যুদ্ধ বন্ধে ইরানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
- আপডেট সময় : ১১:১৮:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধ বন্ধের জন্য ইরানের পক্ষ থেকে আসা সাত দিনের রোডম্যাপ বা প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) হোয়াইট হাউস থেকে টেনেসির উদ্দেশে রওনা হওয়ার প্রাক্কালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প স্পষ্টভাবে জানান, তিনি তাদের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করছেন।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির বরাত দিয়ে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস ও গার্ডিয়ান জানায়, যুদ্ধের অবসান এবং সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার শর্তে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি প্রস্তাব দিয়েছিল ইরান। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে অবস্থানকালে আরাঘচি গণমাধ্যমগুলোকে জানিয়েছিলেন, নির্দিষ্ট কিছু শর্ত পূরণ হলে সাত দিনের মধ্যে প্রণালিটি খুলে দেওয়া এবং আলোচনা শুরু হতে পারে।
ইরানি এই প্রস্তাবের বিস্তারিত তথ্যে জানা গেছে, এর মধ্যে লেবাননসহ মধ্যপ্রাচ্যে সাত দিনের জন্য সব ধরনের শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। এছাড়া জব্দকৃত ১২ বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ছাড়, তেল রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং নৌ অবরোধ তুলে নেওয়ার মতো শর্তও এতে অন্তর্ভুক্ত ছিল। আব্বাস আরাঘচি আরও জানিয়েছিলেন, ইরান এই পরিকল্পনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তরের অপেক্ষায় আছে এবং চীন এই প্রস্তাবকে সমর্থন জানিয়েছে।
এদিকে, গত মঙ্গলবার জাপানের বার্তা সংস্থা কিয়োদো ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রথম এ ধরনের প্রস্তাবের কথা প্রকাশ করেছিল, যদিও তখন ইরানি গণমাধ্যম সেই দাবি অস্বীকার করেছিল। একই দিন নিউইয়র্কে ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন আরাঘচি। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) মুখপাত্র হোসেইন মোহেবি এএফপিকে জানিয়েছিলেন, তেহরানের দাবিগুলোর মধ্যে ইয়েমেনে শত্রুতা বন্ধের বিষয়টিও যুক্ত আছে।
অন্যদিকে, ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের একটি প্রতিবেদনে মার্কিন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ট্রাম্প ইরানে বোমা হামলার অভিযান শুরুর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তবে এই তথ্যের সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, হোয়াইট হাউসের প্রেস কভারেজ নিয়ে সিএনএনের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের বিরোধের মধ্যেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।



























