিইডিকে ব্লক দিয়ে বাঁধ টেকসই করার অনুরোধ করেছিলাম। তারা শোনেননি। ১৪ লাখ টাকা খরচ করে বাঁশের পাইলিং করেছিলেন। এবার সেটিও ভেসে গেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সেতুর অস্তিত্ব বিলীন হতে পারে। সরকারি অর্থ অপচয়ের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এ নিয়ে গংগাচড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মহিপুর তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন 

আপডেট সময় : ০৯:২৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার
রংপুর:

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মহিপুর তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। এতে সেতুসহ রংপুর-কাকিনা সড়ক হুমকির মুখে পড়েছে।

গতকাল শনিবার (২০ জুন) সন্ধ্যা থেকে সেতুটির উত্তর-পশ্চিম প্রান্তের রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। রাত ৮টা পর্যন্ত সময়ে ৩০ মিটারের বেশি অংশ ভেঙে ৬০ ফুট গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে দুই জেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থা।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত বছর বাঁধটির প্রায় ১০০ ফুট নদীগর্ভে বিলীন হয়েছিল। তখন ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে বাঁধের উজানে বাঁশের পাইলিং করে তা রক্ষার চেষ্টা করে এলজিইডি। পরবর্তী সময় টেকসই কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় পানির তীব্র স্রোতে এবার সেই পাইলিং ভেঙে গেছে।

স্থানীয়দের দাবি, এখনই জরুরি ভিত্তিতে বাঁধ রক্ষায় পদক্ষেপ না নিলে দ্বিতীয় তিস্তা সেতু ও রংপুর লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়ক মারাত্মক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।

উক্ত বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুর রহমান জানান, গত বছর ঢাকা থেকে আসা বিশেষজ্ঞ দল পরিদর্শন করে এ ধরনের পাইলিং করার পরামর্শ দিয়েছিল। সেকারণে সেটা করা হয়েছিল। আবারো ভাঙন ধরায় আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে সেটা জানিয়েছি। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল হাদী জানান, ‘গত বছর ভাঙনের সময় এলজিইডিকে ব্লক দিয়ে বাঁধ টেকসই করার অনুরোধ করেছিলাম। তারা শোনেননি। ১৪ লাখ টাকা খরচ করে বাঁশের পাইলিং করেছিলেন। এবার সেটিও ভেসে গেছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সেতুর অস্তিত্ব বিলীন হতে পারে। সরকারি অর্থ অপচয়ের কারণে এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

এ নিয়ে গংগাচড়ার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জেসমিন আক্তার জানান, তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। দ্রুতই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।