ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাজীপুরে যমুনার ভাঙনে বিলীন অর্ধশত বিঘা ফসলি জমি সিঙ্গাপুরের বিপক্ষে একাদশে ফিরলেন জামাল-মোরসালিন জাসদ কার্যালয় থেকে গ্রেপ্তার ২৭ জনের জামিন নামঞ্জুর সাইবার আইন নিপীড়নমূলক হবে না, স্টেকহোল্ডারদের সাথে আলোচনায় সরকার মিরপুর হত্যাকাণ্ড: কামাল-ইলিয়াস-নিখিলসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল কিশোরগঞ্জে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীর মৃত্যুদণ্ড সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিআরটিসি বাস ভাড়া নিষিদ্ধ চেয়ে হাইকোর্টে রিট আরসিইপি বাণিজ্য জোটে যোগ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ, কী সুবিধা মিলবে বাঘাইছড়িতে অস্ত্র ও বিপুল ভারতীয় সিগারেট জব্দ করল বিজিবি দুই কিংবদন্তিকে টপকে হালান্ডের নতুন গোল রেকর্ড

সব প্রস্তাব মানলেও পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় দেবে না ইরান

যখন সময় ডেক্সঃ
  • আপডেট সময় : ০৮:১৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৩ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি



যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সব শর্ত মেনেও নেয়, তবুও নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না তেহরান। গতকাল শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তিনি জানান, মার্কিন প্রশাসন তেহরানের সব দাবি পূরণ না করা পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে।

ইরানের প্রস্তাব অনুযায়ী, তাদের শর্তগুলো পূরণ করা হলে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিতে প্রস্তুত রয়েছে দেশটি। গত বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক প্রস্তাবে বলেন, লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে আগামী সাত দিনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, জব্দ করা অর্থ ফেরত দেওয়া এবং দেশটির জ্বালানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ রেখেছে ইরান। তেহরান চায় মার্কিন নৌ অবরোধ থেকে মুক্তি পেতে, আর ওয়াশিংটন চায় এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে। ফলে এই প্রণালিটি এখন দুই দেশের মধ্যে দর-কষাকষির প্রধান হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সাংবাদিকদের জানান, তিনি যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে আশাবাদী। আগামী ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই এই চুক্তি হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তেহরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের শর্ত মেনে নিলে তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসতে রাজি।

তবে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানি কর্মকর্তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, নিজেদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার কিংবা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোর মতো বিষয়ে ইরান কোনো সমঝোতা করবে না। উল্লেখ্য, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দাবি। অন্যদিকে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যার প্রমাণ হিসেবে তারা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের বিষয়টি তুলে ধরে। তবে ইরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

সব প্রস্তাব মানলেও পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় দেবে না ইরান

আপডেট সময় : ০৮:১৪:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের সব শর্ত মেনেও নেয়, তবুও নিজেদের পারমাণবিক কর্মসূচির বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না তেহরান। গতকাল শুক্রবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তিনি জানান, মার্কিন প্রশাসন তেহরানের সব দাবি পূরণ না করা পর্যন্ত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি বন্ধই থাকবে।

ইরানের প্রস্তাব অনুযায়ী, তাদের শর্তগুলো পূরণ করা হলে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দিতে প্রস্তুত রয়েছে দেশটি। গত বৃহস্পতিবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক প্রস্তাবে বলেন, লেবাননসহ সব রণাঙ্গনে আগামী সাত দিনের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ প্রত্যাহার, জব্দ করা অর্থ ফেরত দেওয়া এবং দেশটির জ্বালানি তেলের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

বর্তমানে আন্তর্জাতিক তেল সরবরাহের অন্যতম প্রধান রুট হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ রেখেছে ইরান। তেহরান চায় মার্কিন নৌ অবরোধ থেকে মুক্তি পেতে, আর ওয়াশিংটন চায় এই প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে। ফলে এই প্রণালিটি এখন দুই দেশের মধ্যে দর-কষাকষির প্রধান হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে।

এদিকে, গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান সাংবাদিকদের জানান, তিনি যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর ব্যাপারে আশাবাদী। আগামী ৩ নভেম্বরের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই এই চুক্তি হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। তেহরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের শর্ত মেনে নিলে তারা পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় বসতে রাজি।

তবে রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ইরানি কর্মকর্তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, নিজেদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার কিংবা উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোর মতো বিষয়ে ইরান কোনো সমঝোতা করবে না। উল্লেখ্য, উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দেশের বাইরে পাঠানোই ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দাবি। অন্যদিকে, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছে যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে, যার প্রমাণ হিসেবে তারা ৬০ শতাংশ পর্যন্ত ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের বিষয়টি তুলে ধরে। তবে ইরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo