ঢাকা ০৫:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে দেশজুড়ে প্রস্তুতি সভা ১২৩ বছর বয়সে না ফেরার দেশে নাটোরের আব্বাস প্রামানিক উত্তরায় জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুর কন্যাশিশুর নিরাপত্তা ও সামাজিক অবক্ষয় নিয়ে রাষ্ট্রপতির গভীর উদ্বেগ হরিরামপুরে ফ্যামিলি কার্ড শুমারি-২০২৬ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন গ্রামীণ কল্যাণের ৬৬৬ কোটি টাকার বকেয়া কর দ্রুত আদায়ের নির্দেশ হাইকোর্টের দুই নায়িকার মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব সম্ভব নয় বলে মত রানী মুখার্জির আইনের শাসন ও স্থিতিশীলতায় বিএনপি বিশ্বাসী: রুহুল কবির রিজভী যুক্তরাজ্যে ভুয়া আশ্রয় আবেদনের অভিযোগে বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৩ দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিতে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মতবিনিময়

ছাড়া পেয়েই মোদিকে হিটলারের পরিণতি স্মরণ করালেন ধ্রুব রাঠি

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৫:৪০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬ ৫ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) যন্তর মন্তরের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আগেই ভারতের গুরুগ্রামের বাসা থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গভীর রাতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও তিনি দাবি করেছেন, তাকে কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি, বরং সাদা পোশাকের কিছু ব্যক্তি তাকে অপহরণ করেছিল। ভিডিওবার্তায় মারাত্মক এই অভিযোগ তুলে শনিবারের পুরো ঘটনাকে উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি।

ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে ধ্রুব রাঠি জানান, শনিবার সকাল ৭টার দিকে তিনি যখন ঘুমোচ্ছিলেন, তখন তার বাড়ির বাইরে কয়েকজন লোক ঘোরাফেরা করছিল। পরিস্থিতি দেখতে তার মা দরজা খুললে তারা তাকে ধাক্কা মেরে ঘরে ঢোকে এবং সোজা শোয়ার ঘরে চলে আসে। ধ্রুব জানান, ঘুম থেকে উঠে কিছু বুঝে ওঠার আগেই এমনকি জুতো পরার সুযোগ না দিয়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সময় হাতে ও পায়ে সামান্য চোটও পান তিনি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, যেভাবে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা কোনোভাবেই গ্রেপ্তার নয়, বরং স্পষ্ট অপহরণ।

ধ্রুব জানান, তাকে কোথায় আটকে রাখা হয়েছিল সে বিষয়ে পুলিশের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তাকে এক থানা থেকে অন্য থানায় ঘুরিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়। পরিবারের সদস্য কিংবা আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি এবং তার মুঠোফোনটিও কেড়ে নেওয়া হয়। টানা ২২ থেকে ২৩ ঘণ্টা এভাবে আটকে রাখার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও বর্তমানে অন্তত ১৫ জন লোক তার ওপর নজরদারি চালাচ্ছে। ধ্রুব অভিযোগ করেন, বাড়ি থেকে বের হতে না দিয়ে তাকে অঘোষিতভাবে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা আন্দোলন কর্মসূচিতে যোগ দিতেই জার্মানি থেকে ভারতে এসেছিলেন এই ইউটিউবার। তবে তিনি ভারতের নাগরিক কি না এবং রাজনৈতিক প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার তার অধিকার রয়েছে কি না—এমন প্রশ্ন ওঠে। এসব বিতর্কের জবাবে রবিবার নিজের ভিডিওবার্তায় ভারতীয় পাসপোর্ট দেখিয়ে ধ্রুব নিশ্চিত করেন যে তিনি ভারতের নাগরিক এবং আন্দোলন-প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার পূর্ণ অধিকার তার আছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্যে করে ধ্রুব হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বলতে চাই, এত ভয় দেখাবেন না যে ভয়ই শেষ হয়ে যায়।” একই সঙ্গে মোদিকে একনায়ক হিটলার এবং মুসোলিনির অন্তিম পরিণতির কথা মনে করিয়ে দেন তিনি। পাশাপাশি, এক দিনের মধ্যে ধ্রুবসহ সিজেপি নেতাদের মুক্তি না দিলে অনশনে বসার হুঁশিয়ারি দেওয়া আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুককেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন ধ্রুব রাঠি।

ধ্রুবকে শনিবার কোথায় আটকে রাখা হয়েছিল, পুলিশ সে বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু জানায়নি। ধ্রুব দাবি করেছেন, ‘আমাকে এক থানা থেকে আরেক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছে। বাড়িতে বা আইনজীবীকেও ফোন করতে দেওয়া হয়নি। আমার ফোনটাই কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। টানা ২২-২৩ ঘণ্টা আমাকে আটকে রাখা হয়েছিল। একে অপহরণ ছাড়া আর কী ব

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh

নিউজটি শেয়ার করুন

ছাড়া পেয়েই মোদিকে হিটলারের পরিণতি স্মরণ করালেন ধ্রুব রাঠি

আপডেট সময় : ০৫:৪০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) যন্তর মন্তরের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আগেই ভারতের গুরুগ্রামের বাসা থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গভীর রাতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও তিনি দাবি করেছেন, তাকে কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি, বরং সাদা পোশাকের কিছু ব্যক্তি তাকে অপহরণ করেছিল। ভিডিওবার্তায় মারাত্মক এই অভিযোগ তুলে শনিবারের পুরো ঘটনাকে উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি।

ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে ধ্রুব রাঠি জানান, শনিবার সকাল ৭টার দিকে তিনি যখন ঘুমোচ্ছিলেন, তখন তার বাড়ির বাইরে কয়েকজন লোক ঘোরাফেরা করছিল। পরিস্থিতি দেখতে তার মা দরজা খুললে তারা তাকে ধাক্কা মেরে ঘরে ঢোকে এবং সোজা শোয়ার ঘরে চলে আসে। ধ্রুব জানান, ঘুম থেকে উঠে কিছু বুঝে ওঠার আগেই এমনকি জুতো পরার সুযোগ না দিয়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সময় হাতে ও পায়ে সামান্য চোটও পান তিনি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, যেভাবে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা কোনোভাবেই গ্রেপ্তার নয়, বরং স্পষ্ট অপহরণ।

ধ্রুব জানান, তাকে কোথায় আটকে রাখা হয়েছিল সে বিষয়ে পুলিশের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তাকে এক থানা থেকে অন্য থানায় ঘুরিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়। পরিবারের সদস্য কিংবা আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি এবং তার মুঠোফোনটিও কেড়ে নেওয়া হয়। টানা ২২ থেকে ২৩ ঘণ্টা এভাবে আটকে রাখার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও বর্তমানে অন্তত ১৫ জন লোক তার ওপর নজরদারি চালাচ্ছে। ধ্রুব অভিযোগ করেন, বাড়ি থেকে বের হতে না দিয়ে তাকে অঘোষিতভাবে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা আন্দোলন কর্মসূচিতে যোগ দিতেই জার্মানি থেকে ভারতে এসেছিলেন এই ইউটিউবার। তবে তিনি ভারতের নাগরিক কি না এবং রাজনৈতিক প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার তার অধিকার রয়েছে কি না—এমন প্রশ্ন ওঠে। এসব বিতর্কের জবাবে রবিবার নিজের ভিডিওবার্তায় ভারতীয় পাসপোর্ট দেখিয়ে ধ্রুব নিশ্চিত করেন যে তিনি ভারতের নাগরিক এবং আন্দোলন-প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার পূর্ণ অধিকার তার আছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্যে করে ধ্রুব হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বলতে চাই, এত ভয় দেখাবেন না যে ভয়ই শেষ হয়ে যায়।” একই সঙ্গে মোদিকে একনায়ক হিটলার এবং মুসোলিনির অন্তিম পরিণতির কথা মনে করিয়ে দেন তিনি। পাশাপাশি, এক দিনের মধ্যে ধ্রুবসহ সিজেপি নেতাদের মুক্তি না দিলে অনশনে বসার হুঁশিয়ারি দেওয়া আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুককেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন ধ্রুব রাঠি।

ধ্রুবকে শনিবার কোথায় আটকে রাখা হয়েছিল, পুলিশ সে বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু জানায়নি। ধ্রুব দাবি করেছেন, ‘আমাকে এক থানা থেকে আরেক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছে। বাড়িতে বা আইনজীবীকেও ফোন করতে দেওয়া হয়নি। আমার ফোনটাই কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। টানা ২২-২৩ ঘণ্টা আমাকে আটকে রাখা হয়েছিল। একে অপহরণ ছাড়া আর কী ব

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Daily Amar Desh