
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) যন্তর মন্তরের কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আগেই ভারতের গুরুগ্রামের বাসা থেকে ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। গভীর রাতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও তিনি দাবি করেছেন, তাকে কোনো আইনি প্রক্রিয়ায় আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়নি, বরং সাদা পোশাকের কিছু ব্যক্তি তাকে অপহরণ করেছিল। ভিডিওবার্তায় মারাত্মক এই অভিযোগ তুলে শনিবারের পুরো ঘটনাকে উত্তর কোরিয়ার স্বৈরাচারের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি।
ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে ধ্রুব রাঠি জানান, শনিবার সকাল ৭টার দিকে তিনি যখন ঘুমোচ্ছিলেন, তখন তার বাড়ির বাইরে কয়েকজন লোক ঘোরাফেরা করছিল। পরিস্থিতি দেখতে তার মা দরজা খুললে তারা তাকে ধাক্কা মেরে ঘরে ঢোকে এবং সোজা শোয়ার ঘরে চলে আসে। ধ্রুব জানান, ঘুম থেকে উঠে কিছু বুঝে ওঠার আগেই এমনকি জুতো পরার সুযোগ না দিয়ে তাকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। এই সময় হাতে ও পায়ে সামান্য চোটও পান তিনি। তার বক্তব্য অনুযায়ী, যেভাবে তাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে তা কোনোভাবেই গ্রেপ্তার নয়, বরং স্পষ্ট অপহরণ।
ধ্রুব জানান, তাকে কোথায় আটকে রাখা হয়েছিল সে বিষয়ে পুলিশের তরফ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। তাকে এক থানা থেকে অন্য থানায় ঘুরিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়। পরিবারের সদস্য কিংবা আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে দেওয়া হয়নি এবং তার মুঠোফোনটিও কেড়ে নেওয়া হয়। টানা ২২ থেকে ২৩ ঘণ্টা এভাবে আটকে রাখার পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হলেও বর্তমানে অন্তত ১৫ জন লোক তার ওপর নজরদারি চালাচ্ছে। ধ্রুব অভিযোগ করেন, বাড়ি থেকে বের হতে না দিয়ে তাকে অঘোষিতভাবে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে সিজেপির ডাকা আন্দোলন কর্মসূচিতে যোগ দিতেই জার্মানি থেকে ভারতে এসেছিলেন এই ইউটিউবার। তবে তিনি ভারতের নাগরিক কি না এবং রাজনৈতিক প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার তার অধিকার রয়েছে কি না—এমন প্রশ্ন ওঠে। এসব বিতর্কের জবাবে রবিবার নিজের ভিডিওবার্তায় ভারতীয় পাসপোর্ট দেখিয়ে ধ্রুব নিশ্চিত করেন যে তিনি ভারতের নাগরিক এবং আন্দোলন-প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার পূর্ণ অধিকার তার আছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্যে করে ধ্রুব হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বলতে চাই, এত ভয় দেখাবেন না যে ভয়ই শেষ হয়ে যায়।” একই সঙ্গে মোদিকে একনায়ক হিটলার এবং মুসোলিনির অন্তিম পরিণতির কথা মনে করিয়ে দেন তিনি। পাশাপাশি, এক দিনের মধ্যে ধ্রুবসহ সিজেপি নেতাদের মুক্তি না দিলে অনশনে বসার হুঁশিয়ারি দেওয়া আন্দোলনকারী সোনম ওয়াংচুককেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন ধ্রুব রাঠি।
ধ্রুবকে শনিবার কোথায় আটকে রাখা হয়েছিল, পুলিশ সে বিষয়ে সরকারিভাবে কিছু জানায়নি। ধ্রুব দাবি করেছেন, ‘আমাকে এক থানা থেকে আরেক থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসিয়ে রাখা হয়েছে। বাড়িতে বা আইনজীবীকেও ফোন করতে দেওয়া হয়নি। আমার ফোনটাই কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। টানা ২২-২৩ ঘণ্টা আমাকে আটকে রাখা হয়েছিল। একে অপহরণ ছাড়া আর কী ব
সম্পাদক ও প্রকাশক: মাহের আহমেদ, প্রধান সম্পাদক: মোঃ মোত্তালিব সরকার। প্রকাশক কর্তৃক ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত। সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় (ঢাকা) : ৫৫০বি, হজ্জ ক্যাম্প রোড, আশকোনা, দক্ষিণখান, ঢাকা-১২৩০, বাংলাদেশ। আঞ্চলিক কার্যালয় (বগুড়া): টোলারগেট, শেরপুর–৫৮৪০, শেরপুর, বগুড়া। অফিস: ০১৭৭৬-১৩৬০৫০ (হোয়াটসঅ্যাপ), বিজ্ঞাপন: ০৯৬৯৭-৫৪৪৮২৭। ই-মেইল: dailyjokhonsomoy@gmail.com।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রনালয়ের বিধি মোতাবেক নিবন্ধনের জন্য আবেদিত ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © দৈনিক যখন সময় ২০২২