নেপালে নিখোঁজ হাজারো মানুষের সন্ধানে উদ্ধারকর্মীদের অভিযান অব্যাহত
- আপডেট সময় : ০৫:১৩:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

হিমালয় অঞ্চলে সুনামির মতো আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যার পর সোমবার থেকে নেপালে উদ্ধার হওয়া মরদেহগুলোর দাফন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। পানির তীব্র স্রোতে গ্রাম ও জনপদ ভেসে যাওয়ায় এখনো হাজার হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে উদ্বিগ্ন পরিবারের সদস্যরা হাসপাতাল ও উদ্ধারকেন্দ্রগুলোতে ভিড় করছেন। অনেক পরিবারকে উপচে পড়া মর্গে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করার মতো কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে।
গত বুধবার বরফ, পাথর ও ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত নেমে এসে বিভিন্ন জনপদ ভাসিয়ে নেয়। এতে নেপাল ও সীমান্তের ওপারে চীনের তিব্বত মিলিয়ে অন্তত ৭৯৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা, কিছু মরদেহ স্রোতে ভেসে ভারতের ভূখণ্ড পর্যন্ত চলে যেতে পারে। সব মিলিয়ে এখনো অন্তত ৩ হাজার ৪৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। এদের মধ্যে তিব্বতের পবিত্র কৈলাস পর্বতে যাওয়া পর্যটক ও তীর্থযাত্রী এবং নেপালের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত ৯৩৩ জন শ্রমিকও রয়েছেন।
রোববার নেপালি সেনাবাহিনীর সদস্য ও প্রকৌশলীরা হিমালয়ের নদী উপত্যকায় অবস্থিত ত্রিশূলী-৩ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি টানেলে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে খননকাজ চালিয়েছেন। এর আগে উদ্ধারকারীরা সফলভাবে টানেলের ভেতর একটি পাইপ ঢোকাতে সক্ষম হন।
দুর্যোগের সময় বেঁচে যাওয়া শ্রমিকরা ভয়াবহ পরিস্থিতির বর্ণনা দিয়েছেন। ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের ৩৩ বছর বয়সী সুরেন্দ্র দৌলুরি জানান, তিনি আপার ত্রিশূলী-১ প্রকল্পে কাজ করছিলেন। কাঠমান্ডুতে উদ্ধারের চার দিন পর তিনি এএফপিকে বলেন, আমরা খুব জোরে একটি শব্দ শুনতে পাই। এরপর দেখি টারবাইন ফ্লোর কাদা ও পানিতে ডুবে গেছে। সেখানে ছয়জন শ্রমিক আটকা পড়েছিলেন।



























