ঢাকা ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৯/১১-কে ‘সন্ত্রাসী হামলা’ না বলার নির্দেশ নিয়ে সিবিসির সমালোচনা ৭০ লাখ টাকায় নির্মিত অতিথিশালা, ১৪ বছরেও পর্যটকশূন্য হালান্ড ও চেরকির জোড়া গোল, ক্রিস্টাল প্যালেসকে ৪-১ ব্যবধানে ওড়াল ম্যানসিটি অপ্রাপ্তবয়স্কদের জন্য ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে মেটার নতুন নিয়ম জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান মৌলভীবাজারের সবুজে সোনালি চন্দ্রপ্রভার হলুদ উৎসব সরকারি কলেজে শিক্ষক সংকট ও শিক্ষার মানোন্নয়নের চ্যালেঞ্জ উদ্বোধনের পরই অচল অন্তর্বর্তী সরকারের নাগরিক সেবাকেন্দ্র, ৪টিতেই তালা স্বাস্থ্য খাতের আমূল সংস্কারে স্বাস্থ্য কমিশন গঠনের প্রস্তাব ১১ অঞ্চলে ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, নদীবন্দরে সতর্ক সংকেত

কারাবন্দী ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে ছেলেদের গভীর উদ্বেগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ২ বার পড়া হয়েছে

Single Page Middle (336×280)

দৈনিক যখন সময় অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট কিংবদন্তি ইমরান খানের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁর দুই ছেলে সুলাইমান ও কাসিম খান। প্রায় ছয় মাস ধরে বাবার কণ্ঠস্বর শুনতে পাননি তাঁরা। সর্বশেষ গত মার্চে ঈদুল ফিতরের সময় মাত্র ২০ মিনিটের জন্য বাবার সঙ্গে তাঁদের ফোনে কথা হয়েছিল। লন্ডনে আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁরা বাবার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁদের শঙ্কা ও ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন। কাসিম বলেন, সাধারণত কথা বলার জন্য ২০ মিনিটের মতো সময় পাওয়া যায়। তখন তিনি ব্যাকুল হয়ে সন্তানদের খোঁজখবর নেন ও নানা উপদেশ দেন। কিন্তু নিজের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দ্রুত প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলেন।

৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান গত তিন বছর ধরে কারাবন্দী রয়েছেন। ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ফাঁস ও বেআইনিভাবে উপহার বিক্রিসহ শতাধিক মামলা দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ও পরিবার। একটি ছাড়া তাঁর সব দণ্ডই স্থগিত বা বাতিল হয়েছে এবং আপিলগুলো এখনো বিচারাধীন রয়েছে। সম্প্রতি কয়েক মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইমরান খানের দুই বোন উজমা ও নওরিন তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। ২৯ বছর বয়সী সুলাইমান জানান, নির্জন কারাবাসের মাধ্যমে তাঁর বাবাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে এবং বোনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তাঁকে বেশ অস্থির দেখা গেছে। তীব্র উদ্বেগের কারণে তাঁর হৃৎস্পন্দন বেড়ে গেছে এবং বুক ধড়ফড় করছে বলে জানান কাসিম। তাঁর মতে, অত্যন্ত শান্ত ও দৃঢ়চেতা একজন মানুষের এমন উদ্বেগে ভোগার বিষয়টি অকল্পনীয়।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে ইমরান খানের আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন যে তিনি তাঁর ডান চোখের ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। সুলাইমান জানান, ফুফুদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ও তাঁর বাবার চোখে পট্টি লাগানো ছিল। টানা ১০ মাস তাঁকে কোনো দর্শনার্থীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। গত ১৮ আগস্ট পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির একটি বেঞ্চ আদেশ দিয়েছিলেন যে, দুই দিনের মধ্যে ইমরান খানকে বেসরকারি শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে। এছাড়া সপ্তাহে একবার পরিবারের সঙ্গে দেখা ও দুবার ছেলেদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সুযোগ দিতে বলা হয়। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বোনকে (যাঁরা দুজনই পেশায় চিকিৎসক) চিকিৎসার অনুমতি দেওয়ারও নির্দেশ ছিল। কিন্তু সরকার তাঁকে বেসরকারি হাসপাতালের বদলে সরকারি পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসে (পিআইএমএস) নিয়ে যায় এবং সংক্ষিপ্ত পরীক্ষা শেষে ২০ আগস্ট আবার কারাগারে ফেরত পাঠায়। এ ঘটনায় পিটিআই আদালত অবমাননার আবেদন করেছে। সুলাইমান অভিযোগ করেন, সরকারি চিকিৎসকদের মূলত শিখিয়ে দেওয়া হয় তাঁদের কী বলতে হবে। তাঁরা চান নিরপেক্ষভাবে ইমরান খানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হোক।

পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় অবশ্য ইমরান খানের পরিবারের এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। আল-জাজিরাকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয় এবং সরকার কারও স্বাস্থ্যের প্রতি অসম্মান দেখায়নি। মন্ত্রণালয়ের দাবি, কারাবাসের পর থেকে ইমরান খানের ৩০ বার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে এবং চিকিৎসকদের মতে তিনি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল আছেন। তবে কাসিম খান প্রশ্ন তুলেছেন, যদি কোনো অন্যায় না করা হয়ে থাকে, তবে নিরপেক্ষ চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা করিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে তা প্রমাণ করা হোক।

ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ইতিমধ্যে জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ওয়াশিংটন ও লন্ডনের রাজনীতিবিদ এবং ২১ জন সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক আহ্বান জানিয়েছেন। ইমরান খানের সাবেক স্ত্রী ও ছেলেদের মা জেমিমা গোল্ডস্মিথ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের কাছে এ বিষয়ে সাহায্য চেয়ে আবেদন করেছেন। জেমিমা জানান, তাঁর ছেলেরা ব্রিটিশ নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের পাকিস্তানের ভিসা দেওয়া হয়নি এবং বাবার সঙ্গে দেখা করতে গেলে গ্রেপ্তারের ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে। ২০২২ সালের নভেম্বরে ইমরান খানের ওপর হওয়া প্রাণঘাতী হামলার পর ছেলেরা শেষবার তাঁর সঙ্গে সরাসরি দেখা করেছিলেন। কাসিম বলেন, কাউকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও বই পড়তে না দেওয়া, সন্তানদের সঙ্গে কথা বলতে না দিয়ে ২৩ ঘণ্টা নির্জন কক্ষে আটকে রাখা অত্যন্ত নীচতার পরিচয়। তবে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও বাবার মানসিক শক্তির ওপর তাঁদের গভীর আস্থা রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo

নিউজটি শেয়ার করুন

কারাবন্দী ইমরান খানের শারীরিক অবস্থা নিয়ে ছেলেদের গভীর উদ্বেগ

আপডেট সময় : ১১:৩৮:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দী সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেট কিংবদন্তি ইমরান খানের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তাঁর দুই ছেলে সুলাইমান ও কাসিম খান। প্রায় ছয় মাস ধরে বাবার কণ্ঠস্বর শুনতে পাননি তাঁরা। সর্বশেষ গত মার্চে ঈদুল ফিতরের সময় মাত্র ২০ মিনিটের জন্য বাবার সঙ্গে তাঁদের ফোনে কথা হয়েছিল। লন্ডনে আল-জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তাঁরা বাবার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁদের শঙ্কা ও ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন। কাসিম বলেন, সাধারণত কথা বলার জন্য ২০ মিনিটের মতো সময় পাওয়া যায়। তখন তিনি ব্যাকুল হয়ে সন্তানদের খোঁজখবর নেন ও নানা উপদেশ দেন। কিন্তু নিজের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি দ্রুত প্রসঙ্গ পাল্টে ফেলেন।

৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান গত তিন বছর ধরে কারাবন্দী রয়েছেন। ২০২২ সালে অনাস্থা ভোটে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে তাঁর বিরুদ্ধে ঘুষ গ্রহণ, রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য ফাঁস ও বেআইনিভাবে উপহার বিক্রিসহ শতাধিক মামলা দেওয়া হয়েছে। তবে এসব অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে আসছে তাঁর দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) ও পরিবার। একটি ছাড়া তাঁর সব দণ্ডই স্থগিত বা বাতিল হয়েছে এবং আপিলগুলো এখনো বিচারাধীন রয়েছে। সম্প্রতি কয়েক মাসের মধ্যে প্রথমবারের মতো ইমরান খানের দুই বোন উজমা ও নওরিন তাঁর সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পান। ২৯ বছর বয়সী সুলাইমান জানান, নির্জন কারাবাসের মাধ্যমে তাঁর বাবাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে এবং বোনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় তাঁকে বেশ অস্থির দেখা গেছে। তীব্র উদ্বেগের কারণে তাঁর হৃৎস্পন্দন বেড়ে গেছে এবং বুক ধড়ফড় করছে বলে জানান কাসিম। তাঁর মতে, অত্যন্ত শান্ত ও দৃঢ়চেতা একজন মানুষের এমন উদ্বেগে ভোগার বিষয়টি অকল্পনীয়।

এর আগে গত ফেব্রুয়ারিতে ইমরান খানের আইনজীবীরা জানিয়েছিলেন যে তিনি তাঁর ডান চোখের ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি হারিয়েছেন। সুলাইমান জানান, ফুফুদের সঙ্গে সাক্ষাতের সময়ও তাঁর বাবার চোখে পট্টি লাগানো ছিল। টানা ১০ মাস তাঁকে কোনো দর্শনার্থীর সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। গত ১৮ আগস্ট পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের তিন বিচারপতির একটি বেঞ্চ আদেশ দিয়েছিলেন যে, দুই দিনের মধ্যে ইমরান খানকে বেসরকারি শিফা ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে। এছাড়া সপ্তাহে একবার পরিবারের সঙ্গে দেখা ও দুবার ছেলেদের সঙ্গে ফোনে কথা বলার সুযোগ দিতে বলা হয়। তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বোনকে (যাঁরা দুজনই পেশায় চিকিৎসক) চিকিৎসার অনুমতি দেওয়ারও নির্দেশ ছিল। কিন্তু সরকার তাঁকে বেসরকারি হাসপাতালের বদলে সরকারি পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব মেডিক্যাল সায়েন্সেসে (পিআইএমএস) নিয়ে যায় এবং সংক্ষিপ্ত পরীক্ষা শেষে ২০ আগস্ট আবার কারাগারে ফেরত পাঠায়। এ ঘটনায় পিটিআই আদালত অবমাননার আবেদন করেছে। সুলাইমান অভিযোগ করেন, সরকারি চিকিৎসকদের মূলত শিখিয়ে দেওয়া হয় তাঁদের কী বলতে হবে। তাঁরা চান নিরপেক্ষভাবে ইমরান খানের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হোক।

পাকিস্তানের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় অবশ্য ইমরান খানের পরিবারের এসব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে। আল-জাজিরাকে পাঠানো এক বিবৃতিতে তারা বলেছে, স্বাস্থ্য নিয়ে রাজনীতি করা উচিত নয় এবং সরকার কারও স্বাস্থ্যের প্রতি অসম্মান দেখায়নি। মন্ত্রণালয়ের দাবি, কারাবাসের পর থেকে ইমরান খানের ৩০ বার স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে এবং চিকিৎসকদের মতে তিনি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল আছেন। তবে কাসিম খান প্রশ্ন তুলেছেন, যদি কোনো অন্যায় না করা হয়ে থাকে, তবে নিরপেক্ষ চিকিৎসকের মাধ্যমে পরীক্ষা করিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে তা প্রমাণ করা হোক।

ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে ইতিমধ্যে জাতিসংঘ, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, ওয়াশিংটন ও লন্ডনের রাজনীতিবিদ এবং ২১ জন সাবেক ক্রিকেট অধিনায়ক আহ্বান জানিয়েছেন। ইমরান খানের সাবেক স্ত্রী ও ছেলেদের মা জেমিমা গোল্ডস্মিথ যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এড মিলিব্যান্ডের কাছে এ বিষয়ে সাহায্য চেয়ে আবেদন করেছেন। জেমিমা জানান, তাঁর ছেলেরা ব্রিটিশ নাগরিক হওয়া সত্ত্বেও তাঁদের পাকিস্তানের ভিসা দেওয়া হয়নি এবং বাবার সঙ্গে দেখা করতে গেলে গ্রেপ্তারের ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করা হয়েছে। ২০২২ সালের নভেম্বরে ইমরান খানের ওপর হওয়া প্রাণঘাতী হামলার পর ছেলেরা শেষবার তাঁর সঙ্গে সরাসরি দেখা করেছিলেন। কাসিম বলেন, কাউকে প্রাথমিক চিকিৎসা ও বই পড়তে না দেওয়া, সন্তানদের সঙ্গে কথা বলতে না দিয়ে ২৩ ঘণ্টা নির্জন কক্ষে আটকে রাখা অত্যন্ত নীচতার পরিচয়। তবে শত প্রতিকূলতার মধ্যেও বাবার মানসিক শক্তির ওপর তাঁদের গভীর আস্থা রয়েছে।

ছবি/কন্টেন্ট: সংগৃহীত | সূত্র: Prothom Alo