ঢাকা ০৯:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ জুলাই ২০২৬, ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিশ্বকাপের সেমিফাইনালিস্ট চার দলের অনন্য নজির ও ফ্রান্সের আধিপত্য দেশে হাম ও উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু দেশের ৭ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, প্রাণহানি বেড়ে ৫১ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন বড় চ্যালেঞ্জ: প্রতিমন্ত্রী অমিত চট্টগ্রাম বাদে এইচএসসি পরীক্ষা চলবে পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ভিয়েতনামে নৌকাডুবি: ১৫ ভারতীয় পর্যটকের মৃত্যু চট্টগ্রাম ছাড়া সারা দেশে এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত সময়েই অনুষ্ঠিত হবে বিএসবি গ্লোবাল নেটওয়ার্কসের মালিকের ৩৩ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ বাংলাদেশে বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় পাকিস্তানের শোক নাগরিকত্ব না বদলেই তিন দেশের হয়ে বিশ্বকাপ খেলা সেই তারকা

পাহাড় এখনো নিরাপদ নয় আজ পাহাড় কাঁদছে। কাঁদছে এক মায়ের আর্তনাদে।

আরিফুর রহমান তীব্র,ডবলমুড়িং থানা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।
  • আপডেট সময় : ০৫:৫২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫ ২৫৩ বার পড়া হয়েছে

পাহাড় এখনো নিরাপদ নয় আজ পাহাড় কাঁদছে। কাঁদছে এক মায়ের আর্তনাদে।

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
print news

আরিফুর রহমান তীব্র,ডবলমুড়িং থানা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।

আজ ৫ মে, থানছি উপজেলার ২নং তিন্দু ইউনিয়নের মংখয় পাড়ায় (খিয়াং পাড়া) যা ঘটেছে, তা কোনো মানুষকে নীরব থাকতে দেয় না।
সকাল ৬টায় জুমে ধান রোপণ করতে গিয়ে তিন সন্তানের জননী, চিংমা খিয়াং, তিনজন সেটেলার বাঙালির দ্বারা অপহরণ হন।
ঘন্টার পর ঘন্টা খোঁজাখুঁজির পর, পাওয়া গেল তার নিথর দেহ।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, তাঁকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে — মাথা ফাটানো হয়েছে, চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
এই নির্মমতা কি কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে?

তার কোলে ছিল মাত্র ১৮ মাসের এক শিশু। আজ সেই শিশু চিরতরে মায়ের দুধ ও মমতা থেকে বঞ্চিত।

পাহাড়ের নারীরা কি আজনিরাপদ নয়?
পাহাড়ে জন্ম নেওয়ার অপরাধে কি তাদের সম্মান, নিরাপত্তা ও জীবনের কোনো মূল্য নেই?

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

 

পাহাড় এখনো নিরাপদ নয় আজ পাহাড় কাঁদছে। কাঁদছে এক মায়ের আর্তনাদে।

আপডেট সময় : ০৫:৫২:৪০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মে ২০২৫
print news

আরিফুর রহমান তীব্র,ডবলমুড়িং থানা প্রতিনিধি চট্টগ্রাম।

আজ ৫ মে, থানছি উপজেলার ২নং তিন্দু ইউনিয়নের মংখয় পাড়ায় (খিয়াং পাড়া) যা ঘটেছে, তা কোনো মানুষকে নীরব থাকতে দেয় না।
সকাল ৬টায় জুমে ধান রোপণ করতে গিয়ে তিন সন্তানের জননী, চিংমা খিয়াং, তিনজন সেটেলার বাঙালির দ্বারা অপহরণ হন।
ঘন্টার পর ঘন্টা খোঁজাখুঁজির পর, পাওয়া গেল তার নিথর দেহ।
এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, তাঁকে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে — মাথা ফাটানো হয়েছে, চোখ উপড়ে ফেলা হয়েছে।
এই নির্মমতা কি কোনো সভ্য সমাজের চিত্র হতে পারে?

তার কোলে ছিল মাত্র ১৮ মাসের এক শিশু। আজ সেই শিশু চিরতরে মায়ের দুধ ও মমতা থেকে বঞ্চিত।

পাহাড়ের নারীরা কি আজনিরাপদ নয়?
পাহাড়ে জন্ম নেওয়ার অপরাধে কি তাদের সম্মান, নিরাপত্তা ও জীবনের কোনো মূল্য নেই?