নিউইয়র্কে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সাইডলাইন বৈঠক
- আপডেট সময় : ১২:০০:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্ক সফররত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন দেশের সরকার ও মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে একাধিক দ্বিপক্ষীয় ও সাইডলাইন বৈঠক করেছেন। এসব বৈঠকে বাংলাদেশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সুদৃঢ় করা, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে অংশীদারিত্ব বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব একেএম নাজমুল হক বৈঠকের এসব তথ্য জানিয়েছেন।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেই প্লেনকোভিচের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি, শিক্ষা ও প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণের বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়। এছাড়া জাতিসংঘসহ বিভিন্ন বহুপক্ষীয় ফোরামে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা ও অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক বিষয়ে সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন দুই নেতা।
সফরকালে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী আনুতিন চার্নভিরাকুলের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়ার নানাদিক নিয়ে দুই নেতার মধ্যে মতবিনিময় হয়।
পাশাপাশি সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারিয়া মালমের স্টেনারগার্ডের সঙ্গেও একটি বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশ ও সুইডেনের মধ্যে স্বাস্থ্য এবং উন্নয়ন সহযোগিতার বিষয়গুলো বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়। এর অংশ হিসেবে জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিলের (ইউএনএফপিএ) আয়োজিত একটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও সুইডেন প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবায় মিডওয়াইফারির ভূমিকা জোরদার এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণে পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে।
নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত এই সিরিজ বৈঠকগুলোতে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব সুদৃঢ় করা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের নতুন ক্ষেত্র তৈরি এবং আন্তর্জাতিক ও বহুপক্ষীয় ফোরামে পারস্পরিক সমন্বয় বাড়ানোর ওপর বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে।




























