তিনদিনের সফরে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং
- আপডেট সময় : ১১:৫২:০৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১ বার পড়া হয়েছে

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং তিনদিনের সরকারি সফরে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন। আগামীকাল বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) থেকে শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত তিনি ওয়াশিংটনে অবস্থান করবেন। ২০১৫ সালের পর এটিই তার প্রথম মার্কিন সফর। এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করা। চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া জানিয়েছে, এই সফরের মাধ্যমে কয়েক মাসের ব্যবধানে দুই দেশের প্রেসিডেন্টের পারস্পরিক সফর সম্পন্ন হবে।
বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির দেশ হিসেবে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের পারস্পরিক সম্পর্কের গুরুত্ব অপরিসীম। গত মে মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বেইজিং সফর করেছিলেন। সেই সময় শি জিনপিং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে তিনটি মৌলিক প্রশ্ন তুলেছিলেন—চীন ও যুক্তরাষ্ট্র কি 'থুসিডিডিসের ফাঁদ' অতিক্রম করে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে, বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে পারে এবং মানবতার স্বার্থে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে পারে কি না।
দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্য বিরোধ ও প্রযুক্তি খাতের বিধিনিষেধসহ নানা টানাপোড়েনের মধ্য দিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক চলছে। তবে বেইজিং সম্মেলনের পর শি ও ট্রাম্প আগামী তিন বছর এবং তার পরবর্তী সময়ের জন্য কৌশলগত স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে গঠনমূলক সম্পর্ক গড়ে তোলার নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে সম্মত হয়েছেন। সিংহুয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজির পরিচালক দা ওয়েই জানিয়েছেন, এক দশকের বেশি সময়ের মধ্যে এই প্রথম দুই দেশ তাদের সম্পর্কের সংজ্ঞা নির্ধারণে এমন ঐকমত্যে পৌঁছেছে, যা উভয় দেশের নেতারা স্বীকৃতি দিয়েছেন।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনালাপে এই সফরকে রাষ্ট্রপ্রধানদের কূটনীতির অংশ হিসেবে উল্লেখ করে একে সম্পর্কের ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ট্রাম্প পুনর্নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই শি তার সঙ্গে বিভিন্ন উপায়ে যোগাযোগ বজায় রেখেছেন। মে মাসের বেইজিং সফরের সময় শি ট্রাম্পকে ঝংনানহাইয়ে ব্যক্তিগত বৈঠকের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। সেখানে দুই নেতাকে বাগানে হাঁটাহাঁটি ও অনানুষ্ঠানিক পরিবেশে আলাপচারিতায় অংশ নিতে দেখা গিয়েছিল, যা দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের প্রচেষ্টায় একটি বিশেষ দিক ছিল।



























