ঢাকা ০৬:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরের খাজুরার ইশরা টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেন

মোঃওবাইদুল হক স্টাফ রিপোর্টার যশোর।।
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

যশোরের খাজুরার ইশরা টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেন

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

মোঃওবাইদুল হক স্টাফ রিপোর্টার যশোর।।

কানাডার বিশ্বখ্যাত টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন যশোরের খাজুরার মেয়ে শামামা তাবাস্সুম ইশরা। আগামী সেপ্টেম্বর সেশনে স্বাস্থ্যবিজ্ঞান (হেলথ সায়েন্স) বিষয়ে উচ্চশিক্ষা শুরু হবে তার।ইশরা স্থানীয় বন্দবিলা ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার এমন অসাধারণ অর্জনে পরিবারের পাশাপাশি গর্বিত এলাকার মানুষজনও।ইশরার বাবা মাসুম হোসেন বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, কানাডার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার বড় মেয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছে—এটা আমাদের পরিবারের জন্য বড় এক আনন্দের খবর।’ইশরা ২০১১ সালে ঢাকার গ্রীনফিল্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু করেন। ২০১৩ সালে বাবা-মায়ের সঙ্গে কানাডায় পাড়ি জমান। গত ২৭ জুন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে হাইস্কুল ডিপ্লোমা (গ্রেড–১২) অর্জন করেছেন। কানাডার শিক্ষা জীবনের শুরু থেকে প্রতি বছর একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন ইশরা। বাবার মতো চিকিৎসা সেবায় নিজের ক্যারিয়ার গড়ে মানুষের সেবা করতে চান এই মেধাবী শিক্ষার্থী ।ইশরার বাবা মাসুম হোসেন পেশায় ফার্মাসিস্ট ও মা সেলিনা আক্তার নিলু গৃহিণী। দাদা সিরাজুল ইসলাম এবং দাদি আমিনা খাতুন চন্ডিপুর গ্রামের সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।ইশরার পরিবার তার সফল ভবিষ্যতের জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

যশোরের খাজুরার ইশরা টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেলেন

আপডেট সময় : ১১:৪৬:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ জুলাই ২০২৫
print news

মোঃওবাইদুল হক স্টাফ রিপোর্টার যশোর।।

কানাডার বিশ্বখ্যাত টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন যশোরের খাজুরার মেয়ে শামামা তাবাস্সুম ইশরা। আগামী সেপ্টেম্বর সেশনে স্বাস্থ্যবিজ্ঞান (হেলথ সায়েন্স) বিষয়ে উচ্চশিক্ষা শুরু হবে তার।ইশরা স্থানীয় বন্দবিলা ইউনিয়নের চন্ডিপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার এমন অসাধারণ অর্জনে পরিবারের পাশাপাশি গর্বিত এলাকার মানুষজনও।ইশরার বাবা মাসুম হোসেন বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, কানাডার সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার বড় মেয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছে—এটা আমাদের পরিবারের জন্য বড় এক আনন্দের খবর।’ইশরা ২০১১ সালে ঢাকার গ্রীনফিল্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে প্রাথমিক শিক্ষাজীবন শুরু করেন। ২০১৩ সালে বাবা-মায়ের সঙ্গে কানাডায় পাড়ি জমান। গত ২৭ জুন তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে হাইস্কুল ডিপ্লোমা (গ্রেড–১২) অর্জন করেছেন। কানাডার শিক্ষা জীবনের শুরু থেকে প্রতি বছর একাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন করেছেন ইশরা। বাবার মতো চিকিৎসা সেবায় নিজের ক্যারিয়ার গড়ে মানুষের সেবা করতে চান এই মেধাবী শিক্ষার্থী ।ইশরার বাবা মাসুম হোসেন পেশায় ফার্মাসিস্ট ও মা সেলিনা আক্তার নিলু গৃহিণী। দাদা সিরাজুল ইসলাম এবং দাদি আমিনা খাতুন চন্ডিপুর গ্রামের সম্মানিত ব্যক্তিত্ব।ইশরার পরিবার তার সফল ভবিষ্যতের জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন।