ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মুগদা বিশ্বরোড় সিঙ্গার গলিতে ভাঙ্গা সড়ক, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

ফখরুল আলম সাজু
  • আপডেট সময় : ০১:০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ ১০১ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানী ঢাকা দক্ষিণ মুগদা পাড়া বিশ্বরোড় সংলগ্নে এলাকার সিঙ্গার গলি সড়কের বেহাল অবস্থা জনদুর্ভোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বিভিন্ন অংশে স্ল্যাব ভেঙ্গে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, ফলে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্ত পানিতে ঢেকে যায়, ফলে কোথায় ভেঙ্গে অংশ রয়েছে তা বোঝা যায় না, এতে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে প্রতিদিন।

এলাকাবাসী জানান, বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, ফলে চরম ভোগান্তির মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

দ্রুত সড়কটি মেরামত করে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

মুগদা বিশ্বরোড় সিঙ্গার গলিতে ভাঙ্গা সড়ক, চরম দুর্ভোগে এলাকাবাসী

আপডেট সময় : ০১:০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
print news

ফখরুল আলম সাজু

রাজধানী ঢাকা দক্ষিণ মুগদা পাড়া বিশ্বরোড় সংলগ্নে এলাকার সিঙ্গার গলি সড়কের বেহাল অবস্থা জনদুর্ভোগের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বিভিন্ন অংশে স্ল্যাব ভেঙ্গে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে, ফলে পথচারী ও যানবাহন চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব গর্ত পানিতে ঢেকে যায়, ফলে কোথায় ভেঙ্গে অংশ রয়েছে তা বোঝা যায় না, এতে প্রায়ই ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটছে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা বাড়ছে প্রতিদিন।

এলাকাবাসী জানান, বারবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, ফলে চরম ভোগান্তির মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

দ্রুত সড়কটি মেরামত করে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।